ঢাকা ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ট্রিপল মার্ডার: সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে সরব ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বিএনপি নেতা নুরুল মোমিন চৌধুরী খোকন চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাচ্ছেন সিলেট ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেল অপ্সরা আলতাফ চৌধুরী রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দকে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি ও এটিএম তুরাব বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড প্রদান নারীদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় মাসুদুর রহমান সুমন দানবাক্সে লাখো টাকার দান, স্বচ্ছতায় নতুন দৃষ্টান্ত ২০ কোটি টাকার টেন্ডার থেকে গোপনীয় পরীক্ষা কার্যক্রম—সিলেট শিক্ষা বোর্ডে একের পর এক অভিযোগ, তদন্তের দাবি ! সিলেটে চিকিৎসকের কিশোর ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার শতাব্দী রায়ের বাড়িতে বিদ্রোহীদের বৈঠক, পশ্চিমবঙ্গে তৃনমূলে ভাঙনের ইঙ্গিত ! 

পুলিশের ঊর্ধ্বতন তিন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ১২:৩৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৪ ১৮৯ বার পড়া হয়েছে

পুলিশের ঊর্ধ্বতন তিন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উত্তর বিভাগের যুগ্ম কমিশনার রবিউল হোসেন ভূঁইয়া জানান, মামলা থাকায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতিসাপেক্ষে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (সুপারনিউমারারি উপ-কমিশনার হিসেবে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) শাহেন শাহ, জুয়েল রানা ও অতিরিক্ত উপ-কমিশনার রফিকুল ইসলাম।

রবিউল হোসেন আরও বলেন, গ্রেপ্তার প্রত্যেকেই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। বৃহস্পতিবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

২০১৩ সালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বাসার সামনে বালুর ট্রাক রেখে অবরুদ্ধ করার মামলায় বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। ছাত্র আন্দোলনে কাজের মেয়ে লিজাকে হত্যা মামলায় একইদিনে গ্রেপ্তার করা হয় এএসপি মো. জুয়েল রানাকে। তারা দুজন চার দিনের রিমান্ডে রয়েছেন।

এ ছাড়া অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহেন শাহকেও গ্রেপ্তার করেছে ডিবি। তবে তাকে কোন মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে সে সম্পর্কে জানা যায়নি।

এই তিন পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যে শাহেন শাহ দীর্ঘদিন ডিবিতে কর্মরত ছিলেন। জুয়েল রানা ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি বিভাগে এবং রফিকুল ইসলাম ডিএমপির গুলশান বিভাগে কর্মরত ছিলেন।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে গ্রেপ্তারের আদেশ দেয়। এরমেধ্য তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তালিকায় থাকা চতুর্থ কর্মকর্তা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসান আরাফাতকে এখনও গ্রেপ্তার করা হয়নি।

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর পুলিশ বিভিন্ন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। এরপর সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, এ কে এম শহীদুল হক, ডিএমপির সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াসহ একে একে বেশ কয়েকজন সাবেক ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পুলিশের ঊর্ধ্বতন তিন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি

আপডেট সময় : ১২:৩৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৪

পুলিশের ঊর্ধ্বতন তিন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উত্তর বিভাগের যুগ্ম কমিশনার রবিউল হোসেন ভূঁইয়া জানান, মামলা থাকায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতিসাপেক্ষে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (সুপারনিউমারারি উপ-কমিশনার হিসেবে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) শাহেন শাহ, জুয়েল রানা ও অতিরিক্ত উপ-কমিশনার রফিকুল ইসলাম।

রবিউল হোসেন আরও বলেন, গ্রেপ্তার প্রত্যেকেই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। বৃহস্পতিবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

২০১৩ সালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বাসার সামনে বালুর ট্রাক রেখে অবরুদ্ধ করার মামলায় বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। ছাত্র আন্দোলনে কাজের মেয়ে লিজাকে হত্যা মামলায় একইদিনে গ্রেপ্তার করা হয় এএসপি মো. জুয়েল রানাকে। তারা দুজন চার দিনের রিমান্ডে রয়েছেন।

এ ছাড়া অতিরিক্ত উপ-কমিশনার শাহেন শাহকেও গ্রেপ্তার করেছে ডিবি। তবে তাকে কোন মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে সে সম্পর্কে জানা যায়নি।

এই তিন পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যে শাহেন শাহ দীর্ঘদিন ডিবিতে কর্মরত ছিলেন। জুয়েল রানা ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি বিভাগে এবং রফিকুল ইসলাম ডিএমপির গুলশান বিভাগে কর্মরত ছিলেন।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে গ্রেপ্তারের আদেশ দেয়। এরমেধ্য তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তালিকায় থাকা চতুর্থ কর্মকর্তা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসান আরাফাতকে এখনও গ্রেপ্তার করা হয়নি।

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর পুলিশ বিভিন্ন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। এরপর সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, এ কে এম শহীদুল হক, ডিএমপির সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াসহ একে একে বেশ কয়েকজন সাবেক ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।