ঢাকা ০৮:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি নুরুল মোমিন খোকনের সুস্থতা কামনায় ১৮নং ওয়ার্ড বিএনপির দোয়া মাহফিল ট্রিপল মার্ডার: সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে সরব ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বিএনপি নেতা নুরুল মোমিন চৌধুরী খোকন চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাচ্ছেন সিলেট ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেল অপ্সরা আলতাফ চৌধুরী রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দকে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি ও এটিএম তুরাব বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড প্রদান নারীদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় মাসুদুর রহমান সুমন দানবাক্সে লাখো টাকার দান, স্বচ্ছতায় নতুন দৃষ্টান্ত ২০ কোটি টাকার টেন্ডার থেকে গোপনীয় পরীক্ষা কার্যক্রম—সিলেট শিক্ষা বোর্ডে একের পর এক অভিযোগ, তদন্তের দাবি ! সিলেটে চিকিৎসকের কিশোর ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ময়মনসিংহে সৎ ছেলের কোমরের বেল্টের আঘাতে বাবার মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪ ২৯৪ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহে সৎ ছেলের কোমরের বেল্টের আঘাতে জুলকাস উদ্দিন (৫২) নামে ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে ছেলে ফয়সাল আহমেদ (২৫) পলাতক রয়েছে।

শনিবার (৩০ মার্চ) সকাল ১০ টার দিকে নগরীর ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কালিবাড়ি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত জুলকাস নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া নেয়ামত মন্ডলের বাড়ির ফয়জুদ্দিনের ছেলে। জুলকাস দ্বিতীয় বিয়ে করার পর থেকে কালিবাড়িতে বসবাস করতেন।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন জানান, নিহত জুলকাস দুই বিয়ে করেছেন। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর সে দুই ছেলেসহ (সৎ) ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের খোরশেদা বেগমকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে সে খোরশেদা খাতুনের বাড়িতে বসবাস করতেন। খোরশেদা খাতুনের ঘরে জুলকাসের ঔরসজাত কোনো সন্তান ছিল না। প্রথম স্ত্রীর ঘরে ৪ মেয়ে আছে। তারা ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া নেয়ামত মন্ডলের বাড়িতে বসবাস করেন। নিহত জুলকাস ওয়েল্ডিং’র দোকানে মিস্ত্রী হিসাবে কাজ করতেন। সেখান থেকে জুলকাস ৭০ হাজার টাকা পান।

ঘটনার দিন সকালে খোরশেদা বেগমের ছোট ছেলে মায়ের কাছে ওই ৭০ হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে মারধর করার হুমকি দেয়। তখন জুলকাস ঘর থেকে বের হয়ে বলে তোর মাকে না মেরে পারলে আমাকে মার। তখন ফয়সাল কোমরের বেল্ট দিয়ে মাথায় আঘাত করে। আঘাত কানের উপরে লাগে। এরপর জুলকাস হেঁটে কয়েকগজ যেতেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ফয়সাল পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

কোতোয়ালী মডেল উপ-পরিদর্শক ওয়াসিম কুমার বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বাবা ছেলে দু’জনই মাদকাসক্ত ছিল। ছেলে ফয়সালের নামে আগের আরও দুটি মামলা রয়েছে।

এদিকে ওসি মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন বলেন, ঘটনার পর থেকে ছেলে ফয়সাল পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ময়মনসিংহে সৎ ছেলের কোমরের বেল্টের আঘাতে বাবার মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৯:৪৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪

ময়মনসিংহে সৎ ছেলের কোমরের বেল্টের আঘাতে জুলকাস উদ্দিন (৫২) নামে ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে ছেলে ফয়সাল আহমেদ (২৫) পলাতক রয়েছে।

শনিবার (৩০ মার্চ) সকাল ১০ টার দিকে নগরীর ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কালিবাড়ি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত জুলকাস নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া নেয়ামত মন্ডলের বাড়ির ফয়জুদ্দিনের ছেলে। জুলকাস দ্বিতীয় বিয়ে করার পর থেকে কালিবাড়িতে বসবাস করতেন।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন জানান, নিহত জুলকাস দুই বিয়ে করেছেন। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর সে দুই ছেলেসহ (সৎ) ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের খোরশেদা বেগমকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে সে খোরশেদা খাতুনের বাড়িতে বসবাস করতেন। খোরশেদা খাতুনের ঘরে জুলকাসের ঔরসজাত কোনো সন্তান ছিল না। প্রথম স্ত্রীর ঘরে ৪ মেয়ে আছে। তারা ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া নেয়ামত মন্ডলের বাড়িতে বসবাস করেন। নিহত জুলকাস ওয়েল্ডিং’র দোকানে মিস্ত্রী হিসাবে কাজ করতেন। সেখান থেকে জুলকাস ৭০ হাজার টাকা পান।

ঘটনার দিন সকালে খোরশেদা বেগমের ছোট ছেলে মায়ের কাছে ওই ৭০ হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে মারধর করার হুমকি দেয়। তখন জুলকাস ঘর থেকে বের হয়ে বলে তোর মাকে না মেরে পারলে আমাকে মার। তখন ফয়সাল কোমরের বেল্ট দিয়ে মাথায় আঘাত করে। আঘাত কানের উপরে লাগে। এরপর জুলকাস হেঁটে কয়েকগজ যেতেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ফয়সাল পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

কোতোয়ালী মডেল উপ-পরিদর্শক ওয়াসিম কুমার বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বাবা ছেলে দু’জনই মাদকাসক্ত ছিল। ছেলে ফয়সালের নামে আগের আরও দুটি মামলা রয়েছে।

এদিকে ওসি মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন বলেন, ঘটনার পর থেকে ছেলে ফয়সাল পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।