ছোট ভাই রঙ পেন্সিল নেয়ায় অভিমানে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা!
- আপডেট সময় : ০৫:৩১:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ অক্টোবর ২০২৪ ১৫৫ বার পড়া হয়েছে
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ছোট ভাই ছবি আঁকার রঙ পেনসিল নিয়ে যাওয়ার রাগে তমা আক্তার (১৩) নামে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার(৪ অক্টোম্বর) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের আঙ্গারোয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ওই স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে।
তমা আক্তার একই গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের মেয়ে এবং স্থানীয় বাঁশাটি উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।সেরা অনলাইন কোর্স
স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকালে রংপেন্সিল নিয়ে ছোট ভাইয়ের সাথে রাগারাগি হয় তম আক্তারের। পরে তার ভাইয়ের ব্যাপারে মায়ের কাছে নালিশ করে তমা। এ সময় তমার মা তাকে ধমক দিয়ে শাসন করেন। এরপর তমা রাগ করে তার ঘরে চলে যায়। পরিবারে কেউ বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দেয়নি। সন্ধ্যার পর তমার কোন সারা শব্দ না পেয়ে তার শোবার ঘরে গিয়ে ডাকাডাকি করেন তার মা। মায়ের ডাকে সাড়া না দেওয়ার পর আশেপাশের লোকজনকে ডাকাডাকি করেন তিনি। লোকজন এসে ঘরের দরজা ভেঙ্গে তমাকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। স্থানীয়দের সহযোগিতায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে শুক্রবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা মর্গে প্রেরণ করেন।
এদিকে স্কুলছাত্রী তমা আক্তারের বড় ভাই মেহেদী হাসান বলেন, তমা ছবি আঁকাআঁকি পছন্দ করতো। বৃহস্পতিবার বিকেলে বাড়িতে থাকা ছোট শিশুরা তার ছবি আঁকার রঙ পেনসিল নিয়ে যায়। এ সময় সে মাকে শিশুরা নিয়ে যাওয়া পেনসিলগুলো এনে দিতে বলে এবং মা তাকে বাজার থেকে নতুন পেনসিল এনে দিবে বললে রাগে বসতঘরের নিজ কক্ষে চলে যায় তমা। একপর্যায়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার কক্ষটি তালাবদ্ধ দেখে সন্দেহ হলে দরজা ভেঙে তমার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জনান, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরবর্তীতে সুরতাল রিপোর্ট করে, সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। তবে পরিবারের দাবি আত্মহত্যা।
















