ঢাকা ০৬:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সিলেটে চিকিৎসকের কিশোর ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার শতাব্দী রায়ের বাড়িতে বিদ্রোহীদের বৈঠক, পশ্চিমবঙ্গে তৃনমূলে ভাঙনের ইঙ্গিত !  বিএনপি নেতার ওপর হামলার ঘটনায় সিলেট মহানগর বিএনপির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ আবু তালহা চৌধুরী দ্বিতীয় বারের মত টাওয়ার হ‍্যামলেটস কাউন্সিলের কাউন্সিলার নির্বাচিত পাস কার্ড ইস্যুতে অনিয়ম ও গণবিজ্ঞপ্তি নিয়ে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সমালোচনা সিলেটে ব্যাডমিন্টন তারকাদের সংবর্ধনা, সাফল্যের আড়ালে উঠে এলো অবহেলার গল্প ! আদর্শের ‘গায়েবি’ প্রত্যাবর্তন: ভোলবদলের নতুন বয়ানে সরগরম রাজনীতি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি: স্বাগত জানালো বাংলাদেশ সিলেটে শনিবার শুরু হচ্ছে আঞ্চলিক এসএমই পণ্য মেলা ও কৃষক বাজার “কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ!”—দিনাজপুরে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগ, গ্রেফতার

মূল আসামী রুহুল আমিন চৌধুরী সহ তিনজন পলাতক

কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় মৃত্যুদণ্ড ১, যাবজ্জীবন ২; আদালতের রায়

আহমদ নাহিদ
  • আপডেট সময় : ১০:১৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৩ ২৬৯ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় রুহুল আমীন চৌধুরী নামে এক যুবক-কে মৃত্যুদন্ড এবং মো. আলা উদ্দিন ও আবুল কালাম নামে দুই যুবক-কে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা হারে অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদন্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।
গতকাল রবিবার (২৭ আগস্ট, ২০২৩) দুপুরে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এর বিচারক (সিনিয়র জেলা জজ) মো. মুহিতুল হক এনাম চৌধুরী আসামীদের অনুপস্থিতিতে এ রায় দেন। নারী-শিশু মামলা নং-১৯৫/২০২২ইং।জি.আর মামলা নং-১৩৭/২০২১ সুত্রে জানা যায়, মামলার বাদী মো. লিয়াকত মিয়া’র বড় মেয়ে আয়েশা সিলেট সরকারী মহিলা কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্রী।

এলাকার কিছু বখাটে ছেলেরা তাঁর মেয়েকে সবসময় উত্যক্ত করতো। ২০২১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বিকালের দিকে প্রতিদিনের মতো সে কোচিং সেন্টারে যায়। কিন্তু সারাদিন অপেক্ষা করার পরও যখন সে বাসায় আসেনি তখন বাদী লিয়াকত মিয়া শাহপরান থানায় গিয়ে এবিষয়টি অবগত করেন।

পরেরদিন সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর ২০২১) সকাল আনুমানিক ১০টার সময় শাহপরান থানা কর্তৃপক্ষ বাদীকে জানান যে, ঘটনাস্থলের পাশের জলাশয়ে একটি কিশোরী মেয়ের লাশ পাওয়া গেছে।বাদী লিয়াকত মিয়া তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁর মেয়ের লাশ চিহিৃত করেন। থানা কর্তৃপক্ষ স্থানীয়দের সহায়তায় লাশ ময়না তদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
উক্ত ঘটনার সাক্ষী সুমন ও মামুনকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জানা যায় যে, আসামী রুহুল আমীন চৌধুরী তাঁর অপর দুই দুস্কৃতিকারীর সহযোগীতায় কোচিং সেন্টার থেকে বাড়ী ফেরার পথে আয়েশাকে জোরপূর্বক অপহরন করে এবং তাঁকে পালাক্রমে ধর্ষনপূর্বক হত্যা করে।

