চমকপ্রদ সিদ্ধান্তে দেশজুড়ে আলোড়ন
‘কম প্রোটোকল, বেশি কাজ’—নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাহসী বার্তা
- আপডেট সময় : ১২:৪৮:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে
দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই একের পর এক ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারি প্রোটোকলের জাঁকজমক কমিয়ে সাদামাটা ও কর্মমুখী প্রশাসনের বার্তা দিয়ে তিনি যেন নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির সূচনা করলেন।
প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—সরকারি বিলাসবহুল গাড়ি নয়, ব্যক্তিগত সাদা টয়োটা গাড়িতেই চলাচল করবেন। শুধু তাই নয়, নিজস্ব চালক ও ব্যক্তিগত অর্থে কেনা জ্বালানি ব্যবহার করবেন। এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই ‘প্রতীকী বার্তা’ হিসেবে দেখছেন—ক্ষমতা মানেই বাড়তি সুবিধা নয়।
আগে যেখানে সফরে ১৩-১৪টি গাড়ির দীর্ঘ বহর থাকত, সেটি কমিয়ে মাত্র ৪টিতে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। এতে যেমন সরকারি ব্যয় কমবে, তেমনি সাধারণ মানুষের যানজট ও দুর্ভোগও কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্ত্রিসভার বৈঠক অধিকাংশ সময় অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার বাংলাদেশ সচিবালয়-এ। এমনকি শনিবারও অফিস করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রশাসনে গতি ও জবাবদিহিতা বাড়াতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রীর চলাচলের সময় সড়কের দুই পাশে দীর্ঘক্ষণ পুলিশি অবস্থান না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে এবং অপ্রয়োজনীয় শক্তি প্রদর্শনের সংস্কৃতি বদলাবে—এমনটাই আশা করা হচ্ছে।
এখন থেকে কেবল রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান বা বিদেশি মেহমানদের সফরের সময় গাড়িতে জাতীয় পতাকা ব্যবহার করা হবে। অন্য সময় নয়। এটিও প্রোটোকল সংস্কারের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে তারেক রহমান স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন—“সরকার জনগণের জন্য, প্রোটোকলের জন্য নয়।” সাশ্রয়ী ব্যয়, কম প্রদর্শন, বেশি কাজ—এই তিন সূত্রেই তিনি প্রশাসন পরিচালনার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
দেশজুড়ে এখন প্রশ্ন—এই পরিবর্তনের ধারা কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে? তবে শুরুটা যে আলোড়ন তুলেছে, তা বলাই যায়।
























