ঢাকা ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিশ হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল, ৩ মাস জেল—ডিসি সারোয়ার আলমের মানবিক উদ্যোগে মুক্তি চা শ্রমিক ঈদে ব্যানার–ফেস্টুনে ভরাবেন না শহর! নগরের সৌন্দর্য রক্ষায় সিসিক প্রশাসকের আহ্বান সিলেটে চাঞ্চল্যকর ঘটনা! ধাওয়া শেষে পুলিশের গালে থাপ্পড়—বেপরোয়া সিএনজি চালক আটক  ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এসএমপির উদ্যোগে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফিরছে মালিকের হাতে ! গণতন্ত্রের নতুন সূর্যোদয়: জাতীয় সংসদে ঐতিহাসিক প্রথম অধিবেশন শুরু সিলেটে চাঞ্চল্যকর ঘটনা! জনসম্মুখে পুলিশকে থাপ্পড়, ভিডিও ভাইরাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন এয়ারপোর্ট থানার অভিযানে ৮০০ লিটার ডিজেল মজুদের অভিযোগে ৩ জন আটক  ভিক্ষুক ও পথশিশুদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ইফতার আয়োজন

সিলেট-১ থেকে মন্ত্রিসভায় যাচ্ছেন মুক্তাদির; জোর আলোচনা !

স্টাফ রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৬:২৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৫৯ বার পড়া হয়েছে

সিলেট-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর-কে ঘিরে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির জোর আলোচনা চলছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে গঠিতব্য মন্ত্রিসভায় তিনি স্থান পাচ্ছেন। তবে তাকে পূর্ণ মন্ত্রী নাকি প্রতিমন্ত্রী করা হবে—সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

দলীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, খন্দকার মুক্তাদিরকে বাণিজ্য, শিল্প কিংবা পরিকল্পনা—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের যেকোনো একটিতে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। বিশেষ করে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে তার নাম আলোচনায় এগিয়ে রয়েছে।

সিলেট-১ আসন দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। অতীতে এ আসন থেকে নির্বাচিত একাধিক সংসদ সদস্য মন্ত্রিত্ব লাভ করেছেন। ফলে এবারের নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পাওয়া মুক্তাদীরকে ঘিরে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে খন্দকার আবদুল মুক্তাদির পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৩৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯৮৩ ভোট। ফলে ৪২ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে তিনি বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

খন্দকার মুক্তাদিরের রাজনৈতিক পরিচয়ের পেছনে রয়েছে পারিবারিক ঐতিহ্য। তার বাবা খন্দকার আব্দুল মালিক ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। তিনি ১৯৭৯, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

জয়ের পর খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর বলেন, তিনি আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ এবং দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি সিলেটবাসীর ভালোবাসার প্রতিদান উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন।

এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আস্থা ও বড় ব্যবধানে বিজয়—এই দুই বিবেচনায় মুক্তাদীরের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি এখন সময়ের অপেক্ষা। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরই স্পষ্ট হবে তার দায়িত্বের পরিধি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেট-১ থেকে মন্ত্রিসভায় যাচ্ছেন মুক্তাদির; জোর আলোচনা !

আপডেট সময় : ০৬:২৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সিলেট-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর-কে ঘিরে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির জোর আলোচনা চলছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে গঠিতব্য মন্ত্রিসভায় তিনি স্থান পাচ্ছেন। তবে তাকে পূর্ণ মন্ত্রী নাকি প্রতিমন্ত্রী করা হবে—সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

দলীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, খন্দকার মুক্তাদিরকে বাণিজ্য, শিল্প কিংবা পরিকল্পনা—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের যেকোনো একটিতে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। বিশেষ করে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে তার নাম আলোচনায় এগিয়ে রয়েছে।

সিলেট-১ আসন দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। অতীতে এ আসন থেকে নির্বাচিত একাধিক সংসদ সদস্য মন্ত্রিত্ব লাভ করেছেন। ফলে এবারের নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পাওয়া মুক্তাদীরকে ঘিরে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে খন্দকার আবদুল মুক্তাদির পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৩৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯৮৩ ভোট। ফলে ৪২ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে তিনি বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

খন্দকার মুক্তাদিরের রাজনৈতিক পরিচয়ের পেছনে রয়েছে পারিবারিক ঐতিহ্য। তার বাবা খন্দকার আব্দুল মালিক ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। তিনি ১৯৭৯, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

জয়ের পর খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর বলেন, তিনি আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ এবং দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি সিলেটবাসীর ভালোবাসার প্রতিদান উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন।

এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আস্থা ও বড় ব্যবধানে বিজয়—এই দুই বিবেচনায় মুক্তাদীরের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি এখন সময়ের অপেক্ষা। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরই স্পষ্ট হবে তার দায়িত্বের পরিধি।