ঢাকা ০৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সিলেটে চিকিৎসকের কিশোর ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার শতাব্দী রায়ের বাড়িতে বিদ্রোহীদের বৈঠক, পশ্চিমবঙ্গে তৃনমূলে ভাঙনের ইঙ্গিত !  বিএনপি নেতার ওপর হামলার ঘটনায় সিলেট মহানগর বিএনপির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ আবু তালহা চৌধুরী দ্বিতীয় বারের মত টাওয়ার হ‍্যামলেটস কাউন্সিলের কাউন্সিলার নির্বাচিত পাস কার্ড ইস্যুতে অনিয়ম ও গণবিজ্ঞপ্তি নিয়ে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সমালোচনা সিলেটে ব্যাডমিন্টন তারকাদের সংবর্ধনা, সাফল্যের আড়ালে উঠে এলো অবহেলার গল্প ! আদর্শের ‘গায়েবি’ প্রত্যাবর্তন: ভোলবদলের নতুন বয়ানে সরগরম রাজনীতি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি: স্বাগত জানালো বাংলাদেশ সিলেটে শনিবার শুরু হচ্ছে আঞ্চলিক এসএমই পণ্য মেলা ও কৃষক বাজার “কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ!”—দিনাজপুরে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগ, গ্রেফতার

ডলার সংকটে সার আমদানির দায় পরিশোধ করতে পারছে না কৃষি ব্যাংক ও অগ্রণী ব্যাংক

ডেস্ক রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৫:০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৪ ৩৩২ বার পড়া হয়েছে

ডলার সংকটে এবার সার আমদানি হুমকিতে থাকায়, আসছে বোরো মৌসুমে ইউরিয়ার যোগন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) ও কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) কাছে বকেয়া সাড়ে ১০ কোটি ডলার পরিশোধের তাগিদ দিয়ে চিঠি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও শিল্প সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরকেও এ বিষয়ে জানানো হয়েছে।

দেশে ব্যবহৃত সারের বেশিরভাগই প্রয়োজন হয় বোরো মৌসুমে। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে কেবল ইউরিয়া সারের প্রয়োজন প্রায় ২৭ লাখ টন। এর সিংহভাগই মেটাতে হয় বাইরের দেশগুলো থেকে আমদানি করে। এছাড়া বিদেশি বিনিয়োগের দেশিয় প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানির কাছ থেকেও কিনতে হয় বিদেশি মুদ্রায়।

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য বিসিআইসির মাধ্যমে সরকারিভাবে ৯ লাখ টন আর কাফকো থেকে সাড়ে ৫ লাখ টন ইউরিয়া আমদানির লক্ষ্য নির্ধারণ করে সরকার। আর কাফকোর কাছ থেকে ৫ লাখ টনের মধ্যে ৩ লাখ টনের জন্য এলসি খোলা হয় কৃষি ব্যাংক ও অগ্রণী ব্যাংকে। এসব এলসির বিপরীতে কাফকোর পাওনা সাড়ে ১০ কোটি ডলার। যার বেশিরভাগই কৃষি ব্যাংকের কাছে। এই অর্থ সময় মতো দিতে না পারলে সমস্যা হতে পারে বাকি আড়াই লাখ টনের আমদানি প্রক্রিয়ায়। যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হতে পারে বড় ধরণের হুমকি।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. নাসিরুজ্জামান বলেন, সারের চাহিদা কতটুকু আমরা জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসেই বুঝতে পারবো। আমরা এখন পর্যন্ত কোথাও দেখছি না যে কোনো এলাকায় সারের সংকট তৈরি হয়েছে।

এরই মধ্যে এই বকেয়া পরিশোধের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে অর্থ মন্ত্রণালয় ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ বেশ কয়েকটি দপ্তরে চিঠি দিয়েছে বিসিআইসি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ডলার সংকটে সার আমদানির দায় পরিশোধ করতে পারছে না কৃষি ব্যাংক ও অগ্রণী ব্যাংক

আপডেট সময় : ০৫:০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৪

ডলার সংকটে এবার সার আমদানি হুমকিতে থাকায়, আসছে বোরো মৌসুমে ইউরিয়ার যোগন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) ও কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) কাছে বকেয়া সাড়ে ১০ কোটি ডলার পরিশোধের তাগিদ দিয়ে চিঠি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও শিল্প সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরকেও এ বিষয়ে জানানো হয়েছে।

দেশে ব্যবহৃত সারের বেশিরভাগই প্রয়োজন হয় বোরো মৌসুমে। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে কেবল ইউরিয়া সারের প্রয়োজন প্রায় ২৭ লাখ টন। এর সিংহভাগই মেটাতে হয় বাইরের দেশগুলো থেকে আমদানি করে। এছাড়া বিদেশি বিনিয়োগের দেশিয় প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানির কাছ থেকেও কিনতে হয় বিদেশি মুদ্রায়।

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য বিসিআইসির মাধ্যমে সরকারিভাবে ৯ লাখ টন আর কাফকো থেকে সাড়ে ৫ লাখ টন ইউরিয়া আমদানির লক্ষ্য নির্ধারণ করে সরকার। আর কাফকোর কাছ থেকে ৫ লাখ টনের মধ্যে ৩ লাখ টনের জন্য এলসি খোলা হয় কৃষি ব্যাংক ও অগ্রণী ব্যাংকে। এসব এলসির বিপরীতে কাফকোর পাওনা সাড়ে ১০ কোটি ডলার। যার বেশিরভাগই কৃষি ব্যাংকের কাছে। এই অর্থ সময় মতো দিতে না পারলে সমস্যা হতে পারে বাকি আড়াই লাখ টনের আমদানি প্রক্রিয়ায়। যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হতে পারে বড় ধরণের হুমকি।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. নাসিরুজ্জামান বলেন, সারের চাহিদা কতটুকু আমরা জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসেই বুঝতে পারবো। আমরা এখন পর্যন্ত কোথাও দেখছি না যে কোনো এলাকায় সারের সংকট তৈরি হয়েছে।

এরই মধ্যে এই বকেয়া পরিশোধের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে অর্থ মন্ত্রণালয় ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ বেশ কয়েকটি দপ্তরে চিঠি দিয়েছে বিসিআইসি।