ঢাকা ১০:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ট্রিপল মার্ডার: সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে সরব ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বিএনপি নেতা নুরুল মোমিন চৌধুরী খোকন চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাচ্ছেন সিলেট ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেল অপ্সরা আলতাফ চৌধুরী রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দকে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি ও এটিএম তুরাব বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড প্রদান নারীদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় মাসুদুর রহমান সুমন দানবাক্সে লাখো টাকার দান, স্বচ্ছতায় নতুন দৃষ্টান্ত ২০ কোটি টাকার টেন্ডার থেকে গোপনীয় পরীক্ষা কার্যক্রম—সিলেট শিক্ষা বোর্ডে একের পর এক অভিযোগ, তদন্তের দাবি ! সিলেটে চিকিৎসকের কিশোর ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার শতাব্দী রায়ের বাড়িতে বিদ্রোহীদের বৈঠক, পশ্চিমবঙ্গে তৃনমূলে ভাঙনের ইঙ্গিত ! 

কাফরুলে বাসার গাড়ির ড্রাইভার আটক; স্বর্ণালঙ্কার ও ছয় লক্ষাধিক টাকা উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৮:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৪ ২২৩ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর কাফরুলের একটি বাসায় চুরির ঘটনায় এজাহার নামীয় আসামি বাসার গাড়ির ড্রাইভার মোহাম্মদ রবিউলকে (৩০) দিনাজপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির কাফরুল থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রি.) রাত ০৪:০০ ঘটিকায় দিনাজপুর সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মোহাম্মদ রবিউলকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেয়া তথ্যমতে হিলি বন্দরের নিকট তার ভাড়া বাসায় ভোর ০৬:০০ ঘটিকায় অভিযান পরিচালনা করে চুরি যাওয়া নগদ ৬,৪৯,০০০ টাকা, স্বর্ণের ছয়টি চুরি, নয়টি আংটি, সাতটি চেইন, একটি ব্রেসলেট, এক জোড়া কানের রিং ও একটি নাকফুল উদ্ধার করা হয়।

কাফরুল থানা সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত রবিউল প্রায় সাত বছর যাবৎ বাদী মোঃ মজিবুর রহমান সিকদার এর গাড়ির ড্রাইভার হিসেবে কর্মরত ছিল। বাদী মজিবুর রহমান গত ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রি. বেলা আনুমানিক ০২:০০ ঘটিকায় পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশে নিজ গাড়িতে ড্রাইভার রবিউলকে নিয়ে বিমানবন্দরে যান। ড্রাইভার রবিউল বাদীকে নামিয়ে বিকাল ০৪:০০ ঘটিকায় বিমানবন্দর হতে রওনা করেন। বাদী মজিবুর রহমান তার গাড়ি ও বাসার চাবি মিরপুর ডিওএইচএস-এ বসবাসরত তার শ্যালিকার নিকট বুঝিয়ে দিতে বলেন। ড্রাইভার রবিউল সন্ধ্যা ০৬:৩০ ঘটিকায় বাদীর বাসার ও গাড়ির চাবি বাদীর শ্যালিকাকে বুঝিয়ে দেন। পরবর্তীতে বাদী পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রি. বেলা আনুমানিক ১১:৪৫ ঘটিকায় তার শ্যালিকার নিকট থেকে তার গাড়ির ও বাসার চাবি নিয়ে বাসায় ফিরে দেখেন বাসার জিনিসপত্র এলোমেলো এবং বাসার আলমারিতে রক্ষিত নগদ ১০ লক্ষ টাকা, ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার , পাঁচটি ডায়মন্ডের আংটি, বাসার সিসিটিভি ক্যামেরা ও অন্যান্য মালামালসহ মোট ২৭ লক্ষ টাকার মালামাল চুরি হয়েছে। এই ঘটনায় মোঃ মজিবুর রহমান সিকদার নিজে বাদী হয়ে কাফরুল থানায় ড্রাইভার রবিউলকে এজাহারনামীয় আসামি করে একটি চুরির মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্তকালে গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় এজাহারনামীয় আসামি রবিউলের অবস্থান সনাক্ত করা হয়। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রি.) রাত ০৪:০০ ঘটিকায় দিনাজপুর সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ড্রাইভার রবিউল গত ৪ সেপ্টেম্বর গাড়ি নিয়ে প্রথমে বাদীর বাসায় যায় এবং কৌশলে বাসায় রক্ষিত স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা চুরি করে।পরবর্তীতে সে বাসা ও গাড়ির চাবি বাদীর শ্যালিকাকে বুঝিয়ে দেয়। এ সংক্রান্তে ডিএমপির কাফরুল থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত রবিউল গত ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রি. রাত ০৯:২৮ হতে ০৯:৩৫ ঘটিকার মধ্যে বাদীর বাসার গ্যারেজে এসে সিসিটিভির ফুটেজ ধ্বংস করার চেষ্টা করে। বাদী সৌদি আরবে থাকা অবস্থায় গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রি. ড্রাইভার রবিউল মোবাইল ফোনে জানায় সে এক্সিডেন্ট করেছে এবং তার টাকা দরকার। বাদী টাকা দিতে না পারায় এরপর থেকে রবিউলের সাথে বাদীর আর কোন যোগাযোগ ছিল না। বাদী অনেক চেষ্টা করেও রবিউল এর সাথে কোন প্রকার যোগাযোগ করতে পারেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কাফরুলে বাসার গাড়ির ড্রাইভার আটক; স্বর্ণালঙ্কার ও ছয় লক্ষাধিক টাকা উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৭:৪৮:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৪

