ঢাকা ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দকে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি ও এটিএম তুরাব বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড প্রদান নারীদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় মাসুদুর রহমান সুমন দানবাক্সে লাখো টাকার দান, স্বচ্ছতায় নতুন দৃষ্টান্ত ২০ কোটি টাকার টেন্ডার থেকে গোপনীয় পরীক্ষা কার্যক্রম—সিলেট শিক্ষা বোর্ডে একের পর এক অভিযোগ, তদন্তের দাবি ! সিলেটে চিকিৎসকের কিশোর ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার শতাব্দী রায়ের বাড়িতে বিদ্রোহীদের বৈঠক, পশ্চিমবঙ্গে তৃনমূলে ভাঙনের ইঙ্গিত !  বিএনপি নেতার ওপর হামলার ঘটনায় সিলেট মহানগর বিএনপির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ আবু তালহা চৌধুরী দ্বিতীয় বারের মত টাওয়ার হ‍্যামলেটস কাউন্সিলের কাউন্সিলার নির্বাচিত পাস কার্ড ইস্যুতে অনিয়ম ও গণবিজ্ঞপ্তি নিয়ে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সমালোচনা

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দকে

সিলেট অফিস
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৭:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দ আর নেই। বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগে রোববার (৯ আগস্ট) ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে নগরীর মাছুদিঘীরপাড়স্থ নিজ বাসভবনে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন, সহযোদ্ধা, শুভাকাঙ্ক্ষীসহ সিলেটের সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও আইনজীবী অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।

রোববার দুপুরে নগরীর চালিবন্দর শ্মশানঘাটে বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হয়। পরে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর চালিবন্দর শ্মশানঘাটে তাঁর শেষকৃত্য ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দ ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন গর্বিত সৈনিক। ১৯৭১ সালে দেশের স্বাধীনতার জন্য তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। স্বাধীনতার পরও তিনি দেশ ও সমাজের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। নিজ এলাকার মানুষের কাছে তিনি একজন শ্রদ্ধাভাজন ও সমাজসচেতন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রবীন্দ্র চন্দ সিলেট জেলা বারের আইনজীবী রতন চন্দের পিতা। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়ে, পুত্রবধূ, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, সহযোদ্ধা, বন্ধু-বান্ধব ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁর বাসভবনে ছুটে যান। পরে তাঁর মরদেহ চালিবন্দর শ্মশানঘাটে নেওয়া হলে সেখানে সর্বস্তরের মানুষ তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।

বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দের প্রয়াণে সিলেটের সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনসহ আইনজীবী সমাজে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘গার্ড অব অনার’ এবং শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের এই বীর সন্তানকে শেষ বিদায় জানানো হয়। দেশের স্বাধীনতার জন্য তাঁর অবদান ও আত্মত্যাগ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে সিলেটবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দকে

আপডেট সময় : ০৮:৪৭:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

সিলেটের বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দ আর নেই। বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগে রোববার (৯ আগস্ট) ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে নগরীর মাছুদিঘীরপাড়স্থ নিজ বাসভবনে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন, সহযোদ্ধা, শুভাকাঙ্ক্ষীসহ সিলেটের সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও আইনজীবী অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।

রোববার দুপুরে নগরীর চালিবন্দর শ্মশানঘাটে বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হয়। পরে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর চালিবন্দর শ্মশানঘাটে তাঁর শেষকৃত্য ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দ ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন গর্বিত সৈনিক। ১৯৭১ সালে দেশের স্বাধীনতার জন্য তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। স্বাধীনতার পরও তিনি দেশ ও সমাজের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। নিজ এলাকার মানুষের কাছে তিনি একজন শ্রদ্ধাভাজন ও সমাজসচেতন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রবীন্দ্র চন্দ সিলেট জেলা বারের আইনজীবী রতন চন্দের পিতা। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়ে, পুত্রবধূ, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, সহযোদ্ধা, বন্ধু-বান্ধব ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁর বাসভবনে ছুটে যান। পরে তাঁর মরদেহ চালিবন্দর শ্মশানঘাটে নেওয়া হলে সেখানে সর্বস্তরের মানুষ তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।

বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দের প্রয়াণে সিলেটের সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনসহ আইনজীবী সমাজে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘গার্ড অব অনার’ এবং শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের এই বীর সন্তানকে শেষ বিদায় জানানো হয়। দেশের স্বাধীনতার জন্য তাঁর অবদান ও আত্মত্যাগ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে সিলেটবাসী।