ঈশ্বরদীতে রাতের আঁধারে নৃশংসতা: দাদি-নাতনির মরদেহ উদ্ধার, ধর্ষণের আশঙ্কায় তোলপাড় !
- আপডেট সময় : ০৩:২৬:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪১ বার পড়া হয়েছে
ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর উত্তরপাড়ায় একই রাতে দাদি ও নাতনির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পুরো এলাকা স্তব্ধ।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এই নৃশংসতায় শোক ও ক্ষোভে ফুঁসছে স্থানীয়রা।
নিহতরা হলেন— ভবানীপুর উত্তরপাড়ার জয়নাল খাঁর মা সুফিয়া খাতুন (৬৫) এবং তার নাতনি জামিলা আক্তার (১৫)।
স্থানীয় সূত্র জানায়, জামিলার মায়ের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পর সে বাবা ও দাদির সঙ্গেই বসবাস করছিল। সম্প্রতি জামিলার বাবা বড় মেয়ের শ্বশুরবাড়ি ঢাকায় বেড়াতে যান।
প্রতিবেশীরা জানান, শুক্রবার গভীর রাতে বৃদ্ধার বাড়ি থেকে হঠাৎ কান্নাকাটির শব্দ শোনা যায়। কিছুক্ষণ পর শব্দ থেমে গেলে তারা ঘরে ফিরে যান।
শনিবার সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এ সময় জামিলাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ির পাশের সরিষাক্ষেত থেকে তার বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
খবর পেয়ে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পাঠানো হয়েছে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান বলেন, “লাশ বিবস্ত্র অবস্থায় পাওয়া গেছে। ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে কি না, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।”
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
একই পরিবারের দুই সদস্যের এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডে ভবানীপুর উত্তরপাড়ায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।














