ঢাকা ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সিলেট-১ থেকে মন্ত্রিসভায় যাচ্ছেন মুক্তাদির; জোর আলোচনা ! ঐক্যের সিলেট গড়ার প্রত্যয়: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে জাতীয়তাবাদী উন্মুক্ত মঞ্চের মতবিনিময় গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান : প্রধান তথ্য অফিসার সিলেটে অপপ্রচার, ভোট কেনা ও কেন্দ্র দখলের প্রস্তুতির অভিযোগ বিএনপির বিগত ১৭ বছরে জৈন্তাপুরে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি: আরিফুল হক চৌধুরী ইমাম-মুয়াজ্জিনদের হাদিয়া বৃদ্ধি ও মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে: খন্দকার মুক্তাদির সিলেট প্রেসক্লাবে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের সঙ্গে মতবিনিময়, গণতন্ত্র ও নির্বাচন নিয়ে আলোচনা রাজনীতির আড়ালে কোটি টাকার খেলা; নাহিদ ইসলামকে ঘিরে সুরভীর চাঞ্চল্যকর অভিযোগ ! সিলেটে আক্রমণাত্মক অবস্থানে বিএনপি–জামায়াত: ১, ২, ৩, ৪ ও ৬ আসনে বিএনপি শক্ত অবস্থানে সিলেটের তেমুখিতে তিন গ্রামের সংঘর্ষ, আহত ১৫ জন

সিলেটে পুলিশের গুলিতে এ টি এম তুরাব হত্যার অন্যতম আসামি পুলিশ কর্মকর্তা দস্তগীর আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ১১:৩৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৭৫ বার পড়া হয়েছে

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সিলেটে পুলিশের গুলিতে সাংবাদিক এ টি এম তুরাব নিহত হওয়ার মামলায় অন্যতম আসামি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাদেক কাউসার দস্তগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আজ বুধবার বিকেলে শেরপুর থেকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সিলেটের একটি দল তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

মো. সাদেক কাউসার দস্তগীর শেরপুর জেলা পুলিশে কর্মরত ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে তিনি সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত উপ-কমিশনারের (ক্রাইম উত্তর) দায়িত্বে ছিলেন।

পিবিআই সিলেটের বিশেষ পুলিশ সুপার মুহাম্মদ খালেদ-উজ-জামান গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত জানান, মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নেওয়ার পর আজ আমাদের টিম শেরপুর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাদেক কাউসার দস্তগীরকে গ্রেপ্তার করেছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার আসামিকে আদালতে তুলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলার সময় ১৯ জুলাই জুমার নামাজের পর সিলেট নগরের বন্দরবাজারের কালেক্টরেট জামে মসজিদের সামনে থেকে মিছিল বের করে বিএনপি। মিছিলের পেছনে ধাওয়া করে পুলিশ গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হন দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি ও স্থানীয় একটি দৈনিকের নিজস্ব প্রতিবেদক এ টি এম তুরাব। প্রথমে তাঁকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে নগরের সোবহানীঘাটের ইবনে সিনা হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় মারা যান তুরাব।

নিহত হওয়ার ঘটনায় ১৯ আগস্ট নিহতের ভাই আবুল হোসেন মোহাম্মদ আজরফ জাবুর বাদী হয়ে সিলেটের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলা করেন। মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশ ও আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতা–কর্মীসহ ১৮ জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাদেক কাউসার দস্তগীর মামলার এজাহার নামীয় দ্বিতীয় আসামি।

প্রথমে মামলাটি এসএমপির কোতোয়ালি থানা-পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও আদালতের নির্দেশে পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। গত ৮ অক্টোবর মামলার নথিপত্র কোতোয়ালি থানা-পুলিশ পিআইবিকে বুঝিয়ে দেয়। পরদিনই বিকেল ৩টায় তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মুরসালিনের নেতৃত্বে পিবিআইয়ের একটি দল ঘটনাস্থল বন্দরবাজার কালেক্টরেট মসজিদ এলাকা পরিদর্শন করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটে পুলিশের গুলিতে এ টি এম তুরাব হত্যার অন্যতম আসামি পুলিশ কর্মকর্তা দস্তগীর আটক

আপডেট সময় : ১১:৩৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সিলেটে পুলিশের গুলিতে সাংবাদিক এ টি এম তুরাব নিহত হওয়ার মামলায় অন্যতম আসামি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাদেক কাউসার দস্তগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আজ বুধবার বিকেলে শেরপুর থেকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সিলেটের একটি দল তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

মো. সাদেক কাউসার দস্তগীর শেরপুর জেলা পুলিশে কর্মরত ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে তিনি সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত উপ-কমিশনারের (ক্রাইম উত্তর) দায়িত্বে ছিলেন।

পিবিআই সিলেটের বিশেষ পুলিশ সুপার মুহাম্মদ খালেদ-উজ-জামান গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত জানান, মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নেওয়ার পর আজ আমাদের টিম শেরপুর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাদেক কাউসার দস্তগীরকে গ্রেপ্তার করেছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার আসামিকে আদালতে তুলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলার সময় ১৯ জুলাই জুমার নামাজের পর সিলেট নগরের বন্দরবাজারের কালেক্টরেট জামে মসজিদের সামনে থেকে মিছিল বের করে বিএনপি। মিছিলের পেছনে ধাওয়া করে পুলিশ গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হন দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি ও স্থানীয় একটি দৈনিকের নিজস্ব প্রতিবেদক এ টি এম তুরাব। প্রথমে তাঁকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে নগরের সোবহানীঘাটের ইবনে সিনা হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় মারা যান তুরাব।

নিহত হওয়ার ঘটনায় ১৯ আগস্ট নিহতের ভাই আবুল হোসেন মোহাম্মদ আজরফ জাবুর বাদী হয়ে সিলেটের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলা করেন। মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশ ও আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতা–কর্মীসহ ১৮ জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাদেক কাউসার দস্তগীর মামলার এজাহার নামীয় দ্বিতীয় আসামি।

প্রথমে মামলাটি এসএমপির কোতোয়ালি থানা-পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও আদালতের নির্দেশে পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। গত ৮ অক্টোবর মামলার নথিপত্র কোতোয়ালি থানা-পুলিশ পিআইবিকে বুঝিয়ে দেয়। পরদিনই বিকেল ৩টায় তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মুরসালিনের নেতৃত্বে পিবিআইয়ের একটি দল ঘটনাস্থল বন্দরবাজার কালেক্টরেট মসজিদ এলাকা পরিদর্শন করে।