ঢাকা ০১:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আদর্শের ‘গায়েবি’ প্রত্যাবর্তন: ভোলবদলের নতুন বয়ানে সরগরম রাজনীতি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি: স্বাগত জানালো বাংলাদেশ সিলেটে শনিবার শুরু হচ্ছে আঞ্চলিক এসএমই পণ্য মেলা ও কৃষক বাজার “কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ!”—দিনাজপুরে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগ, গ্রেফতার ভাইরাল ভিডিও থেকে নতুন জীবনের আলো—শিশু ফাইজা পেল পুনর্বাসনের হাতছানি ! ইমদাদ চৌধুরীর ক্ষোভ—প্রস্তুতি সভায় নিজের আসন সংরক্ষিত না থাকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ! যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সাথে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংস্কারে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর ‘নবীন ফ্যাশন’ বন্ধে ওসিকে তলব, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোকান খুলতে নির্দেশ রাব্বানী–সাদিকের পুরনো টেক্সট ভাইরাল, সামাজিক মাধ্যমে তুমুল আলোচনা

তেহরানে ‘লিডারশিপ হাউস’ ধ্বংসস্তূপে; খামেনি নিহতের দাবিতে আন্তর্জাতিক মহলে চরম উত্তেজনা !

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১০:৪৪:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬ ৬৯ বার পড়া হয়েছে

 

তেহরান/ওয়াশিংটন, ১ মার্চ:
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (Ayatollah Ali Khamenei) নিহত হয়েছেন—এমন দাবি করেছে ইরানি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি (Fars News Agency)। রোববার (১ মার্চ) স্থানীয় সময় সকালে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারে এ খবর প্রচার করা হয়।

ইরান (Iran) জানায়, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে ইরানে রোববার থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলগুলোতে পাঠ করা বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের তথ্য অনুযায়ী শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে তেহরানে তার কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকালে খামেনি নিহত হন।

এদিকে বিবিসি নিউজ (BBC News) স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে জানায়, তেহরানে অবস্থিত ‘লিডারশিপ হাউস’ কমপ্লেক্সের কিছু অংশে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। ওই স্থাপনাটিই সর্বোচ্চ নেতার দপ্তর হিসেবে পরিচিত।

অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) দাবি করেন, “ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তি খামেনি মারা গেছেন।” তিনি আরও বলেন, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ও উন্নত ট্র্যাকিং ব্যবস্থার নজর এড়াতে পারেননি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এবং অভিযানে তার সঙ্গে থাকা শীর্ষ নেতারাও পালাতে পারেননি।

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের Islamic Revolutionary Guard Corps (আইআরজিসি), সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর অনেক সদস্য যুদ্ধ চালিয়ে যেতে অনাগ্রহী এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দায়মুক্তি চাইছেন। তার ভাষায়, “এখন চাইলে তারা ইমিউনিটি পাবে, দেরি করলে কপালে মৃত্যু।”

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা Reuters, মার্কিন সংবাদমাধ্যম CNN এবং BBC News ট্রাম্পের বরাত দিয়ে একই দাবি প্রচার করেছে বলে জানানো হয়েছে।

এছাড়া পৃথক খবরে বলা হয়, মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় খামেনির মেয়ে, জামাতা ও নাতিও নিহত হয়েছেন। তবে তাদের মৃত্যুর স্থান ও পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

ঘটনাটি নিশ্চিতভাবে যাচাই করা যায়নি—এমন ইঙ্গিত দিয়ে কূটনৈতিক মহলে সতর্ক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। তেহরান ও ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক, পূর্ণাঙ্গ বিবৃতি না আসা পর্যন্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখার আহ্বান জানিয়েছে একাধিক দেশ।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি এ তথ্য সত্য প্রমাণিত হয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা তীব্রতর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

(পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল; পরবর্তী আপডেটের জন্য অপেক্ষা করুন।)

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তেহরানে ‘লিডারশিপ হাউস’ ধ্বংসস্তূপে; খামেনি নিহতের দাবিতে আন্তর্জাতিক মহলে চরম উত্তেজনা !

আপডেট সময় : ১০:৪৪:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

 

তেহরান/ওয়াশিংটন, ১ মার্চ:
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (Ayatollah Ali Khamenei) নিহত হয়েছেন—এমন দাবি করেছে ইরানি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি (Fars News Agency)। রোববার (১ মার্চ) স্থানীয় সময় সকালে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারে এ খবর প্রচার করা হয়।

ইরান (Iran) জানায়, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে ইরানে রোববার থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলগুলোতে পাঠ করা বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের তথ্য অনুযায়ী শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে তেহরানে তার কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকালে খামেনি নিহত হন।

এদিকে বিবিসি নিউজ (BBC News) স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে জানায়, তেহরানে অবস্থিত ‘লিডারশিপ হাউস’ কমপ্লেক্সের কিছু অংশে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। ওই স্থাপনাটিই সর্বোচ্চ নেতার দপ্তর হিসেবে পরিচিত।

অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) দাবি করেন, “ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তি খামেনি মারা গেছেন।” তিনি আরও বলেন, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা ও উন্নত ট্র্যাকিং ব্যবস্থার নজর এড়াতে পারেননি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এবং অভিযানে তার সঙ্গে থাকা শীর্ষ নেতারাও পালাতে পারেননি।

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের Islamic Revolutionary Guard Corps (আইআরজিসি), সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর অনেক সদস্য যুদ্ধ চালিয়ে যেতে অনাগ্রহী এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দায়মুক্তি চাইছেন। তার ভাষায়, “এখন চাইলে তারা ইমিউনিটি পাবে, দেরি করলে কপালে মৃত্যু।”

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা Reuters, মার্কিন সংবাদমাধ্যম CNN এবং BBC News ট্রাম্পের বরাত দিয়ে একই দাবি প্রচার করেছে বলে জানানো হয়েছে।

এছাড়া পৃথক খবরে বলা হয়, মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় খামেনির মেয়ে, জামাতা ও নাতিও নিহত হয়েছেন। তবে তাদের মৃত্যুর স্থান ও পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

ঘটনাটি নিশ্চিতভাবে যাচাই করা যায়নি—এমন ইঙ্গিত দিয়ে কূটনৈতিক মহলে সতর্ক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। তেহরান ও ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক, পূর্ণাঙ্গ বিবৃতি না আসা পর্যন্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখার আহ্বান জানিয়েছে একাধিক দেশ।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি এ তথ্য সত্য প্রমাণিত হয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা তীব্রতর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

(পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল; পরবর্তী আপডেটের জন্য অপেক্ষা করুন।)