ঢাকা ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ট্রিপল মার্ডার: সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে সরব ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বিএনপি নেতা নুরুল মোমিন চৌধুরী খোকন চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাচ্ছেন সিলেট ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেল অপ্সরা আলতাফ চৌধুরী রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দকে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি ও এটিএম তুরাব বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড প্রদান নারীদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় মাসুদুর রহমান সুমন দানবাক্সে লাখো টাকার দান, স্বচ্ছতায় নতুন দৃষ্টান্ত ২০ কোটি টাকার টেন্ডার থেকে গোপনীয় পরীক্ষা কার্যক্রম—সিলেট শিক্ষা বোর্ডে একের পর এক অভিযোগ, তদন্তের দাবি ! সিলেটে চিকিৎসকের কিশোর ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার শতাব্দী রায়ের বাড়িতে বিদ্রোহীদের বৈঠক, পশ্চিমবঙ্গে তৃনমূলে ভাঙনের ইঙ্গিত ! 

‘আইনি জট কাটলেই খুলবে’—মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর আশ্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ১১:৪২:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬ ৩৪১ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের পাথর কোয়ারি পুনরায় চালু করার বিষয়ে সময় চাইলেন মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেছেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে সৃষ্ট কিছু আইনি জটিলতার কারণে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না; তবে জটিলতা কাটাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।

সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী বলেন, “তাৎক্ষণিকভাবে কিছু হবে না। আমাকে একটু সময় দিন। ইনশাআল্লাহ্ কুয়ারি খুলে দিতে পারব। আগের সরকার কিছু আইনি জট রেখে গেছে—সেগুলো সমাধানে কাজ করছি। ধৈর্য ধরে আস্থা রাখুন।”

সিলেট অঞ্চলের পাথর কোয়ারিগুলো দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ বা সীমিত কার্যক্রমে থাকায় শ্রমিক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, ট্রাক-শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট সাপ্লাই চেইনে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। স্থানীয় অর্থনীতিতে নগদ প্রবাহ কমে যাওয়া, কর্মসংস্থান সংকুচিত হওয়া এবং বাজারে অনিশ্চয়তা—এসবই এখন বাস্তবতা বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

সরকারি সূত্রগুলো বলছে, পরিবেশগত ছাড়পত্র, আদালতের নির্দেশনা, ভূমি ও খনিজ সম্পদ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিধি—এসব বিষয়ে একাধিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় দ্রুত সিদ্ধান্তে যাওয়া যাচ্ছে না। মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় চলছে বলে জানা গেছে।

কোয়ারি সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর দাবি, দীর্ঘসূত্রতা চলতে থাকলে আর্থিক সংকট আরও তীব্র হবে। তারা নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা ও ধাপে ধাপে কার্যক্রম চালুর রোডম্যাপ চেয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একদিকে পরিবেশ সুরক্ষা ও আইনানুগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা জরুরি; অন্যদিকে স্থানীয় অর্থনীতি সচল রাখার জন্য টেকসই ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা কাঠামো প্রয়োজন। স্বল্পমেয়াদি সমাধানের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি নীতিমালা প্রণয়নই স্থায়ী সমাধান দিতে পারে।

মন্ত্রী সময় চেয়েছেন এবং আশ্বাস দিয়েছেন—আইনি জট কাটলেই কোয়ারি খুলে দেওয়া হবে। এখন নজর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর অগ্রগতি ও সম্ভাব্য সময়সূচির দিকে।

সিলেটের হাজারো শ্রমিক-ব্যবসায়ীর প্রশ্ন একটাই—কবে মিলবে কাজের চাকা ঘোরার সবুজ সংকেত?

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

‘আইনি জট কাটলেই খুলবে’—মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর আশ্বাস

আপডেট সময় : ১১:৪২:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

সিলেটের পাথর কোয়ারি পুনরায় চালু করার বিষয়ে সময় চাইলেন মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেছেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে সৃষ্ট কিছু আইনি জটিলতার কারণে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না; তবে জটিলতা কাটাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।

সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী বলেন, “তাৎক্ষণিকভাবে কিছু হবে না। আমাকে একটু সময় দিন। ইনশাআল্লাহ্ কুয়ারি খুলে দিতে পারব। আগের সরকার কিছু আইনি জট রেখে গেছে—সেগুলো সমাধানে কাজ করছি। ধৈর্য ধরে আস্থা রাখুন।”

সিলেট অঞ্চলের পাথর কোয়ারিগুলো দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ বা সীমিত কার্যক্রমে থাকায় শ্রমিক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, ট্রাক-শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট সাপ্লাই চেইনে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। স্থানীয় অর্থনীতিতে নগদ প্রবাহ কমে যাওয়া, কর্মসংস্থান সংকুচিত হওয়া এবং বাজারে অনিশ্চয়তা—এসবই এখন বাস্তবতা বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

সরকারি সূত্রগুলো বলছে, পরিবেশগত ছাড়পত্র, আদালতের নির্দেশনা, ভূমি ও খনিজ সম্পদ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিধি—এসব বিষয়ে একাধিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় দ্রুত সিদ্ধান্তে যাওয়া যাচ্ছে না। মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় চলছে বলে জানা গেছে।

কোয়ারি সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর দাবি, দীর্ঘসূত্রতা চলতে থাকলে আর্থিক সংকট আরও তীব্র হবে। তারা নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা ও ধাপে ধাপে কার্যক্রম চালুর রোডম্যাপ চেয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একদিকে পরিবেশ সুরক্ষা ও আইনানুগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা জরুরি; অন্যদিকে স্থানীয় অর্থনীতি সচল রাখার জন্য টেকসই ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা কাঠামো প্রয়োজন। স্বল্পমেয়াদি সমাধানের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি নীতিমালা প্রণয়নই স্থায়ী সমাধান দিতে পারে।

মন্ত্রী সময় চেয়েছেন এবং আশ্বাস দিয়েছেন—আইনি জট কাটলেই কোয়ারি খুলে দেওয়া হবে। এখন নজর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর অগ্রগতি ও সম্ভাব্য সময়সূচির দিকে।

সিলেটের হাজারো শ্রমিক-ব্যবসায়ীর প্রশ্ন একটাই—কবে মিলবে কাজের চাকা ঘোরার সবুজ সংকেত?