ঢাকা ১০:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি নুরুল মোমিন খোকনের সুস্থতা কামনায় ১৮নং ওয়ার্ড বিএনপির দোয়া মাহফিল ট্রিপল মার্ডার: সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে সরব ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বিএনপি নেতা নুরুল মোমিন চৌধুরী খোকন চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাচ্ছেন সিলেট ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেল অপ্সরা আলতাফ চৌধুরী রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দকে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি ও এটিএম তুরাব বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড প্রদান নারীদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় মাসুদুর রহমান সুমন দানবাক্সে লাখো টাকার দান, স্বচ্ছতায় নতুন দৃষ্টান্ত ২০ কোটি টাকার টেন্ডার থেকে গোপনীয় পরীক্ষা কার্যক্রম—সিলেট শিক্ষা বোর্ডে একের পর এক অভিযোগ, তদন্তের দাবি ! সিলেটে চিকিৎসকের কিশোর ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

সংগ্রামের সৈনিক থেকে নগর উন্নয়নের স্বপ্নদ্রষ্টা—কয়েস লোদী আলোচনার কেন্দ্রে

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট:
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪৩৩ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের রাজনীতিতে তৃণমূলের আস্থার প্রতীক হিসেবে আলোচিত নাম রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে রাজপথের আন্দোলন—তার রাজনৈতিক পথচলা জুড়ে রয়েছে মিছিল, সমাবেশ, গ্রেফতার আর কারাবরণ। দীর্ঘ এই সংগ্রামী জীবনে প্রতিকূলতা যতই এসেছে, তিনি ততই সক্রিয় থেকেছেন মাঠের রাজনীতিতে।

দলীয় দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের সাহস জোগাতে সামনের সারিতে দেখা গেছে তাকে। বিশেষ করে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় ধারাবাহিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গ্রেফতার হন তিনি। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কারামুক্ত হয়ে ফেরেন রাজনীতির ময়দানে। দলীয় সূত্র বলছে, আন্দোলন-সংগ্রামে তার উপস্থিতি কর্মীদের জন্য ছিল প্রেরণার উৎস।

রাজপথের রাজনীতির পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি হিসেবেও রয়েছে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। তিনি সিলেট সিটি কর্পোরেশন–এর একাধিকবার নির্বাচিত কাউন্সিলর। প্যানেল মেয়র ও ক্রীড়া কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নগরীর অবকাঠামো উন্নয়ন ও ক্রীড়াঙ্গন বিকাশে ভূমিকা রাখেন। একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবেও তরুণদের কাছে তার আলাদা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সিলেট মহানগর শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।মহানগরের ৪২টি ওয়ার্ডে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে নিয়মিত তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে দলীয় প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ঘিরে নগর রাজনীতিতে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের একটি অংশ মনে করছেন, পরীক্ষিত রাজনীতিবিদ ও অভিজ্ঞ জনপ্রতিনিধি হিসেবে কয়েস লোদী হতে পারেন সম্ভাব্য প্রার্থী।

নিজের অবস্থান সম্পর্কে কয়েস লোদী বলেন, “রাজনীতি মানেই জনগণের সেবা। রাজপথ ও কারাগার আমার জীবনের অংশ। এখন আমাদের লক্ষ্য—সমৃদ্ধ ও আধুনিক সিলেট গড়া।”

সিলেট নগরীর ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা যতই ঘনীভূত হচ্ছে, ততই সামনে আসছে এই লড়াকু রাজনীতিকের নাম। তৃণমূলের আস্থা ও সংগঠনের অভিজ্ঞতা—দুই মিলিয়ে নগর রাজনীতিতে তিনি এখন গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সংগ্রামের সৈনিক থেকে নগর উন্নয়নের স্বপ্নদ্রষ্টা—কয়েস লোদী আলোচনার কেন্দ্রে

আপডেট সময় : ০৪:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সিলেটের রাজনীতিতে তৃণমূলের আস্থার প্রতীক হিসেবে আলোচিত নাম রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে রাজপথের আন্দোলন—তার রাজনৈতিক পথচলা জুড়ে রয়েছে মিছিল, সমাবেশ, গ্রেফতার আর কারাবরণ। দীর্ঘ এই সংগ্রামী জীবনে প্রতিকূলতা যতই এসেছে, তিনি ততই সক্রিয় থেকেছেন মাঠের রাজনীতিতে।

দলীয় দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের সাহস জোগাতে সামনের সারিতে দেখা গেছে তাকে। বিশেষ করে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় ধারাবাহিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গ্রেফতার হন তিনি। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কারামুক্ত হয়ে ফেরেন রাজনীতির ময়দানে। দলীয় সূত্র বলছে, আন্দোলন-সংগ্রামে তার উপস্থিতি কর্মীদের জন্য ছিল প্রেরণার উৎস।

রাজপথের রাজনীতির পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি হিসেবেও রয়েছে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। তিনি সিলেট সিটি কর্পোরেশন–এর একাধিকবার নির্বাচিত কাউন্সিলর। প্যানেল মেয়র ও ক্রীড়া কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নগরীর অবকাঠামো উন্নয়ন ও ক্রীড়াঙ্গন বিকাশে ভূমিকা রাখেন। একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবেও তরুণদের কাছে তার আলাদা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সিলেট মহানগর শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।মহানগরের ৪২টি ওয়ার্ডে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে নিয়মিত তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে দলীয় প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ঘিরে নগর রাজনীতিতে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের একটি অংশ মনে করছেন, পরীক্ষিত রাজনীতিবিদ ও অভিজ্ঞ জনপ্রতিনিধি হিসেবে কয়েস লোদী হতে পারেন সম্ভাব্য প্রার্থী।

নিজের অবস্থান সম্পর্কে কয়েস লোদী বলেন, “রাজনীতি মানেই জনগণের সেবা। রাজপথ ও কারাগার আমার জীবনের অংশ। এখন আমাদের লক্ষ্য—সমৃদ্ধ ও আধুনিক সিলেট গড়া।”

সিলেট নগরীর ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা যতই ঘনীভূত হচ্ছে, ততই সামনে আসছে এই লড়াকু রাজনীতিকের নাম। তৃণমূলের আস্থা ও সংগঠনের অভিজ্ঞতা—দুই মিলিয়ে নগর রাজনীতিতে তিনি এখন গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়।