ঢাকা ০৭:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সিলেটে চিকিৎসকের কিশোর ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার শতাব্দী রায়ের বাড়িতে বিদ্রোহীদের বৈঠক, পশ্চিমবঙ্গে তৃনমূলে ভাঙনের ইঙ্গিত !  বিএনপি নেতার ওপর হামলার ঘটনায় সিলেট মহানগর বিএনপির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ আবু তালহা চৌধুরী দ্বিতীয় বারের মত টাওয়ার হ‍্যামলেটস কাউন্সিলের কাউন্সিলার নির্বাচিত পাস কার্ড ইস্যুতে অনিয়ম ও গণবিজ্ঞপ্তি নিয়ে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সমালোচনা সিলেটে ব্যাডমিন্টন তারকাদের সংবর্ধনা, সাফল্যের আড়ালে উঠে এলো অবহেলার গল্প ! আদর্শের ‘গায়েবি’ প্রত্যাবর্তন: ভোলবদলের নতুন বয়ানে সরগরম রাজনীতি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি: স্বাগত জানালো বাংলাদেশ সিলেটে শনিবার শুরু হচ্ছে আঞ্চলিক এসএমই পণ্য মেলা ও কৃষক বাজার “কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ!”—দিনাজপুরে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগ, গ্রেফতার

টিআইবির ভেতরে দুর্নীতি আছে কিনা ‘পরীক্ষা নিরীক্ষা করা দরকার’- পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ১২:৪৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৩২৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

টিআইবির অভ্যন্তরে কোনো দুর্নীতি আছে কি না সেটা ‘পরীক্ষা নিরীক্ষা করা দরকার’ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

বুধবার দুপুরে ‘১৯৯৪ সালে লালবাগ ৭ হত্যাকাণ্ড’ স্মরণে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা, মিলাদ ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

দুর্নীতি সূচকে দেশের অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশে একটি ভালো নির্বাচন হয়েছে এবং সেই নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সরকারকে পুরো পৃথিবী অভিনন্দন জানিয়েছে। পৃথিবীর সব রাষ্ট্র ও সরকার নতুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কাজ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছে। এটাকে খাটো করার জন্য কিছু একটা বলতে হবে সেজন্য ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের দুর্নীতি সূচকে না কি দুই ধাপ নেমে গেছে বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, এখন টিআইবির অভ্যন্তরে কোনো দুর্নীতি আছে কি না সেটা পরীক্ষা নিরীক্ষা করা দরকার। এভাবে একপেশে রিপোর্ট দিয়ে সরকারকে খাটো করা যাবে না।

বাংলাদেশে কিছু প্রতিষ্ঠান অন্যদের ‘ক্রীড়ানক’ হিসেবে কাজ করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা যেখান থেকে ফান্ড পায়, যেভাবে প্রেসক্রিপশন দেয় সেভাবেই কাজ করে। তবে এ ধরনের সংগঠন থাকুক আমরা চাই।

তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করি সিভিল সোসাইটি সংস্থাগুলো সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরতে পারে, সেজন্য এ ধরনের প্রতিষ্ঠান থাকা ভালো। কিন্তু সেই প্রতিষ্ঠান যখন ‘একচোখা’ হয়ে যায়, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিএনপির রাজনৈতিক নেতাদের মতো কথা বলে; রিজভী আহমেদের কথা আর টিআইবির বক্তব্য যখন মিলে যায় তখন বোঝা যায়, ‘ডাল মে কুচ কালা হায়’।

হাছান মাহমুদ তার বক্তব্যের শুরুতে ৩০ বছর আগের হত্যার শিকার ৭ জনের আত্মার শান্তি কামনা করেন।

তিনি বলেন, ১৯৯৪ সালে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ঢাকা এবং চট্টগ্রামে আমরা বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছিলাম। এটি তারা মেনে নিতে পারে নাই। নির্বাচনের পরের দিন এই হতাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। কিন্তু আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা এরপরেও অবদমিত হয়নি বরং এই খুনি চক্রকে রুখে দাঁড়িয়েছিল। সেই বিজয়ের যাত্রাপথ বেয়ে ১৯৯৬ সালে ২১ বছর পর বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছিলেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে সমাবেশে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসও বক্তব্য দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

টিআইবির ভেতরে দুর্নীতি আছে কিনা ‘পরীক্ষা নিরীক্ষা করা দরকার’- পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ

আপডেট সময় : ১২:৪৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

টিআইবির অভ্যন্তরে কোনো দুর্নীতি আছে কি না সেটা ‘পরীক্ষা নিরীক্ষা করা দরকার’ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

বুধবার দুপুরে ‘১৯৯৪ সালে লালবাগ ৭ হত্যাকাণ্ড’ স্মরণে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা, মিলাদ ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

দুর্নীতি সূচকে দেশের অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশে একটি ভালো নির্বাচন হয়েছে এবং সেই নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সরকারকে পুরো পৃথিবী অভিনন্দন জানিয়েছে। পৃথিবীর সব রাষ্ট্র ও সরকার নতুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কাজ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছে। এটাকে খাটো করার জন্য কিছু একটা বলতে হবে সেজন্য ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের দুর্নীতি সূচকে না কি দুই ধাপ নেমে গেছে বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, এখন টিআইবির অভ্যন্তরে কোনো দুর্নীতি আছে কি না সেটা পরীক্ষা নিরীক্ষা করা দরকার। এভাবে একপেশে রিপোর্ট দিয়ে সরকারকে খাটো করা যাবে না।

বাংলাদেশে কিছু প্রতিষ্ঠান অন্যদের ‘ক্রীড়ানক’ হিসেবে কাজ করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা যেখান থেকে ফান্ড পায়, যেভাবে প্রেসক্রিপশন দেয় সেভাবেই কাজ করে। তবে এ ধরনের সংগঠন থাকুক আমরা চাই।

তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করি সিভিল সোসাইটি সংস্থাগুলো সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরতে পারে, সেজন্য এ ধরনের প্রতিষ্ঠান থাকা ভালো। কিন্তু সেই প্রতিষ্ঠান যখন ‘একচোখা’ হয়ে যায়, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিএনপির রাজনৈতিক নেতাদের মতো কথা বলে; রিজভী আহমেদের কথা আর টিআইবির বক্তব্য যখন মিলে যায় তখন বোঝা যায়, ‘ডাল মে কুচ কালা হায়’।

হাছান মাহমুদ তার বক্তব্যের শুরুতে ৩০ বছর আগের হত্যার শিকার ৭ জনের আত্মার শান্তি কামনা করেন।

তিনি বলেন, ১৯৯৪ সালে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ঢাকা এবং চট্টগ্রামে আমরা বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছিলাম। এটি তারা মেনে নিতে পারে নাই। নির্বাচনের পরের দিন এই হতাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। কিন্তু আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা এরপরেও অবদমিত হয়নি বরং এই খুনি চক্রকে রুখে দাঁড়িয়েছিল। সেই বিজয়ের যাত্রাপথ বেয়ে ১৯৯৬ সালে ২১ বছর পর বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছিলেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে সমাবেশে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসও বক্তব্য দেন।