ঢাকা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দকে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি ও এটিএম তুরাব বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড প্রদান নারীদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় মাসুদুর রহমান সুমন দানবাক্সে লাখো টাকার দান, স্বচ্ছতায় নতুন দৃষ্টান্ত ২০ কোটি টাকার টেন্ডার থেকে গোপনীয় পরীক্ষা কার্যক্রম—সিলেট শিক্ষা বোর্ডে একের পর এক অভিযোগ, তদন্তের দাবি ! সিলেটে চিকিৎসকের কিশোর ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার শতাব্দী রায়ের বাড়িতে বিদ্রোহীদের বৈঠক, পশ্চিমবঙ্গে তৃনমূলে ভাঙনের ইঙ্গিত !  বিএনপি নেতার ওপর হামলার ঘটনায় সিলেট মহানগর বিএনপির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ আবু তালহা চৌধুরী দ্বিতীয় বারের মত টাওয়ার হ‍্যামলেটস কাউন্সিলের কাউন্সিলার নির্বাচিত পাস কার্ড ইস্যুতে অনিয়ম ও গণবিজ্ঞপ্তি নিয়ে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সমালোচনা

রাব্বানী–সাদিকের পুরনো টেক্সট ভাইরাল, সামাজিক মাধ্যমে তুমুল আলোচনা

ডেস্ক রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৪:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬ ১৩২ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা, ২৫ মার্চ:

নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী এবং ডাকসুর বর্তমান ভিপি সাদিক কায়েমকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েক বছর আগের ব্যক্তিগত টেক্সট বার্তার একটি স্ক্রিনশট ভাইরাল হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

ভাইরাল হওয়া ওই স্ক্রিনশটে দেখা যায়, ২০২৮ সালের ১ আগস্ট গোলাম রাব্বানীকে ‘আসসালামু আলাইকুম, ভাই’ লিখে প্রথম বার্তা পাঠান সাদিক কায়েম। পরবর্তীতে ৩ আগস্ট রাতে আবারও সালাম দিয়ে নিজেকে ‘ভার্সিটির ভোট ভাই’ হিসেবে পরিচয় দেন তিনি। একই মাসের ৩১ আগস্ট আরও একবার বার্তা পাঠিয়ে নিজেকে হলের ছোট ভাই হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে এসব বার্তার কোনো জবাব দেননি গোলাম রাব্বানী।

ঘটনাটি সামনে আসার পর এক ফেসবুক পোস্টের মন্তব্যে গোলাম রাব্বানী নিজেই স্ক্রিনশটটি শেয়ার করেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, যেহেতু সাদিক কায়েম তাকে বিশ্ববিদ্যালয় ও হলের ছোট ভাই হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন, তাই ফান্ডে রেখে আসা তিন লাখ টাকাও খরচ করে নিতে পারেন এবং এ বিষয়ে তার আর কোনো দাবি নেই। তার এই মন্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

এদিকে স্ক্রিনশটটি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেন জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবদুল কাদের। পোস্টে তিনি ঘটনাটিকে একটি শিক্ষা হিসেবে উল্লেখ করে লেখেন, জীবনে কাউকে অবহেলা করা উচিত নয়। তার ভাষায়, একসময় যিনি গুরুত্ব পাননি, তিনি আজ জননন্দিত ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিত, আর যিনি উপেক্ষা করেছিলেন, তিনি এখন সমালোচনার মুখে।

আব্দুল কাদের আরও বলেন, যারা অন্যের কাছ থেকে গুরুত্ব না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েন, তাদের জন্য এই ঘটনা একটি অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত হতে পারে। তিনি সবাইকে মানুষকে মূল্য দেওয়ার আহ্বান জানান।

ভাইরাল এই স্ক্রিনশট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মহলে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। কেউ এটিকে সময়ের পালাবদলের উদাহরণ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ ব্যক্তিগত বার্তা প্রকাশের বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন। তবে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাব্বানী–সাদিকের পুরনো টেক্সট ভাইরাল, সামাজিক মাধ্যমে তুমুল আলোচনা

আপডেট সময় : ০৫:৫৪:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

ঢাকা, ২৫ মার্চ:

নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী এবং ডাকসুর বর্তমান ভিপি সাদিক কায়েমকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েক বছর আগের ব্যক্তিগত টেক্সট বার্তার একটি স্ক্রিনশট ভাইরাল হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

ভাইরাল হওয়া ওই স্ক্রিনশটে দেখা যায়, ২০২৮ সালের ১ আগস্ট গোলাম রাব্বানীকে ‘আসসালামু আলাইকুম, ভাই’ লিখে প্রথম বার্তা পাঠান সাদিক কায়েম। পরবর্তীতে ৩ আগস্ট রাতে আবারও সালাম দিয়ে নিজেকে ‘ভার্সিটির ভোট ভাই’ হিসেবে পরিচয় দেন তিনি। একই মাসের ৩১ আগস্ট আরও একবার বার্তা পাঠিয়ে নিজেকে হলের ছোট ভাই হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে এসব বার্তার কোনো জবাব দেননি গোলাম রাব্বানী।

ঘটনাটি সামনে আসার পর এক ফেসবুক পোস্টের মন্তব্যে গোলাম রাব্বানী নিজেই স্ক্রিনশটটি শেয়ার করেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, যেহেতু সাদিক কায়েম তাকে বিশ্ববিদ্যালয় ও হলের ছোট ভাই হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন, তাই ফান্ডে রেখে আসা তিন লাখ টাকাও খরচ করে নিতে পারেন এবং এ বিষয়ে তার আর কোনো দাবি নেই। তার এই মন্তব্য নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

এদিকে স্ক্রিনশটটি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেন জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবদুল কাদের। পোস্টে তিনি ঘটনাটিকে একটি শিক্ষা হিসেবে উল্লেখ করে লেখেন, জীবনে কাউকে অবহেলা করা উচিত নয়। তার ভাষায়, একসময় যিনি গুরুত্ব পাননি, তিনি আজ জননন্দিত ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিত, আর যিনি উপেক্ষা করেছিলেন, তিনি এখন সমালোচনার মুখে।

আব্দুল কাদের আরও বলেন, যারা অন্যের কাছ থেকে গুরুত্ব না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েন, তাদের জন্য এই ঘটনা একটি অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত হতে পারে। তিনি সবাইকে মানুষকে মূল্য দেওয়ার আহ্বান জানান।

ভাইরাল এই স্ক্রিনশট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মহলে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। কেউ এটিকে সময়ের পালাবদলের উদাহরণ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ ব্যক্তিগত বার্তা প্রকাশের বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন। তবে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি।