ঢাকা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আদর্শের ‘গায়েবি’ প্রত্যাবর্তন: ভোলবদলের নতুন বয়ানে সরগরম রাজনীতি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি: স্বাগত জানালো বাংলাদেশ সিলেটে শনিবার শুরু হচ্ছে আঞ্চলিক এসএমই পণ্য মেলা ও কৃষক বাজার “কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ!”—দিনাজপুরে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগ, গ্রেফতার ভাইরাল ভিডিও থেকে নতুন জীবনের আলো—শিশু ফাইজা পেল পুনর্বাসনের হাতছানি ! ইমদাদ চৌধুরীর ক্ষোভ—প্রস্তুতি সভায় নিজের আসন সংরক্ষিত না থাকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ! যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সাথে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংস্কারে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর ‘নবীন ফ্যাশন’ বন্ধে ওসিকে তলব, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোকান খুলতে নির্দেশ রাব্বানী–সাদিকের পুরনো টেক্সট ভাইরাল, সামাজিক মাধ্যমে তুমুল আলোচনা

টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই স্বীকৃতি পেতে ভারত অসত্য উপস্থাপন করেছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৮:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২৯৩ বার পড়া হয়েছে

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, বাংলাদেশের টাঙ্গাইল শাড়ির ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেতে ভারত তাদের আবেদনে অসত্য তথ্য উপস্থাপন ও তথ্যের অপব্যবহার করেছে। 

‘টাঙ্গাইল শাড়িকে পশ্চিমবঙ্গের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি: প্রক্রিয়া, পরিস্থিতি ও বাংলাদেশের করণীয়’ শীর্ষক সভায় এ কথা বলেন তিনি। 

শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডির কার্যালয়ের আয়োজন করে সিপিডি। সভায় মূলত সাংবাদিকের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। এতে মূল বক্তব্য দেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

অন্যদিকে ‘বেঙ্গল মসলিন’র জিআই পণ্যের আবেদনের প্রেক্ষিতে জার্নাল প্রকাশ করেছে ভারত। এ বিষয়ে দ্রুততার সঙ্গে বাংলাদেশকে আপত্তি জানাতে হবে বলে জানান দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ।

এই অর্থনীতিবিদ বলেন, বাংলাদেশ উচ্চতর মধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করতে যাচ্ছে। সেজন্য মেধা সম্পদের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। টাঙ্গাইলের মতো বিষয়গুলোর সুরাহা করতে হবে।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, টাঙ্গাইল শাড়ি নিয়ে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় আলোচনার সময় শেষ হয়ে গেছে। এখন আমাদের ভারতের আদালতে আইনি লড়াই চালাতে হবে। এছাড়া মসলিন ভারতের জিআই পণ্য হিসেবে এখনো নিবন্ধিত হয়নি। এ নিয়েও আপত্তি জানাতে হবে। 

তিনি বলেন, ৫০ হাজার শাড়ি প্রতি সপ্তাহে ভারতে যাচ্ছে। তারা যদি আমাদের শাড়ি তৈরি করে তবে আমাদের ঐতিহ্যগত সুনাম নষ্টের পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতিও হচ্ছে। কেননা আমাদের কাপড়, আমাদের তাঁতি, আমাদের মিল ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ভারতের আবেদনে বলা হয়, হিন্দুরা ভারতে চলে যাবার সঙ্গে সঙ্গে টাঙ্গাইল শাড়িও নিয়ে যায়। আসলে তা সত্য নয়। প্রচুর মুসলমান তাঁতি টাঙ্গাইলে রয়েছে যারা শাড়ির কাজ করে। এতে তথ্যের অপব্যবহার ও অসত্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই স্বীকৃতি পেতে ভারত অসত্য উপস্থাপন করেছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

আপডেট সময় : ০৯:৫৮:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, বাংলাদেশের টাঙ্গাইল শাড়ির ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেতে ভারত তাদের আবেদনে অসত্য তথ্য উপস্থাপন ও তথ্যের অপব্যবহার করেছে। 

‘টাঙ্গাইল শাড়িকে পশ্চিমবঙ্গের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি: প্রক্রিয়া, পরিস্থিতি ও বাংলাদেশের করণীয়’ শীর্ষক সভায় এ কথা বলেন তিনি। 

শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডির কার্যালয়ের আয়োজন করে সিপিডি। সভায় মূলত সাংবাদিকের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। এতে মূল বক্তব্য দেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

অন্যদিকে ‘বেঙ্গল মসলিন’র জিআই পণ্যের আবেদনের প্রেক্ষিতে জার্নাল প্রকাশ করেছে ভারত। এ বিষয়ে দ্রুততার সঙ্গে বাংলাদেশকে আপত্তি জানাতে হবে বলে জানান দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ।

এই অর্থনীতিবিদ বলেন, বাংলাদেশ উচ্চতর মধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করতে যাচ্ছে। সেজন্য মেধা সম্পদের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। টাঙ্গাইলের মতো বিষয়গুলোর সুরাহা করতে হবে।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, টাঙ্গাইল শাড়ি নিয়ে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় আলোচনার সময় শেষ হয়ে গেছে। এখন আমাদের ভারতের আদালতে আইনি লড়াই চালাতে হবে। এছাড়া মসলিন ভারতের জিআই পণ্য হিসেবে এখনো নিবন্ধিত হয়নি। এ নিয়েও আপত্তি জানাতে হবে। 

তিনি বলেন, ৫০ হাজার শাড়ি প্রতি সপ্তাহে ভারতে যাচ্ছে। তারা যদি আমাদের শাড়ি তৈরি করে তবে আমাদের ঐতিহ্যগত সুনাম নষ্টের পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতিও হচ্ছে। কেননা আমাদের কাপড়, আমাদের তাঁতি, আমাদের মিল ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ভারতের আবেদনে বলা হয়, হিন্দুরা ভারতে চলে যাবার সঙ্গে সঙ্গে টাঙ্গাইল শাড়িও নিয়ে যায়। আসলে তা সত্য নয়। প্রচুর মুসলমান তাঁতি টাঙ্গাইলে রয়েছে যারা শাড়ির কাজ করে। এতে তথ্যের অপব্যবহার ও অসত্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।