ঢাকা ০৯:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি নুরুল মোমিন খোকনের সুস্থতা কামনায় ১৮নং ওয়ার্ড বিএনপির দোয়া মাহফিল ট্রিপল মার্ডার: সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে সরব ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বিএনপি নেতা নুরুল মোমিন চৌধুরী খোকন চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাচ্ছেন সিলেট ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেল অপ্সরা আলতাফ চৌধুরী রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দকে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি ও এটিএম তুরাব বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড প্রদান নারীদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় মাসুদুর রহমান সুমন দানবাক্সে লাখো টাকার দান, স্বচ্ছতায় নতুন দৃষ্টান্ত ২০ কোটি টাকার টেন্ডার থেকে গোপনীয় পরীক্ষা কার্যক্রম—সিলেট শিক্ষা বোর্ডে একের পর এক অভিযোগ, তদন্তের দাবি ! সিলেটে চিকিৎসকের কিশোর ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

দুর্নীতি অভিযোগে বিচারিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকা তিন বিচারপতির পদত্যাগ

ডেস্ক রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ১২:২৯:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০২৪ ২২৮ বার পড়া হয়েছে

পাঁচ বৎসর যাবত বিচারিক কার্যক্রম বিরত থাকা হাইকোর্টের তিন বিচারপতি পদত্যাগ করেছেন। তারা হলেন বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি এ.কে.এম. জহিরুল হক।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) আইন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব (চলতি দায়িত্ব) শেখ আবু তাহেরের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি এ.কে.এম. জহিরুল হক সংবিধানের ৯৬(৪) অনুচ্ছেদ মতে, রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করেছেন। ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতি তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের এই তিন বিচারপতিকে প্রায় ৫ বছর ধরে বিচারকাজ থেকে বিরত রাখা হয়েছিল।

এর আগে ২০১৯ সালের ২২ আগস্ট প্রাথমিক অনুসন্ধানের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের তিন বিচারপতিকে বিচারকার্য থেকে অব্যাহতির সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। সেদিন সুপ্রিম কোর্টে নিজ কার্যালয়ে এসব তথ্য সাংবাদিকদের জানান সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের তৎকালীন বিশেষ কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান।

তিনি বলেছিলেন, হাইকোর্টের তিনজন বিচারপতির বিরুদ্ধে প্রাথমিক অনুসন্ধানের প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পরামর্শক্রমে তাদের বিচারকার্য থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্তের কথা অবহিত করা হয়।

একইসঙ্গে বিচারকার্য থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্তের পর ওই তিন বিচারপতি ছুটির প্রার্থনা করেছেন বলেও জানিয়েছিলেন সাইফুর রহমান। তবে তাদের ছুটি মঞ্জুর হয়েছে কিনা সে বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের এই তিন বিচারপতিকে তাদের দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখা হয়েছিল। এ কারণে কার্যতালিকায় তাদের নাম রাখা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দুর্নীতি অভিযোগে বিচারিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকা তিন বিচারপতির পদত্যাগ

আপডেট সময় : ১২:২৯:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০২৪

পাঁচ বৎসর যাবত বিচারিক কার্যক্রম বিরত থাকা হাইকোর্টের তিন বিচারপতি পদত্যাগ করেছেন। তারা হলেন বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি এ.কে.এম. জহিরুল হক।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) আইন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব (চলতি দায়িত্ব) শেখ আবু তাহেরের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি এ.কে.এম. জহিরুল হক সংবিধানের ৯৬(৪) অনুচ্ছেদ মতে, রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করেছেন। ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতি তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের এই তিন বিচারপতিকে প্রায় ৫ বছর ধরে বিচারকাজ থেকে বিরত রাখা হয়েছিল।

এর আগে ২০১৯ সালের ২২ আগস্ট প্রাথমিক অনুসন্ধানের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের তিন বিচারপতিকে বিচারকার্য থেকে অব্যাহতির সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। সেদিন সুপ্রিম কোর্টে নিজ কার্যালয়ে এসব তথ্য সাংবাদিকদের জানান সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের তৎকালীন বিশেষ কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান।

তিনি বলেছিলেন, হাইকোর্টের তিনজন বিচারপতির বিরুদ্ধে প্রাথমিক অনুসন্ধানের প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পরামর্শক্রমে তাদের বিচারকার্য থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্তের কথা অবহিত করা হয়।

একইসঙ্গে বিচারকার্য থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্তের পর ওই তিন বিচারপতি ছুটির প্রার্থনা করেছেন বলেও জানিয়েছিলেন সাইফুর রহমান। তবে তাদের ছুটি মঞ্জুর হয়েছে কিনা সে বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের এই তিন বিচারপতিকে তাদের দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখা হয়েছিল। এ কারণে কার্যতালিকায় তাদের নাম রাখা হয়নি।