ঢাকা ১১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সিলেটে চিকিৎসকের কিশোর ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার শতাব্দী রায়ের বাড়িতে বিদ্রোহীদের বৈঠক, পশ্চিমবঙ্গে তৃনমূলে ভাঙনের ইঙ্গিত !  বিএনপি নেতার ওপর হামলার ঘটনায় সিলেট মহানগর বিএনপির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ আবু তালহা চৌধুরী দ্বিতীয় বারের মত টাওয়ার হ‍্যামলেটস কাউন্সিলের কাউন্সিলার নির্বাচিত পাস কার্ড ইস্যুতে অনিয়ম ও গণবিজ্ঞপ্তি নিয়ে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সমালোচনা সিলেটে ব্যাডমিন্টন তারকাদের সংবর্ধনা, সাফল্যের আড়ালে উঠে এলো অবহেলার গল্প ! আদর্শের ‘গায়েবি’ প্রত্যাবর্তন: ভোলবদলের নতুন বয়ানে সরগরম রাজনীতি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি: স্বাগত জানালো বাংলাদেশ সিলেটে শনিবার শুরু হচ্ছে আঞ্চলিক এসএমই পণ্য মেলা ও কৃষক বাজার “কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ!”—দিনাজপুরে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগ, গ্রেফতার

সখীপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধরের ঘটনায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা না নেয়ার অভিযোগ

টাঙাইল প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১২:১১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মার্চ ২০২৪ ৪১৮ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিদ্যালয়ে মেয়েকে গালিগালাজের বিচার চাইতে আসা প্রতিবেশী এক নারীকে মারধর করেছেন বহুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তা। চেয়ারম্যানের মারধরের ওই ভিডিও এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। আজ তিনদিন পেরিয়ে গেলেও তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্হা না নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

গত শনিবার বিকেলে সখীপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে তোলপাড় ও নিন্দার ঝড় বইছে।

এ ঘটনায় মারধরের শিকার জেসমিন আক্তার (৩৫) ইউপি চেয়ারম্যান নূরে আলম মুক্তা ও অপর প্রতিবেশী রুবেলের বিরুদ্ধে সখীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

এদিকে রোববার বিকেলে উপজেলার কালিদাস বাজারে চেয়ারম্যানের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছে এলাকাবাসী।

লিখিত অভিযোগ ও জেসমিনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জেসমিন আক্তার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন। একই এলাকায় বসবাস করেন উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তা। দুজনের মেয়েই স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। সম্প্রতি চেয়ারম্যানের মেয়ে ও জেসমিনের মেয়ের মধ্যে তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যানের স্ত্রী বিদ্যালয়ে গিয়ে জেসমিনের মেয়েকে গালিগালাজ করেন।

জেসমিন আক্তার বলেন, ‘আমার মেয়েকে হুমকি-ধামকি ও গালিগালাজের বিচার দিতে গেলে চেয়ারম্যান ও তার আরেক প্রতিবেশী রুবেল আমাকে বেধড়ক মারপিট করেছে। তারা এলোপাতারি কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে আমার শরীরে জখম করেছে।’

ইউপি চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তা বলেন, ওই মহিলা পরিকল্পিতভাবে আরেক মহিলাকে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিল। সে বাচ্চাদের স্কুলের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে আমার বাসার গেটে লাথি মেরে নোংরা ভাষায় গালিগালাজ করেছে। পরে এক প্রতিবেশী প্রতিবাদ করলে ওই মহিলা প্রথমে প্রতিবেশীর গায়ে হাত তুলেছে। আমাকে ফাঁসাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি কেটে আংশিক প্রকাশ করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বললেও কখন ব্যবস্হা নেয়া হবে এ ব্যাপারে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সখীপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধরের ঘটনায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা না নেয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:১১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মার্চ ২০২৪

টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিদ্যালয়ে মেয়েকে গালিগালাজের বিচার চাইতে আসা প্রতিবেশী এক নারীকে মারধর করেছেন বহুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তা। চেয়ারম্যানের মারধরের ওই ভিডিও এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। আজ তিনদিন পেরিয়ে গেলেও তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্হা না নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

গত শনিবার বিকেলে সখীপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে তোলপাড় ও নিন্দার ঝড় বইছে।

এ ঘটনায় মারধরের শিকার জেসমিন আক্তার (৩৫) ইউপি চেয়ারম্যান নূরে আলম মুক্তা ও অপর প্রতিবেশী রুবেলের বিরুদ্ধে সখীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

এদিকে রোববার বিকেলে উপজেলার কালিদাস বাজারে চেয়ারম্যানের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছে এলাকাবাসী।

লিখিত অভিযোগ ও জেসমিনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জেসমিন আক্তার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন। একই এলাকায় বসবাস করেন উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তা। দুজনের মেয়েই স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। সম্প্রতি চেয়ারম্যানের মেয়ে ও জেসমিনের মেয়ের মধ্যে তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যানের স্ত্রী বিদ্যালয়ে গিয়ে জেসমিনের মেয়েকে গালিগালাজ করেন।

জেসমিন আক্তার বলেন, ‘আমার মেয়েকে হুমকি-ধামকি ও গালিগালাজের বিচার দিতে গেলে চেয়ারম্যান ও তার আরেক প্রতিবেশী রুবেল আমাকে বেধড়ক মারপিট করেছে। তারা এলোপাতারি কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে আমার শরীরে জখম করেছে।’

ইউপি চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তা বলেন, ওই মহিলা পরিকল্পিতভাবে আরেক মহিলাকে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিল। সে বাচ্চাদের স্কুলের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে আমার বাসার গেটে লাথি মেরে নোংরা ভাষায় গালিগালাজ করেছে। পরে এক প্রতিবেশী প্রতিবাদ করলে ওই মহিলা প্রথমে প্রতিবেশীর গায়ে হাত তুলেছে। আমাকে ফাঁসাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি কেটে আংশিক প্রকাশ করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বললেও কখন ব্যবস্হা নেয়া হবে এ ব্যাপারে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।