ঢাকা ০১:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘নবীন ফ্যাশন’ বন্ধে ওসিকে তলব, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোকান খুলতে নির্দেশ রাব্বানী–সাদিকের পুরনো টেক্সট ভাইরাল, সামাজিক মাধ্যমে তুমুল আলোচনা ময়লা পানি নিক্ষেপ: রিমান্ড শেষে আদালত প্রাঙ্গণে বিব্রত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ওয়াশিংটনে বৈশ্বিক মঞ্চে ডা. জুবাইদা রহমান—এআই, শিক্ষা ও শিশু ভবিষ্যৎ নিয়ে শক্ত বার্তা ইরানকে ১৫ দফা যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের, ইসরায়েলের বিস্ময় ! গণহত্যা দিবসে শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ক্যামেরুনে যোগ দিচ্ছেন WTO-এর ১৪তম মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্সে সিলেটে পুলিশের অভিযান: ২ লাখ ৭০ হাজার টাকার অবৈধ ভারতীয় পণ্যসহ ৯ জন আটক এক-এগারোর প্রভাবশালী সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী গ্রেপ্তার রাষ্ট্রপতির ভাষণে বিএনপির ছায়া, রাজনৈতিক বিতর্কে নতুন মাত্রা !

রাষ্ট্রপতির ভাষণে বিএনপির ছায়া, রাজনৈতিক বিতর্কে নতুন মাত্রা !

ডেস্ক রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ১২:১৭:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিস্ট ও Sohrab Hasan-এর মতে, রাষ্ট্রপতি Mohammad Shahabuddin দুই সরকারের আমলে ভিন্ন রূপে আবির্ভূত হয়েছেন। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে তার দেওয়া ভাষণ নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ভাষণে তিনি আওয়ামী লীগের শাসনকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে অভিহিত করেছেন, কিন্তু বিএনপির আমলে সেই রকম মন্তব্য করতে পারেননি।

সোহরাব হাসান বলেন, রাষ্ট্রপতি স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে জিয়াউর রহমানের নাম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন, তবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বা অন্য কোনো নেতার নাম উল্লেখ করেননি। অতীতে বিএনপির রাষ্ট্রপতির মুখে আওয়ামী লীগের সমালোচনা শুনেছি; এবার আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ রাষ্ট্রপতির মুখে বিএনপির রাজনৈতিক বক্তব্যের প্রতিধ্বনি শোনা যাচ্ছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রথা অনুযায়ী সংসদে আনা শোকপ্রস্তাবে যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডিত ব্যক্তিদের নাম অন্তর্ভুক্ত থাকলেও কোনো আপত্তি ওঠেনি। কিন্তু জাতীয় সংগীত বাজানোর সময় বিরোধী দলের কিছু সংসদ সদস্য বসে থাকায় তা রাজনৈতিক ও সামাজিক দিক থেকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
২০২৪ সালের ৩০ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন দ্বাদশ জাতীয় সংসদে বিএনপি ও সহযোগী দলগুলিকে দেশবিরোধী শক্তি হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। সেবার তিনি নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে অবাধ ও সুষ্ঠু বলে অভিহিত করে ষড়যন্ত্র ও গুজব রটনাকারীদের সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

সোহরাব হাসান মনে করান, রাষ্ট্রপতির পদ বরাবরই বিভিন্ন সরকারের আমলে আজ্ঞাবহ করে রাখা হয়েছে। বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ ছাড়া কোনো রাষ্ট্রপতি নিজের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষার পাশাপাশি সংসদে সরকারি দলের লিখিত ভাষণ পড়ার পাশাপাশি নিজস্ব বক্তব্য তুলে ধরেননি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, একজন আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ রাষ্ট্রপতির মুখে বিএনপির রাজনৈতিক বক্তব্য শোনা যাওয়া বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিষয়টি দেশের রাজনীতি, গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রব্যবস্থার জটিল বাস্তবতাকে তুলে ধরছে। সোহরাব হাসানের দীর্ঘদিনের বিশ্লেষণ সাংবাদিকতা ও কলাম লেখার মাধ্যমে রাজনৈতিক বাস্তবতার নানা প্রশ্ন পাঠকের সামনে স্পষ্টভাবে তুলে আনে।

মূল প্রতিবেদনের লিংক: sukhabor.com⁠

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাষ্ট্রপতির ভাষণে বিএনপির ছায়া, রাজনৈতিক বিতর্কে নতুন মাত্রা !

আপডেট সময় : ১২:১৭:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিস্ট ও Sohrab Hasan-এর মতে, রাষ্ট্রপতি Mohammad Shahabuddin দুই সরকারের আমলে ভিন্ন রূপে আবির্ভূত হয়েছেন। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে তার দেওয়া ভাষণ নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ভাষণে তিনি আওয়ামী লীগের শাসনকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে অভিহিত করেছেন, কিন্তু বিএনপির আমলে সেই রকম মন্তব্য করতে পারেননি।

সোহরাব হাসান বলেন, রাষ্ট্রপতি স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে জিয়াউর রহমানের নাম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন, তবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বা অন্য কোনো নেতার নাম উল্লেখ করেননি। অতীতে বিএনপির রাষ্ট্রপতির মুখে আওয়ামী লীগের সমালোচনা শুনেছি; এবার আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ রাষ্ট্রপতির মুখে বিএনপির রাজনৈতিক বক্তব্যের প্রতিধ্বনি শোনা যাচ্ছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রথা অনুযায়ী সংসদে আনা শোকপ্রস্তাবে যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডিত ব্যক্তিদের নাম অন্তর্ভুক্ত থাকলেও কোনো আপত্তি ওঠেনি। কিন্তু জাতীয় সংগীত বাজানোর সময় বিরোধী দলের কিছু সংসদ সদস্য বসে থাকায় তা রাজনৈতিক ও সামাজিক দিক থেকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
২০২৪ সালের ৩০ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন দ্বাদশ জাতীয় সংসদে বিএনপি ও সহযোগী দলগুলিকে দেশবিরোধী শক্তি হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। সেবার তিনি নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে অবাধ ও সুষ্ঠু বলে অভিহিত করে ষড়যন্ত্র ও গুজব রটনাকারীদের সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

সোহরাব হাসান মনে করান, রাষ্ট্রপতির পদ বরাবরই বিভিন্ন সরকারের আমলে আজ্ঞাবহ করে রাখা হয়েছে। বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ ছাড়া কোনো রাষ্ট্রপতি নিজের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষার পাশাপাশি সংসদে সরকারি দলের লিখিত ভাষণ পড়ার পাশাপাশি নিজস্ব বক্তব্য তুলে ধরেননি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, একজন আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ রাষ্ট্রপতির মুখে বিএনপির রাজনৈতিক বক্তব্য শোনা যাওয়া বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিষয়টি দেশের রাজনীতি, গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রব্যবস্থার জটিল বাস্তবতাকে তুলে ধরছে। সোহরাব হাসানের দীর্ঘদিনের বিশ্লেষণ সাংবাদিকতা ও কলাম লেখার মাধ্যমে রাজনৈতিক বাস্তবতার নানা প্রশ্ন পাঠকের সামনে স্পষ্টভাবে তুলে আনে।

মূল প্রতিবেদনের লিংক: sukhabor.com⁠