ঢাকা ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দকে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি ও এটিএম তুরাব বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড প্রদান নারীদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় মাসুদুর রহমান সুমন দানবাক্সে লাখো টাকার দান, স্বচ্ছতায় নতুন দৃষ্টান্ত ২০ কোটি টাকার টেন্ডার থেকে গোপনীয় পরীক্ষা কার্যক্রম—সিলেট শিক্ষা বোর্ডে একের পর এক অভিযোগ, তদন্তের দাবি ! সিলেটে চিকিৎসকের কিশোর ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার শতাব্দী রায়ের বাড়িতে বিদ্রোহীদের বৈঠক, পশ্চিমবঙ্গে তৃনমূলে ভাঙনের ইঙ্গিত !  বিএনপি নেতার ওপর হামলার ঘটনায় সিলেট মহানগর বিএনপির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ আবু তালহা চৌধুরী দ্বিতীয় বারের মত টাওয়ার হ‍্যামলেটস কাউন্সিলের কাউন্সিলার নির্বাচিত পাস কার্ড ইস্যুতে অনিয়ম ও গণবিজ্ঞপ্তি নিয়ে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সমালোচনা

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জামায়াতের শ্রদ্ধা নিবেদন; উত্তেজনা এবং পুলিশি প্রহরায় স্থান ত্যাগ

ডেস্ক রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০২:১৯:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২৭৪ বার পড়া হয়েছে

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তার প্রথম শ্রদ্ধা নিবেদন হিসেবে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা ২২ মিনিটে তিনি শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এবং ১১ দলীয় জামায়াত জোটের শীর্ষ নেতারা।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ডা. শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করলে হঠাৎ একদল যুবক তাকে লক্ষ্য করে স্লোগান দিতে থাকেন। ‘রাজাকার, রাজাকার’, ‘একাত্তরের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘একাত্তরের রাজাকার এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়’—এমন স্লোগানে মুহূর্তেই পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সেখানে উপস্থিত জামায়াতের নেতা-কর্মীরাও স্লোগান দিতে শুরু করেন। তারা ‘ভাষা সৈনিক গোলাম আযম, লও লও লও সালাম’ স্লোগান দিলে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তেজনাকর রূপ নেয়।

উত্তেজনার সময় পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেনসহ জোটের সংসদ সদস্যরা। হট্টগোল শুরু হলে এনসিপির নেতারা দ্রুত আমিরের গাড়ির কাছে ফিরে আসেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত এগিয়ে আসেন এবং নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেন। পরে ডা. শফিকুর রহমান ও জোটের নেতারা শহীদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের এই ঘটনাকে ঘিরে স্লোগান-পাল্টা স্লোগান নতুন করে রাজনৈতিক মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জামায়াত আমিরের উপস্থিতি এবং তা ঘিরে উত্তেজনা—রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
রাতের সেই উত্তপ্ত মুহূর্ত এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জামায়াতের শ্রদ্ধা নিবেদন; উত্তেজনা এবং পুলিশি প্রহরায় স্থান ত্যাগ

আপডেট সময় : ০২:১৯:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তার প্রথম শ্রদ্ধা নিবেদন হিসেবে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা ২২ মিনিটে তিনি শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এবং ১১ দলীয় জামায়াত জোটের শীর্ষ নেতারা।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ডা. শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করলে হঠাৎ একদল যুবক তাকে লক্ষ্য করে স্লোগান দিতে থাকেন। ‘রাজাকার, রাজাকার’, ‘একাত্তরের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘একাত্তরের রাজাকার এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়’—এমন স্লোগানে মুহূর্তেই পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সেখানে উপস্থিত জামায়াতের নেতা-কর্মীরাও স্লোগান দিতে শুরু করেন। তারা ‘ভাষা সৈনিক গোলাম আযম, লও লও লও সালাম’ স্লোগান দিলে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তেজনাকর রূপ নেয়।

উত্তেজনার সময় পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেনসহ জোটের সংসদ সদস্যরা। হট্টগোল শুরু হলে এনসিপির নেতারা দ্রুত আমিরের গাড়ির কাছে ফিরে আসেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত এগিয়ে আসেন এবং নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেন। পরে ডা. শফিকুর রহমান ও জোটের নেতারা শহীদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের এই ঘটনাকে ঘিরে স্লোগান-পাল্টা স্লোগান নতুন করে রাজনৈতিক মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জামায়াত আমিরের উপস্থিতি এবং তা ঘিরে উত্তেজনা—রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
রাতের সেই উত্তপ্ত মুহূর্ত এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।