ঢাকা ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সমাপ্ত হলো মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিমের মাসব্যাপী গণ ইফতার

তারেক আহমদ খান
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৫:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪ ৩৩ বার পড়া হয়েছে
Spread the love

সিলেট জেলা স্টেডিয়াম এর মোহাম্মদ আলী জিমনেসিয়ামে গরীব দুঃখী খেটে খাওয়া শ্রমজীবী ও গণমানুষদের মাসব্যাপী ইফতার করালেন সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম।

বুধবার (১০ এপ্রিল) ৩০ রমজান রিকাবীবাজারস্থ সিলেট জেলা স্টেডিয়াম এর মোহাম্মদ আলী জিমনেসিয়ামে গণ ইফতার পূর্বে আয়োজিত আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম।

এসময় মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম বলেন, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে মাসব্যাপী আল্লাহর রহমতে প্রতিদিন রোজাদার মানুষদের ইফতার করাতে পেরে নিজেকে অনেক সৌভাগ্যবান মনে করছি। আল্লাহ তায়ালা প্রতিবছর যেন এভাবে মানবসেবা করতে পারি এজন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করছি।

সিলেট বিভাগীয় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার অফিস সেক্রেটারী বিপুল চন্দ্র তালুকদারের পরিচালনায় এক বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম সম্পাদক হানিফ আলম চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ শহিদ আহমদ চৌধুরী জুয়েল, দৈনিক সিলেটের ডাক এর স্টাফ রিপোর্টার আহমদ সেলিম, স্টাফ ফটো সাংবাদিক জাবেদ আহমদ, দৈনিক সিলেট বাণীর স্টাফ রিপোর্টার জাবেদ এমরান, ফটো সাংবাদিক ইউসুফ আলী, শংকর দাশ, সিলেট জেলা ক্রিকেট কমিটির সম্পাদক জয়দীপ দাস সুজন, জেলা ব্যাটমিন্টন কমিটির সদস্য আবু ইনাম সোহেল, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ রুবেল আহমদ নান্নু, কার্যনির্বাহী সদস্য মাহি উদ্দিন রাসেল, আজিজুর রহমান প্রমুখ।

এদিকে বাংলাদেশে মাসব্যাপী সবচেয়ে বড় ইফতারের আয়োজন করে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন সিলেটের ক্রিড়া ব্যক্তিত্ব ও মানবতার ফেরিওয়ালাখ্যাত ব্যবসায়ী মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম। মধ্যপ্রাচ্যের আদলে গত বছর থেকে অনেকটা নিরবে সকল শ্রেণী পেশার মানুষের জন্য গণ ইফতারের আয়োজন করেন। এবছর রমজানে প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই হাজার মানুষকে ইফতার করিয়ে আলোচনায় আসেন মাহি উদ্দিন সেলিম।

মাসব্যাপী গণ ইফতারের আয়োজন করে দেশে-বিদেশে প্রশংসায় ভাসছেন সুনামধন্য ব্যবসায়ী, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী সদস্য, সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম।

প্রতিদিন সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগীতায় সিলেট জেলা স্টেডিয়ামস্থ মোহাম্মদ আলী জিমনেসিয়ামে রোজাদারদের জন্য বাবুর্চিসহ অর্ধ শতাধিক শ্রমিক ইফতার তৈরি ও পরিবেশনে কাজ করে। প্রতিদিনের ইফতারে সুগন্ধি চালের আখনি, জিলাপি, ছোলা, পিঁয়াজু, খেজুর ও লেবু থাকে। সাথে শরবত ও পাঁচশত মিলি পানির বোতল দেয়া হয়। খাবার গরম ও ধূলাবালি মুক্ত রাখতে দামি হোটেলের আদলে রেপিং পেপার দিয়ে ঢেকে রাখা হতো। আখনি তৈরিতে একদিন গরুর ও একদিন মোরগ আর মাঝে মধ্যে খাসির মাংস ব্যবহার করা হতো। একদিন পরপর জবাই করা হতো বড় একটি গরু। প্রতিদিন আসরের নামাজের পর থেকে রিকশা-ভ্যানচালক, ভিক্ষুক, ছিন্নমূল, ভবঘুরে, শ্রমজীবী, অসহায়, অসচ্ছল, ক্ষুদে ব্যবসায়ী, চাকুরীজীবী, পথচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ এক কাতারে বসে ইফতারে অংশ নিতেন।

বিকেল সাড়ে ৪টার পর থেকে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের প্রধান ফটকের ভেতর বিশাল উন্মুক্ত স্থানে রিকশা রেখে চালুকরা ইফতারে অংশ নিতে বাহিরে হাত ধূয়ে জিমনেসিয়ামে জমায়েত হতে শুরু করতেন।  স্বেচ্ছাসেবীরা আগে থেকে খাবার ভর্তি প্লেট, একটা করে পানির বোতল ও শরবত ভর্তি গ্লাস রেখে সারিবদ্ধভাবে সাজিয়ে রাখতেন। মানুষজন খাবারের সামনে গিয়ে বসে আযানের অপেক্ষা করতেন। অনেক মধ্যবিত্তদেরও গণ ইফতারে অংশ নিতে দেখা গেছে। এযেন অভূতপূর্ব পরিবেশ।

একেক দিনে গণ ইফতারে অংশ নেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী এমপি, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এমপি, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল এমপি, সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নাসির উদ্দিন খান, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার আবু আহমদ ছিদ্দিকী এনডিসি, সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান, সিলেটের রেঞ্জ ডিআইজি শাহ মিজান শাফিউর রহমান, বিপিএম (বার) পিপিএম, এসএমপির পুলিশ কমিশনার জাকির হোসেন খাঁন, সিলেটের অতিরিক্ত ডিআইজি সৈয়দ হারুন অর রশিদ বিপিএম, অতিরিক্ত ডিআইজি নাসির উদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মাসুদ রানা পিপিএম, অতিরিক্ত ডিআইজি নাসির উদ্দিন আহমেদ, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাশুক উদ্দিন আহমদ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন সহ সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, সামাজিক, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব, ছাত্রনেতা এবং বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সমাপ্ত হলো মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিমের মাসব্যাপী গণ ইফতার

আপডেট সময় : ০৩:৫৫:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪
Spread the love

সিলেট জেলা স্টেডিয়াম এর মোহাম্মদ আলী জিমনেসিয়ামে গরীব দুঃখী খেটে খাওয়া শ্রমজীবী ও গণমানুষদের মাসব্যাপী ইফতার করালেন সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম।

বুধবার (১০ এপ্রিল) ৩০ রমজান রিকাবীবাজারস্থ সিলেট জেলা স্টেডিয়াম এর মোহাম্মদ আলী জিমনেসিয়ামে গণ ইফতার পূর্বে আয়োজিত আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম।

এসময় মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম বলেন, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে মাসব্যাপী আল্লাহর রহমতে প্রতিদিন রোজাদার মানুষদের ইফতার করাতে পেরে নিজেকে অনেক সৌভাগ্যবান মনে করছি। আল্লাহ তায়ালা প্রতিবছর যেন এভাবে মানবসেবা করতে পারি এজন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করছি।

সিলেট বিভাগীয় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার অফিস সেক্রেটারী বিপুল চন্দ্র তালুকদারের পরিচালনায় এক বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম সম্পাদক হানিফ আলম চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ শহিদ আহমদ চৌধুরী জুয়েল, দৈনিক সিলেটের ডাক এর স্টাফ রিপোর্টার আহমদ সেলিম, স্টাফ ফটো সাংবাদিক জাবেদ আহমদ, দৈনিক সিলেট বাণীর স্টাফ রিপোর্টার জাবেদ এমরান, ফটো সাংবাদিক ইউসুফ আলী, শংকর দাশ, সিলেট জেলা ক্রিকেট কমিটির সম্পাদক জয়দীপ দাস সুজন, জেলা ব্যাটমিন্টন কমিটির সদস্য আবু ইনাম সোহেল, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ রুবেল আহমদ নান্নু, কার্যনির্বাহী সদস্য মাহি উদ্দিন রাসেল, আজিজুর রহমান প্রমুখ।

