ঢাকা ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আপন তিন ভাই-বোনকে গুলি করে হত্যা মামলায় চট্টগ্রামে ২ জনের মৃত্যুদণ্ড ও অর্থদণ্ড

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৩:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪ ৪২ বার পড়া হয়েছে
Spread the love

চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানার বালুছড়া এলাকায় আপন তিন ভাই–বোন হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া তাদের দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রামের প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. কামাল হোসেন সিকদার এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হলেন: আবুল কাশেম প্রকাশ ওরফে জামাই কাশেম ও মো. ইউসুফ প্রকাশ ওরফে বাইট্যা কাশেম। সরকার পক্ষের আইনজীবী মো. ফয়েজ উল্লাহ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বরাত দিয়ে এই আইনজীবী জানান, ২০০৪ সালের ৩০ জুন বালুছড়ায় গুলিতে নিহত হন দুই সহোদর সাইফুল ও আলমগীর। এতে আহত হন তাঁদের বোন মিনু আরা। ২০ দিন ঢাকায় চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনিও মারা যান। এই ঘটনায় সাইফুলের স্ত্রী আয়েশা আক্তার বাদী হয়ে বায়েজিদ থানায় মামলা করেন। এই মামলার অপর দুই আসামি গিট্টু নাসির ও ফয়েজ মুন্না র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হন।

সরকার পক্ষের আইনজীবী আরও বলেন, অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

আসামিদের স্বজন মো. পারভেজ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের নির্দোষ দাবি করে জানান, তারা উচ্চ আদালতে যাবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আপন তিন ভাই-বোনকে গুলি করে হত্যা মামলায় চট্টগ্রামে ২ জনের মৃত্যুদণ্ড ও অর্থদণ্ড

আপডেট সময় : ০৫:৩৩:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪
Spread the love

চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানার বালুছড়া এলাকায় আপন তিন ভাই–বোন হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া তাদের দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রামের প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. কামাল হোসেন সিকদার এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হলেন: আবুল কাশেম প্রকাশ ওরফে জামাই কাশেম ও মো. ইউসুফ প্রকাশ ওরফে বাইট্যা কাশেম। সরকার পক্ষের আইনজীবী মো. ফয়েজ উল্লাহ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বরাত দিয়ে এই আইনজীবী জানান, ২০০৪ সালের ৩০ জুন বালুছড়ায় গুলিতে নিহত হন দুই সহোদর সাইফুল ও আলমগীর। এতে আহত হন তাঁদের বোন মিনু আরা। ২০ দিন ঢাকায় চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনিও মারা যান। এই ঘটনায় সাইফুলের স্ত্রী আয়েশা আক্তার বাদী হয়ে বায়েজিদ থানায় মামলা করেন। এই মামলার অপর দুই আসামি গিট্টু নাসির ও ফয়েজ মুন্না র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হন।

সরকার পক্ষের আইনজীবী আরও বলেন, অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

আসামিদের স্বজন মো. পারভেজ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের নির্দোষ দাবি করে জানান, তারা উচ্চ আদালতে যাবেন।