ঢাকা ০১:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ট্রিপল মার্ডার: সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে সরব ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বিএনপি নেতা নুরুল মোমিন চৌধুরী খোকন চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাচ্ছেন সিলেট ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেল অপ্সরা আলতাফ চৌধুরী রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দকে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি ও এটিএম তুরাব বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড প্রদান নারীদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় মাসুদুর রহমান সুমন দানবাক্সে লাখো টাকার দান, স্বচ্ছতায় নতুন দৃষ্টান্ত ২০ কোটি টাকার টেন্ডার থেকে গোপনীয় পরীক্ষা কার্যক্রম—সিলেট শিক্ষা বোর্ডে একের পর এক অভিযোগ, তদন্তের দাবি ! সিলেটে চিকিৎসকের কিশোর ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার শতাব্দী রায়ের বাড়িতে বিদ্রোহীদের বৈঠক, পশ্চিমবঙ্গে তৃনমূলে ভাঙনের ইঙ্গিত ! 

ট্রিপল মার্ডার: সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে সরব ইমদাদ হোসেন চৌধুরী

Ahmed Nahid
  • আপডেট সময় : ১১:৪৮:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে

সিলেট নগরের রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার বহুল আলোচিত ট্রিপল মার্ডার মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।

রোববার (২৪ আগস্ট) নিহত ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তারের মিতালী-১১১ আবাসিক এলাকার বাসায় গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। এ সময় তিনি মামলার তদন্ত ও অগ্রগতির বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলেন।

এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাদির খান, দপ্তর সম্পাদক তারেক আহমদ খান, কার্যনির্বাহী সদস্য আব্দুল মুমিন এবং সিলেট জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি রিয়াজ আহমদ।

পরিবারের পক্ষ থেকে নিহত আব্দুস সাত্তারের একমাত্র ছেলে আরিফ ইফতেখার মামলার তদন্তের বর্তমান অগ্রগতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে তাদের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন।

পরিবারের বক্তব্য শোনার পর ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, “ট্রিপল মার্ডার মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নগরবাসীর প্রত্যাশা। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।”

তিনি বলেন, তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজন হলে মামলার আসামিকে পুনরায় রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা এবং পরিবারের ও এলাকাবাসীর দাবিতে যেসব বিষয় বা ব্যক্তিকে সন্দেহের আওতায় এনে তদন্ত করা প্রয়োজন, সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত।

এ সময় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন। আলাপকালে তিনি ট্রিপল মার্ডার মামলার তদন্তে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি তদন্তের প্রয়োজনে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) পরিবর্তন করে আরও দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।

ইমদাদ হোসেন চৌধুরী আরও বলেন, এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, আবার কোনো প্রকৃত অপরাধীও যেন আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যেতে না পারে—তদন্তে বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, গত ১২ আগস্ট সিলেট নগরের রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসা থেকে ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার, তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম ও গৃহকর্মী তাহমিনার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাটি নগরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ বাবুল মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে আটক/গ্রেপ্তার করে এবং পরবর্তীতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি উদ্ধারের তথ্য প্রকাশিত হয়।

মামলাটির তদন্তে প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন সম্ভাব্য কারণ ও সংশ্লিষ্টতার বিষয় সামনে এসেছে। ফলে তদন্তের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল এবং প্রকৃত ঘটনার নেপথ্যে কারা জড়িত, তা নিয়ে এখনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তই চূড়ান্ত নির্ধারক।

নিহতদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে ইমদাদ হোসেন চৌধুরী তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং দ্রুত, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ট্রিপল মার্ডার: সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে সরব ইমদাদ হোসেন চৌধুরী

আপডেট সময় : ১১:৪৮:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

সিলেট নগরের রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার বহুল আলোচিত ট্রিপল মার্ডার মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।

রোববার (২৪ আগস্ট) নিহত ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তারের মিতালী-১১১ আবাসিক এলাকার বাসায় গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। এ সময় তিনি মামলার তদন্ত ও অগ্রগতির বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলেন।

এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাদির খান, দপ্তর সম্পাদক তারেক আহমদ খান, কার্যনির্বাহী সদস্য আব্দুল মুমিন এবং সিলেট জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি রিয়াজ আহমদ।

পরিবারের পক্ষ থেকে নিহত আব্দুস সাত্তারের একমাত্র ছেলে আরিফ ইফতেখার মামলার তদন্তের বর্তমান অগ্রগতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে তাদের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন।

পরিবারের বক্তব্য শোনার পর ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, “ট্রিপল মার্ডার মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নগরবাসীর প্রত্যাশা। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা জরুরি।”

তিনি বলেন, তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজন হলে মামলার আসামিকে পুনরায় রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা এবং পরিবারের ও এলাকাবাসীর দাবিতে যেসব বিষয় বা ব্যক্তিকে সন্দেহের আওতায় এনে তদন্ত করা প্রয়োজন, সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত।

এ সময় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন। আলাপকালে তিনি ট্রিপল মার্ডার মামলার তদন্তে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি তদন্তের প্রয়োজনে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) পরিবর্তন করে আরও দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।

ইমদাদ হোসেন চৌধুরী আরও বলেন, এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, আবার কোনো প্রকৃত অপরাধীও যেন আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যেতে না পারে—তদন্তে বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, গত ১২ আগস্ট সিলেট নগরের রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসা থেকে ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার, তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম ও গৃহকর্মী তাহমিনার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাটি নগরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ বাবুল মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে আটক/গ্রেপ্তার করে এবং পরবর্তীতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি উদ্ধারের তথ্য প্রকাশিত হয়।

মামলাটির তদন্তে প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন সম্ভাব্য কারণ ও সংশ্লিষ্টতার বিষয় সামনে এসেছে। ফলে তদন্তের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল এবং প্রকৃত ঘটনার নেপথ্যে কারা জড়িত, তা নিয়ে এখনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তই চূড়ান্ত নির্ধারক।

নিহতদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে ইমদাদ হোসেন চৌধুরী তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং দ্রুত, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।