এদিকে বাংলাদেশে মাসব্যাপী সবচেয়ে বড় ইফতারের আয়োজন করে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন সিলেটের ক্রিড়া ব্যক্তিত্ব ও মানবতার ফেরিওয়ালাখ্যাত ব্যবসায়ী মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম। মধ্যপ্রাচ্যের আদলে গত বছর থেকে অনেকটা নিরবে সকল শ্রেণী পেশার মানুষের জন্য গণ ইফতারের আয়োজন করেন। এবছর রমজানে প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই হাজার মানুষকে ইফতার করিয়ে আলোচনায় আসেন মাহি উদ্দিন সেলিম।

মাসব্যাপী গণ ইফতারের আয়োজন করে দেশে-বিদেশে প্রশংসায় ভাসছেন সুনামধন্য ব্যবসায়ী, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী সদস্য, সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম।

প্রতিদিন সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগীতায় সিলেট জেলা স্টেডিয়ামস্থ মোহাম্মদ আলী জিমনেসিয়ামে রোজাদারদের জন্য বাবুর্চিসহ অর্ধ শতাধিক শ্রমিক ইফতার তৈরি ও পরিবেশনে কাজ করে। প্রতিদিনের ইফতারে সুগন্ধি চালের আখনি, জিলাপি, ছোলা, পিঁয়াজু, খেজুর ও লেবু থাকে। সাথে শরবত ও পাঁচশত মিলি পানির বোতল দেয়া হয়। খাবার গরম ও ধূলাবালি মুক্ত রাখতে দামি হোটেলের আদলে রেপিং পেপার দিয়ে ঢেকে রাখা হতো। আখনি তৈরিতে একদিন গরুর ও একদিন মোরগ আর মাঝে মধ্যে খাসির মাংস ব্যবহার করা হতো। একদিন পরপর জবাই করা হতো বড় একটি গরু। প্রতিদিন আসরের নামাজের পর থেকে রিকশা-ভ্যানচালক, ভিক্ষুক, ছিন্নমূল, ভবঘুরে, শ্রমজীবী, অসহায়, অসচ্ছল, ক্ষুদে ব্যবসায়ী, চাকুরীজীবী, পথচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ এক কাতারে বসে ইফতারে অংশ নিতেন।

বিকেল সাড়ে ৪টার পর থেকে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের প্রধান ফটকের ভেতর বিশাল উন্মুক্ত স্থানে রিকশা রেখে চালুকরা ইফতারে অংশ নিতে বাহিরে হাত ধূয়ে জিমনেসিয়ামে জমায়েত হতে শুরু করতেন।  স্বেচ্ছাসেবীরা আগে থেকে খাবার ভর্তি প্লেট, একটা করে পানির বোতল ও শরবত ভর্তি গ্লাস রেখে সারিবদ্ধভাবে সাজিয়ে রাখতেন। মানুষজন খাবারের সামনে গিয়ে বসে আযানের অপেক্ষা করতেন। অনেক মধ্যবিত্তদেরও গণ ইফতারে অংশ নিতে দেখা গেছে। এযেন অভূতপূর্ব পরিবেশ।

একেক দিনে গণ ইফতারে অংশ নেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী এমপি, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এমপি, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল এমপি, সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নাসির উদ্দিন খান, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার আবু আহমদ ছিদ্দিকী এনডিসি, সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসান, সিলেটের রেঞ্জ ডিআইজি শাহ মিজান শাফিউর রহমান, বিপিএম (বার) পিপিএম, এসএমপির পুলিশ কমিশনার জাকির হোসেন খাঁন, সিলেটের অতিরিক্ত ডিআইজি সৈয়দ হারুন অর রশিদ বিপিএম, অতিরিক্ত ডিআইজি নাসির উদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মাসুদ রানা পিপিএম, অতিরিক্ত ডিআইজি নাসির উদ্দিন আহমেদ, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাশুক উদ্দিন আহমদ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন সহ সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, সামাজিক, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব, ছাত্রনেতা এবং বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।