ঢাকা ০৫:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দকে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি ও এটিএম তুরাব বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড প্রদান নারীদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় মাসুদুর রহমান সুমন দানবাক্সে লাখো টাকার দান, স্বচ্ছতায় নতুন দৃষ্টান্ত ২০ কোটি টাকার টেন্ডার থেকে গোপনীয় পরীক্ষা কার্যক্রম—সিলেট শিক্ষা বোর্ডে একের পর এক অভিযোগ, তদন্তের দাবি ! সিলেটে চিকিৎসকের কিশোর ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার শতাব্দী রায়ের বাড়িতে বিদ্রোহীদের বৈঠক, পশ্চিমবঙ্গে তৃনমূলে ভাঙনের ইঙ্গিত !  বিএনপি নেতার ওপর হামলার ঘটনায় সিলেট মহানগর বিএনপির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ আবু তালহা চৌধুরী দ্বিতীয় বারের মত টাওয়ার হ‍্যামলেটস কাউন্সিলের কাউন্সিলার নির্বাচিত পাস কার্ড ইস্যুতে অনিয়ম ও গণবিজ্ঞপ্তি নিয়ে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সমালোচনা

একটি কর্মশালায় নিজের বদলে হাঁসের ছবি বসিয়ে হাস্যরস তৈরি করেন পিটার হাস

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ১২:০৭:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৩২৭ বার পড়া হয়েছে

নিজের নামের উচ্চারণের সঙ্গে যে এই পাখির নামের মিল রয়েছে তা অনুষ্ঠানে হাসিচ্ছলে তুলে ধরলেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত।

ভুল ও অপতথ্য নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে খোলামেলা কথা বললেন কর্মশালায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস। সেখানে নিজের জায়গায় হাঁসের ছবি বসিয়ে হাস্যরস তৈরি করেন তিনি।

তথ্য যাচাই নিয়ে তরুণ সাংবাদিকদের একটি কর্মশালায় যোগ দিয়ে নিজের জায়গায় হাঁসের ছবি বসিয়ে হাসির খোরাক জুগিয়েছেন ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস।

বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকার মহাখালীতে বিওয়াইএলসির প্রধান কার্যালয়ে ওই কর্মশালার সমাপনীতে যোগ দিয়ে ভুল ও অপতথ্যের বিষয়ে নিজের অভিজ্ঞতা বিনিময় করছিলেন তিনি।

বক্তৃতায় শেষ পর্যায়ে নিজের জীবনীতে পিটার হাসের জায়গায় স্যুট-টাই পরা হাঁসের ছবি দিলে কেমন হবে, তা স্ক্রিনে দেখান যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত। তখন মিলনায়তনে বেশ হাস্যরসের সৃষ্টি হয়।

এ সময় তিনি বলেন, যেহেতু আমরা কিছু মজা করতেই পারি… আপনি যদি একটি খবর দেখেন যে, যেটাতে বলা হচ্ছে- আমি আমার অফিসিয়াল জীবনীতে পোট্রেট পরিবর্তন করছি এবং এটা দেখতে এই রকম। এটা রাষ্ট্রদূত হাঁস নয়, এটা রাষ্ট্রদূত হাস।

নির্বাচনের আগে রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে হাঁসকে মিলিয়ে বিভিন্ন বক্তব্য দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

নিজের নামের উচ্চারণের সঙ্গে যে এই পাখির নামের মিল রয়েছে তা অনুষ্ঠানে হাসিচ্ছলে তুলে ধরলেন পিটার হাসও।

ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের আয়োজনে তিন দিনের টেকক্যাম্প কর্মশালায় ৫০ জন তরুণ সাংবাদিককে ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে লড়াই, তথ্য যাচাই এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সর্বোত্তম অনুশীলনগুলো শেখানো হয়।

গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টার (জিওয়াইএলসি) ইনকরপোরেটেডের সঙ্গে অংশীদারত্বে যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটের এডুকেশনাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো এ টেকক্যাম্পের আয়োজন করে।

কর্মশালার সমাপনী দিনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে নানা ভুয়া ও ভুল তথ্যের কারণে নিজের বিড়ম্বনায় পড়ার কথা অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন পিটার হাস।

ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের নামে অন্তত ১০টি ভুয়া ফেইসবুক পেইজ, নিজের নামে ভুয়া টুইটার অ্যাকাউন্ট এবং যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ভুয়া ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থাকার কথা তুলে ধরেন তিনি।

বিভিন্নজনের সঙ্গে বৈঠকের পর আলোচনা যে পত্রিকায় ঠিকভাবে আসে না বলেও অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেন পিটার হাস।

তিনি বলেন, এখানে আমি প্রায়শই দেখি, মানুষ আমার সঙ্গে বৈঠক করে যায় এবং আমি পরদিন পত্রিকায় দেখি, পিটার হাস এক্স-ওয়াই-জেড বলেছেন এবং আমি এমন কিছুই বলিনি।

কেউ আমাদের সঙ্গে ফ্যাক্ট চেক করে না এবং বলে না ‘আপনি কি সত্যি সত্যি এটা বলেছেন?’ অথবা ‘আপনি কী বলেছেন?’