রাজধানীর কাফরুলের একটি বাসায় চুরির ঘটনায় এজাহার নামীয় আসামি বাসার গাড়ির ড্রাইভার মোহাম্মদ রবিউলকে (৩০) দিনাজপুর থেকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির কাফরুল থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রি.) রাত ০৪:০০ ঘটিকায় দিনাজপুর সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মোহাম্মদ রবিউলকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেয়া তথ্যমতে হিলি বন্দরের নিকট তার ভাড়া বাসায় ভোর ০৬:০০ ঘটিকায় অভিযান পরিচালনা করে চুরি যাওয়া নগদ ৬,৪৯,০০০ টাকা, স্বর্ণের ছয়টি চুরি, নয়টি আংটি, সাতটি চেইন, একটি ব্রেসলেট, এক জোড়া কানের রিং ও একটি নাকফুল উদ্ধার করা হয়।

কাফরুল থানা সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত রবিউল প্রায় সাত বছর যাবৎ বাদী মোঃ মজিবুর রহমান সিকদার এর গাড়ির ড্রাইভার হিসেবে কর্মরত ছিল। বাদী মজিবুর রহমান গত ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রি. বেলা আনুমানিক ০২:০০ ঘটিকায় পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশে নিজ গাড়িতে ড্রাইভার রবিউলকে নিয়ে বিমানবন্দরে যান। ড্রাইভার রবিউল বাদীকে নামিয়ে বিকাল ০৪:০০ ঘটিকায় বিমানবন্দর হতে রওনা করেন। বাদী মজিবুর রহমান তার গাড়ি ও বাসার চাবি মিরপুর ডিওএইচএস-এ বসবাসরত তার শ্যালিকার নিকট বুঝিয়ে দিতে বলেন। ড্রাইভার রবিউল সন্ধ্যা ০৬:৩০ ঘটিকায় বাদীর বাসার ও গাড়ির চাবি বাদীর শ্যালিকাকে বুঝিয়ে দেন। পরবর্তীতে বাদী পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রি. বেলা আনুমানিক ১১:৪৫ ঘটিকায় তার শ্যালিকার নিকট থেকে তার গাড়ির ও বাসার চাবি নিয়ে বাসায় ফিরে দেখেন বাসার জিনিসপত্র এলোমেলো এবং বাসার আলমারিতে রক্ষিত নগদ ১০ লক্ষ টাকা, ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার , পাঁচটি ডায়মন্ডের আংটি, বাসার সিসিটিভি ক্যামেরা ও অন্যান্য মালামালসহ মোট ২৭ লক্ষ টাকার মালামাল চুরি হয়েছে। এই ঘটনায় মোঃ মজিবুর রহমান সিকদার নিজে বাদী হয়ে কাফরুল থানায় ড্রাইভার রবিউলকে এজাহারনামীয় আসামি করে একটি চুরির মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্তকালে গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় এজাহারনামীয় আসামি রবিউলের অবস্থান সনাক্ত করা হয়। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর ২০২৪ খ্রি.) রাত ০৪:০০ ঘটিকায় দিনাজপুর সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ড্রাইভার রবিউল গত ৪ সেপ্টেম্বর গাড়ি নিয়ে প্রথমে বাদীর বাসায় যায় এবং কৌশলে বাসায় রক্ষিত স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা চুরি করে।পরবর্তীতে সে বাসা ও গাড়ির চাবি বাদীর শ্যালিকাকে বুঝিয়ে দেয়। এ সংক্রান্তে ডিএমপির কাফরুল থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত রবিউল গত ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রি. রাত ০৯:২৮ হতে ০৯:৩৫ ঘটিকার মধ্যে বাদীর বাসার গ্যারেজে এসে সিসিটিভির ফুটেজ ধ্বংস করার চেষ্টা করে। বাদী সৌদি আরবে থাকা অবস্থায় গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রি. ড্রাইভার রবিউল মোবাইল ফোনে জানায় সে এক্সিডেন্ট করেছে এবং তার টাকা দরকার। বাদী টাকা দিতে না পারায় এরপর থেকে রবিউলের সাথে বাদীর আর কোন যোগাযোগ ছিল না। বাদী অনেক চেষ্টা করেও রবিউল এর সাথে কোন প্রকার যোগাযোগ করতে পারেনি।