জানা যায়, মূল আসামী রুহুল আমীন চৌধুরীর পিতার নাম মাওলানা এ এফ এম কামাল চৌধুরী, ঠিকানা- চৌধুরী ভিলা, সুরমা-৭, ব্লক-এ, ফোরকান উল্লাহ রোড, নওয়াগাঁও, সাদীপুর-২, থানা: শাহপরান, জেলা: সিলেট।এছাড়াও অপর দুই সহযোগী দুস্কৃতিকারী (১) মো. আলা উদ্দিনের পিতার নাম মৃত ছামস উদ্দিন, ঠিকানা- কুচাই, থানা- মোগলাবাজার, জেলা-সিলেট ও (২) আবুল কালামের পিতার নাম মো. মতিন উদ্দিন, ঠিকানা- বাহুবল, থানা: শাহপরান, জেলা-সিলেট। এখন পর্যন্ত তিন আসামী পলাতক রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মূল আসামী রুহুল আমিন চৌধুরী সহ তিনজন পলাতক

কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় মৃত্যুদণ্ড ১, যাবজ্জীবন ২; আদালতের রায়

আপডেট সময় : ১০:১৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৩

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় রুহুল আমীন চৌধুরী নামে এক যুবক-কে মৃত্যুদন্ড এবং মো. আলা উদ্দিন ও আবুল কালাম নামে দুই যুবক-কে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা হারে অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদন্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।
গতকাল রবিবার (২৭ আগস্ট, ২০২৩) দুপুরে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এর বিচারক (সিনিয়র জেলা জজ) মো. মুহিতুল হক এনাম চৌধুরী আসামীদের অনুপস্থিতিতে এ রায় দেন। নারী-শিশু মামলা নং-১৯৫/২০২২ইং।জি.আর মামলা নং-১৩৭/২০২১ সুত্রে জানা যায়, মামলার বাদী মো. লিয়াকত মিয়া’র বড় মেয়ে আয়েশা সিলেট সরকারী মহিলা কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্রী।

এলাকার কিছু বখাটে ছেলেরা তাঁর মেয়েকে সবসময় উত্যক্ত করতো। ২০২১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বিকালের দিকে প্রতিদিনের মতো সে কোচিং সেন্টারে যায়। কিন্তু সারাদিন অপেক্ষা করার পরও যখন সে বাসায় আসেনি তখন বাদী লিয়াকত মিয়া শাহপরান থানায় গিয়ে এবিষয়টি অবগত করেন।

পরেরদিন সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর ২০২১) সকাল আনুমানিক ১০টার সময় শাহপরান থানা কর্তৃপক্ষ বাদীকে জানান যে, ঘটনাস্থলের পাশের জলাশয়ে একটি কিশোরী মেয়ের লাশ পাওয়া গেছে।বাদী লিয়াকত মিয়া তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁর মেয়ের লাশ চিহিৃত করেন। থানা কর্তৃপক্ষ স্থানীয়দের সহায়তায় লাশ ময়না তদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
উক্ত ঘটনার সাক্ষী সুমন ও মামুনকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জানা যায় যে, আসামী রুহুল আমীন চৌধুরী তাঁর অপর দুই দুস্কৃতিকারীর সহযোগীতায় কোচিং সেন্টার থেকে বাড়ী ফেরার পথে আয়েশাকে জোরপূর্বক অপহরন করে এবং তাঁকে পালাক্রমে ধর্ষনপূর্বক হত্যা করে।

জানা যায়, মূল আসামী রুহুল আমীন চৌধুরীর পিতার নাম মাওলানা এ এফ এম কামাল চৌধুরী, ঠিকানা- চৌধুরী ভিলা, সুরমা-৭, ব্লক-এ, ফোরকান উল্লাহ রোড, নওয়াগাঁও, সাদীপুর-২, থানা: শাহপরান, জেলা: সিলেট।এছাড়াও অপর দুই সহযোগী দুস্কৃতিকারী (১) মো. আলা উদ্দিনের পিতার নাম মৃত ছামস উদ্দিন, ঠিকানা- কুচাই, থানা- মোগলাবাজার, জেলা-সিলেট ও (২) আবুল কালামের পিতার নাম মো. মতিন উদ্দিন, ঠিকানা- বাহুবল, থানা: শাহপরান, জেলা-সিলেট। এখন পর্যন্ত তিন আসামী পলাতক রয়েছেন।