ঢাকা ১১:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যুক্তরা‌জ্যের ব্রাড‌ফো‌র্ডে সন্তা‌নের সাম‌নে মাকে খুন, মাসুম নামে এক বাংলা‌দেশি গ্রেপ্তার সমাপ্ত হলো মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিমের মাসব্যাপী গণ ইফতার রাজধানীতে পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি প্রাণের উৎসব বৈসাবি পালিত পঞ্চগড়ে ঈদের দিন গৃহবধুকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ সিলেট নগরীতে ঈদের জামাত কখন কোথায় প্রয়াত যুবদল নেতা জিলুর পরিবারকে ফ্রান্সে বসবাসরত গোলাপগঞ্জ বিএনপির ঈদ উপহার আশুলিয়ায় বাড়তি ভাড়া চাওয়ার জেরে চালক ও সুপারভাইজারকে পিটিয়ে হত্যা পুনাক, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের দুস্থ ও অসহায়দের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশ হেফাজতে যুবদল নেতা আকরাম হোসেনের মৃত্যু ! আজ চাঁদ দেখা যায়নি, আগামী বুধবার সৌদি সহ বিশ্বের বেশ ক’টি দেশে ঈদুল ফিতর

ঘরের বউদের ভারতীয় শাড়িগুলো পুড়িয়ে দিলে বুঝবো সত্যিকারের বর্জন: শেখ হাসিনা

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:১৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪ ৫৯ বার পড়া হয়েছে
Spread the love

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপির এক নেতা চাদর খুলে বলে দিয়েছেন, ভারতের পণ্য ব্যবহার করবেন না। যে নেতারা বলছেন, ভারতীয় পণ্য বর্জন করেন, তাদের বউদের কয়খানা ভারতীয় শাড়ি আছে? তারা বউদের কাছ থেকে শাড়িগুলো এনে কেন পুড়িয়ে দিচ্ছে না?, বউদের শাড়িগুলো পুড়িয়ে দিলে বুঝবো সত্যিকারের পণ্য বর্জন করেছেন।

বুধবার (২৭ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি জানি, বিএনপির বহু মন্ত্রীর বউ ওখানে গিয়ে শাড়ি কিনে এনে এখানে বেচতো। আমি বিএনপি নেতাদের বলব, তাদের বউরা যেন ভারতীয় শাড়ি না পরেন। যেদিন ওগুলো এনে অফিসের সামনে পোড়াবেন, সেদিন বিশ্বাস করব, আপনারা ভারতীয় পণ্য বর্জন করলেন।

ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাকে ক্ষোভ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা আরও বলেন, কারও পাকের ঘরে যেন ভারতীয় মসলা না দেখা যায়। এটা তারা করতে পারবে কিনা? আপনারা রংঢং করতে ওস্তাদ। সত্যিকার অর্থে বর্জন করছেন কিনা, এটা জানতে চাই।

বিএনপি নেতাদের বিভিন্ন সময়ে দেওয়া বক্তব্যের জবাব দিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি আরও বলেন, বিএনপির নেতারা বলছেন, গণতন্ত্র কোথায়? গণতন্ত্র আপনারা দেখবেন কীভাবে। না দেখতে পারা তাদের মুদ্রাদোষ বলা যায়। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, গণতন্ত্রের সংজ্ঞা কী? গভর্নমেন্ট অব দ্য পিপল, বাই দ্য পিপল, ফর দ্য পিপল। এটাই তো। ক্যান্টনমেন্টের হাতে ক্ষমতা থাকলে গণতন্ত্র থাকবে? যাদের হাতে ডান্ডা আছে, তাদের হাতে ক্ষমতা থাকলে আপনারা ঠান্ডা? জনগণের হাতে ক্ষমতা থাকুক চান না তারা?

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের কিছু আঁতেল আছে এদেশে, বুদ্ধিজীবী! বুদ্ধি বেচিয়া জীবিকা নির্বাহ করে যারা। বুদ্ধির অবশ্যই দরকার আছে। কারণ বুদ্ধি না হলে তো দেশ এগোতে পারবে না। জনগণের গণতন্ত্রে তারা বিশ্বাস করে না। কিছু অতিবাম ও অতিডান একসঙ্গে হয়ে গেছে। বিপ্লব করতে করতে দাঁড়ি- কমা- সেমিকোলন হতে হতে তারা নিজেরাই শেষ হয়ে গেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঘরের বউদের ভারতীয় শাড়িগুলো পুড়িয়ে দিলে বুঝবো সত্যিকারের বর্জন: শেখ হাসিনা

আপডেট সময় : ০৭:১৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪
Spread the love

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপির এক নেতা চাদর খুলে বলে দিয়েছেন, ভারতের পণ্য ব্যবহার করবেন না। যে নেতারা বলছেন, ভারতীয় পণ্য বর্জন করেন, তাদের বউদের কয়খানা ভারতীয় শাড়ি আছে? তারা বউদের কাছ থেকে শাড়িগুলো এনে কেন পুড়িয়ে দিচ্ছে না?, বউদের শাড়িগুলো পুড়িয়ে দিলে বুঝবো সত্যিকারের পণ্য বর্জন করেছেন।

বুধবার (২৭ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি জানি, বিএনপির বহু মন্ত্রীর বউ ওখানে গিয়ে শাড়ি কিনে এনে এখানে বেচতো। আমি বিএনপি নেতাদের বলব, তাদের বউরা যেন ভারতীয় শাড়ি না পরেন। যেদিন ওগুলো এনে অফিসের সামনে পোড়াবেন, সেদিন বিশ্বাস করব, আপনারা ভারতীয় পণ্য বর্জন করলেন।

ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাকে ক্ষোভ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা আরও বলেন, কারও পাকের ঘরে যেন ভারতীয় মসলা না দেখা যায়। এটা তারা করতে পারবে কিনা? আপনারা রংঢং করতে ওস্তাদ। সত্যিকার অর্থে বর্জন করছেন কিনা, এটা জানতে চাই।

বিএনপি নেতাদের বিভিন্ন সময়ে দেওয়া বক্তব্যের জবাব দিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি আরও বলেন, বিএনপির নেতারা বলছেন, গণতন্ত্র কোথায়? গণতন্ত্র আপনারা দেখবেন কীভাবে। না দেখতে পারা তাদের মুদ্রাদোষ বলা যায়। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, গণতন্ত্রের সংজ্ঞা কী? গভর্নমেন্ট অব দ্য পিপল, বাই দ্য পিপল, ফর দ্য পিপল। এটাই তো। ক্যান্টনমেন্টের হাতে ক্ষমতা থাকলে গণতন্ত্র থাকবে? যাদের হাতে ডান্ডা আছে, তাদের হাতে ক্ষমতা থাকলে আপনারা ঠান্ডা? জনগণের হাতে ক্ষমতা থাকুক চান না তারা?

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের কিছু আঁতেল আছে এদেশে, বুদ্ধিজীবী! বুদ্ধি বেচিয়া জীবিকা নির্বাহ করে যারা। বুদ্ধির অবশ্যই দরকার আছে। কারণ বুদ্ধি না হলে তো দেশ এগোতে পারবে না। জনগণের গণতন্ত্রে তারা বিশ্বাস করে না। কিছু অতিবাম ও অতিডান একসঙ্গে হয়ে গেছে। বিপ্লব করতে করতে দাঁড়ি- কমা- সেমিকোলন হতে হতে তারা নিজেরাই শেষ হয়ে গেছেন।