ঢাকা ১২:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন শিক্ষা প্রশাসনে নতুন নেতৃত্ব: সংস্কারের আশায় ইতিবাচক প্রত্যাশা সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ–এর গণবিজ্ঞপ্তি: ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া মোটরসাইকেল হস্তান্তর নয় ঈশ্বরদীতে রাতের আঁধারে নৃশংসতা: দাদি-নাতনির মরদেহ উদ্ধার, ধর্ষণের আশঙ্কায় তোলপাড় ! সিলেট হাউজিং এস্টেটে প্রকাশ্যে ছিনতাই, ভাইরাল সিসিটিভি ফুটেজে উদ্বেগ—ওসি ক্লোজড বঙ্গভবনে ‘অপসারণ চক্রান্ত’! রাষ্ট্রপতির বিস্ফোরক দাবি ঘিরে রাজনৈতিক ঝড় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ: নতুন অধ্যায়ে নীতিগত প্রত্যাশা ও বাস্তব চ্যালেঞ্জ বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের ২৮ ফেব্রুয়ারি সিলেট সফর সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ, কে হচ্ছেন পরবর্তী নগরপিতা? সংগ্রামের সৈনিক থেকে নগর উন্নয়নের স্বপ্নদ্রষ্টা—কয়েস লোদী আলোচনার কেন্দ্রে

সংগ্রামের সৈনিক থেকে নগর উন্নয়নের স্বপ্নদ্রষ্টা—কয়েস লোদী আলোচনার কেন্দ্রে

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট:
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের রাজনীতিতে তৃণমূলের আস্থার প্রতীক হিসেবে আলোচিত নাম রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে রাজপথের আন্দোলন—তার রাজনৈতিক পথচলা জুড়ে রয়েছে মিছিল, সমাবেশ, গ্রেফতার আর কারাবরণ। দীর্ঘ এই সংগ্রামী জীবনে প্রতিকূলতা যতই এসেছে, তিনি ততই সক্রিয় থেকেছেন মাঠের রাজনীতিতে।

দলীয় দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের সাহস জোগাতে সামনের সারিতে দেখা গেছে তাকে। বিশেষ করে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় ধারাবাহিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গ্রেফতার হন তিনি। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কারামুক্ত হয়ে ফেরেন রাজনীতির ময়দানে। দলীয় সূত্র বলছে, আন্দোলন-সংগ্রামে তার উপস্থিতি কর্মীদের জন্য ছিল প্রেরণার উৎস।

রাজপথের রাজনীতির পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি হিসেবেও রয়েছে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। তিনি সিলেট সিটি কর্পোরেশন–এর একাধিকবার নির্বাচিত কাউন্সিলর। প্যানেল মেয়র ও ক্রীড়া কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নগরীর অবকাঠামো উন্নয়ন ও ক্রীড়াঙ্গন বিকাশে ভূমিকা রাখেন। একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবেও তরুণদের কাছে তার আলাদা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সিলেট মহানগর শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।মহানগরের ৪২টি ওয়ার্ডে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে নিয়মিত তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে দলীয় প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ঘিরে নগর রাজনীতিতে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের একটি অংশ মনে করছেন, পরীক্ষিত রাজনীতিবিদ ও অভিজ্ঞ জনপ্রতিনিধি হিসেবে কয়েস লোদী হতে পারেন সম্ভাব্য প্রার্থী।

নিজের অবস্থান সম্পর্কে কয়েস লোদী বলেন, “রাজনীতি মানেই জনগণের সেবা। রাজপথ ও কারাগার আমার জীবনের অংশ। এখন আমাদের লক্ষ্য—সমৃদ্ধ ও আধুনিক সিলেট গড়া।”

সিলেট নগরীর ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা যতই ঘনীভূত হচ্ছে, ততই সামনে আসছে এই লড়াকু রাজনীতিকের নাম। তৃণমূলের আস্থা ও সংগঠনের অভিজ্ঞতা—দুই মিলিয়ে নগর রাজনীতিতে তিনি এখন গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সংগ্রামের সৈনিক থেকে নগর উন্নয়নের স্বপ্নদ্রষ্টা—কয়েস লোদী আলোচনার কেন্দ্রে

আপডেট সময় : ০৪:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সিলেটের রাজনীতিতে তৃণমূলের আস্থার প্রতীক হিসেবে আলোচিত নাম রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে রাজপথের আন্দোলন—তার রাজনৈতিক পথচলা জুড়ে রয়েছে মিছিল, সমাবেশ, গ্রেফতার আর কারাবরণ। দীর্ঘ এই সংগ্রামী জীবনে প্রতিকূলতা যতই এসেছে, তিনি ততই সক্রিয় থেকেছেন মাঠের রাজনীতিতে।

দলীয় দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের সাহস জোগাতে সামনের সারিতে দেখা গেছে তাকে। বিশেষ করে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় ধারাবাহিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গ্রেফতার হন তিনি। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কারামুক্ত হয়ে ফেরেন রাজনীতির ময়দানে। দলীয় সূত্র বলছে, আন্দোলন-সংগ্রামে তার উপস্থিতি কর্মীদের জন্য ছিল প্রেরণার উৎস।

রাজপথের রাজনীতির পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি হিসেবেও রয়েছে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। তিনি সিলেট সিটি কর্পোরেশন–এর একাধিকবার নির্বাচিত কাউন্সিলর। প্যানেল মেয়র ও ক্রীড়া কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নগরীর অবকাঠামো উন্নয়ন ও ক্রীড়াঙ্গন বিকাশে ভূমিকা রাখেন। একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবেও তরুণদের কাছে তার আলাদা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সিলেট মহানগর শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।মহানগরের ৪২টি ওয়ার্ডে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে নিয়মিত তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে দলীয় প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ঘিরে নগর রাজনীতিতে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের একটি অংশ মনে করছেন, পরীক্ষিত রাজনীতিবিদ ও অভিজ্ঞ জনপ্রতিনিধি হিসেবে কয়েস লোদী হতে পারেন সম্ভাব্য প্রার্থী।

নিজের অবস্থান সম্পর্কে কয়েস লোদী বলেন, “রাজনীতি মানেই জনগণের সেবা। রাজপথ ও কারাগার আমার জীবনের অংশ। এখন আমাদের লক্ষ্য—সমৃদ্ধ ও আধুনিক সিলেট গড়া।”

সিলেট নগরীর ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা যতই ঘনীভূত হচ্ছে, ততই সামনে আসছে এই লড়াকু রাজনীতিকের নাম। তৃণমূলের আস্থা ও সংগঠনের অভিজ্ঞতা—দুই মিলিয়ে নগর রাজনীতিতে তিনি এখন গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়।