ভুয়া ব্যক্তির নামে প্রকাশিত বাংলাদেশে নিবন্ধ ও খবর এবং যুক্তরাষ্ট্রের ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এটা খুবই ক্রিটিক্যাল। আমরা যুক্তরাষ্ট্রও এর থেকে বাইরে নই। মিথ্যা তথ্য ও অপতথ্যের ঘটনা প্রায় ঘটে থাকে।

গণমাধ্যম শিক্ষার ভবিষ্যৎ গঠনে ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে লড়াই এবং সৎ সাংবাদিকতা চালিয়ে যেতে তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার উপর জোর দেন পিটার হাস।

অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, একসঙ্গে আমরা শিক্ষা, অনলাইন নিরাপত্তা জোরদার ও গণতন্ত্রের জন্য প্রযুক্তির ব্যবহার করতে পারি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

একটি কর্মশালায় নিজের বদলে হাঁসের ছবি বসিয়ে হাস্যরস তৈরি করেন পিটার হাস

আপডেট সময় : ১২:০৭:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নিজের নামের উচ্চারণের সঙ্গে যে এই পাখির নামের মিল রয়েছে তা অনুষ্ঠানে হাসিচ্ছলে তুলে ধরলেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত।

ভুল ও অপতথ্য নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে খোলামেলা কথা বললেন কর্মশালায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস। সেখানে নিজের জায়গায় হাঁসের ছবি বসিয়ে হাস্যরস তৈরি করেন তিনি।

তথ্য যাচাই নিয়ে তরুণ সাংবাদিকদের একটি কর্মশালায় যোগ দিয়ে নিজের জায়গায় হাঁসের ছবি বসিয়ে হাসির খোরাক জুগিয়েছেন ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস।

বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকার মহাখালীতে বিওয়াইএলসির প্রধান কার্যালয়ে ওই কর্মশালার সমাপনীতে যোগ দিয়ে ভুল ও অপতথ্যের বিষয়ে নিজের অভিজ্ঞতা বিনিময় করছিলেন তিনি।

বক্তৃতায় শেষ পর্যায়ে নিজের জীবনীতে পিটার হাসের জায়গায় স্যুট-টাই পরা হাঁসের ছবি দিলে কেমন হবে, তা স্ক্রিনে দেখান যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত। তখন মিলনায়তনে বেশ হাস্যরসের সৃষ্টি হয়।

এ সময় তিনি বলেন, যেহেতু আমরা কিছু মজা করতেই পারি… আপনি যদি একটি খবর দেখেন যে, যেটাতে বলা হচ্ছে- আমি আমার অফিসিয়াল জীবনীতে পোট্রেট পরিবর্তন করছি এবং এটা দেখতে এই রকম। এটা রাষ্ট্রদূত হাঁস নয়, এটা রাষ্ট্রদূত হাস।

নির্বাচনের আগে রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে হাঁসকে মিলিয়ে বিভিন্ন বক্তব্য দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

নিজের নামের উচ্চারণের সঙ্গে যে এই পাখির নামের মিল রয়েছে তা অনুষ্ঠানে হাসিচ্ছলে তুলে ধরলেন পিটার হাসও।

ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের আয়োজনে তিন দিনের টেকক্যাম্প কর্মশালায় ৫০ জন তরুণ সাংবাদিককে ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে লড়াই, তথ্য যাচাই এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সর্বোত্তম অনুশীলনগুলো শেখানো হয়।

গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ সেন্টার (জিওয়াইএলসি) ইনকরপোরেটেডের সঙ্গে অংশীদারত্বে যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটের এডুকেশনাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো এ টেকক্যাম্পের আয়োজন করে।

কর্মশালার সমাপনী দিনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে নানা ভুয়া ও ভুল তথ্যের কারণে নিজের বিড়ম্বনায় পড়ার কথা অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন পিটার হাস।

ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের নামে অন্তত ১০টি ভুয়া ফেইসবুক পেইজ, নিজের নামে ভুয়া টুইটার অ্যাকাউন্ট এবং যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ভুয়া ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থাকার কথা তুলে ধরেন তিনি।

বিভিন্নজনের সঙ্গে বৈঠকের পর আলোচনা যে পত্রিকায় ঠিকভাবে আসে না বলেও অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেন পিটার হাস।

তিনি বলেন, এখানে আমি প্রায়শই দেখি, মানুষ আমার সঙ্গে বৈঠক করে যায় এবং আমি পরদিন পত্রিকায় দেখি, পিটার হাস এক্স-ওয়াই-জেড বলেছেন এবং আমি এমন কিছুই বলিনি।

কেউ আমাদের সঙ্গে ফ্যাক্ট চেক করে না এবং বলে না ‘আপনি কি সত্যি সত্যি এটা বলেছেন?’ অথবা ‘আপনি কী বলেছেন?’

ভুয়া ব্যক্তির নামে প্রকাশিত বাংলাদেশে নিবন্ধ ও খবর এবং যুক্তরাষ্ট্রের ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এটা খুবই ক্রিটিক্যাল। আমরা যুক্তরাষ্ট্রও এর থেকে বাইরে নই। মিথ্যা তথ্য ও অপতথ্যের ঘটনা প্রায় ঘটে থাকে।

গণমাধ্যম শিক্ষার ভবিষ্যৎ গঠনে ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে লড়াই এবং সৎ সাংবাদিকতা চালিয়ে যেতে তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার উপর জোর দেন পিটার হাস।

অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, একসঙ্গে আমরা শিক্ষা, অনলাইন নিরাপত্তা জোরদার ও গণতন্ত্রের জন্য প্রযুক্তির ব্যবহার করতে পারি।