ঢাকা ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নারীদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় মাসুদুর রহমান সুমন দানবাক্সে লাখো টাকার দান, স্বচ্ছতায় নতুন দৃষ্টান্ত ২০ কোটি টাকার টেন্ডার থেকে গোপনীয় পরীক্ষা কার্যক্রম—সিলেট শিক্ষা বোর্ডে একের পর এক অভিযোগ, তদন্তের দাবি ! সিলেটে চিকিৎসকের কিশোর ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার শতাব্দী রায়ের বাড়িতে বিদ্রোহীদের বৈঠক, পশ্চিমবঙ্গে তৃনমূলে ভাঙনের ইঙ্গিত !  বিএনপি নেতার ওপর হামলার ঘটনায় সিলেট মহানগর বিএনপির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ আবু তালহা চৌধুরী দ্বিতীয় বারের মত টাওয়ার হ‍্যামলেটস কাউন্সিলের কাউন্সিলার নির্বাচিত পাস কার্ড ইস্যুতে অনিয়ম ও গণবিজ্ঞপ্তি নিয়ে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সমালোচনা সিলেটে ব্যাডমিন্টন তারকাদের সংবর্ধনা, সাফল্যের আড়ালে উঠে এলো অবহেলার গল্প ! আদর্শের ‘গায়েবি’ প্রত্যাবর্তন: ভোলবদলের নতুন বয়ানে সরগরম রাজনীতি

চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের কবল থেকে রক্ষার দাবি এলাকাবাসীর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৯:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫ ২৯৩ বার পড়া হয়েছে

 

চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে নিরীহ জনসাধারণকে হয়রানি করছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র—এমন অভিযোগ তুলেছেন সিলেটের দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার থানাধীন দাউদপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মোঃ খালিক আহমদ (৬৫)।

এ বিষয়ে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে শনিবার (২১ জুন) সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের ড. রাগীব আলী মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার থানাধীন দাউদপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. খালিক আহমদ (৬৫) বলেন, আমি একজন নিরীহ কৃষক ও সমাজের শান্তিপ্রিয় মানুষ। আমাদের গ্রামের বাসিন্দা এখলাছ উদ্দিন (৫০), তাজ উদ্দিন (৪৮), কামরান উদ্দিন (২২), ফারহান উদ্দিন (২০), পারভীন বেগম (৪২) এবং তাদের আরও ৬-৭ জন সহযোগী দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের মাধ্যমে এলাকা দখল করে রেখেছে। তারা দেশে-বিদেশে অবস্থান করেও ভাড়াটে সন্ত্রাসী ব্যবহার করে এলাকাবাসীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে হয়রানি করে আসছে। এমনকি স্থানীয়ভাবে সালিশি বা সামাজিক সমাধানের পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে তাদের প্রভাবের কারণে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, তার ছেলে শাহেদ আহমদ ও যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ফয়ছল ও ফলিক আহমদের সম্পত্তি দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা মোক্তার হোসেনকে উদ্দেশ্য করে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়। এমনকি শাহেদ আহমদকে মারধর করে পুলিশের সহায়তায় জেলে পাঠানোর অভিযোগও উঠেছে মোগলাবাজার থানার ওসির বিরুদ্ধে।তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, বিবাদীদের ভয়ে এলাকার সাধারণ মানুষ সাক্ষ্য দিতে ভয় পাচ্ছে, ফলে গোপনীয় তদন্ত ছাড়া প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে না।

এ বিষয়ে এলাকাবাসীর একটি অংশও ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছে, চক্রটির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে আরও নিরীহ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এখন এলাকাবাসীর একমাত্র দাবি—চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের দমন করে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের কবল থেকে রক্ষার দাবি এলাকাবাসীর

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫

 

চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে নিরীহ জনসাধারণকে হয়রানি করছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র—এমন অভিযোগ তুলেছেন সিলেটের দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার থানাধীন দাউদপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মোঃ খালিক আহমদ (৬৫)।

এ বিষয়ে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে শনিবার (২১ জুন) সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের ড. রাগীব আলী মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার থানাধীন দাউদপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. খালিক আহমদ (৬৫) বলেন, আমি একজন নিরীহ কৃষক ও সমাজের শান্তিপ্রিয় মানুষ। আমাদের গ্রামের বাসিন্দা এখলাছ উদ্দিন (৫০), তাজ উদ্দিন (৪৮), কামরান উদ্দিন (২২), ফারহান উদ্দিন (২০), পারভীন বেগম (৪২) এবং তাদের আরও ৬-৭ জন সহযোগী দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের মাধ্যমে এলাকা দখল করে রেখেছে। তারা দেশে-বিদেশে অবস্থান করেও ভাড়াটে সন্ত্রাসী ব্যবহার করে এলাকাবাসীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে হয়রানি করে আসছে। এমনকি স্থানীয়ভাবে সালিশি বা সামাজিক সমাধানের পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে তাদের প্রভাবের কারণে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, তার ছেলে শাহেদ আহমদ ও যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ফয়ছল ও ফলিক আহমদের সম্পত্তি দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা মোক্তার হোসেনকে উদ্দেশ্য করে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়। এমনকি শাহেদ আহমদকে মারধর করে পুলিশের সহায়তায় জেলে পাঠানোর অভিযোগও উঠেছে মোগলাবাজার থানার ওসির বিরুদ্ধে।তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, বিবাদীদের ভয়ে এলাকার সাধারণ মানুষ সাক্ষ্য দিতে ভয় পাচ্ছে, ফলে গোপনীয় তদন্ত ছাড়া প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে না।

এ বিষয়ে এলাকাবাসীর একটি অংশও ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছে, চক্রটির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে আরও নিরীহ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এখন এলাকাবাসীর একমাত্র দাবি—চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের দমন করে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।