ঢাকা ০৭:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিশ হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল, ৩ মাস জেল—ডিসি সারোয়ার আলমের মানবিক উদ্যোগে মুক্তি চা শ্রমিক ঈদে ব্যানার–ফেস্টুনে ভরাবেন না শহর! নগরের সৌন্দর্য রক্ষায় সিসিক প্রশাসকের আহ্বান সিলেটে চাঞ্চল্যকর ঘটনা! ধাওয়া শেষে পুলিশের গালে থাপ্পড়—বেপরোয়া সিএনজি চালক আটক  ত্রয়োদশ সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এসএমপির উদ্যোগে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফিরছে মালিকের হাতে ! গণতন্ত্রের নতুন সূর্যোদয়: জাতীয় সংসদে ঐতিহাসিক প্রথম অধিবেশন শুরু সিলেটে চাঞ্চল্যকর ঘটনা! জনসম্মুখে পুলিশকে থাপ্পড়, ভিডিও ভাইরাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন এয়ারপোর্ট থানার অভিযানে ৮০০ লিটার ডিজেল মজুদের অভিযোগে ৩ জন আটক  ভিক্ষুক ও পথশিশুদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ইফতার আয়োজন

সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট সময় : ১২:৩৪:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৬১ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র মনোনয়িত সংসদ সদস্য খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আজ সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনের নির্বাচিত সদস্য হিসেবে জাতীয় সংসদে শপথ গ্রহণ করেছেন।

খন্দকার মুক্তাদির একজন সফল ব্যবসায়ী নেতা ও রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত, যিনি রাজনীতি ও অর্থনীতির মেলবন্ধন দিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার আহমদপুর গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর পিতা, প্রয়াত খন্দকার আব্দুল মালিক, ছিলেন বিএনপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং সিলেটের চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রতিষ্ঠাতা।

শিক্ষাজীবনে সিলেট ক্যাডেট কলেজ থেকে শিক্ষা লাভের পর, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসন (ফিন্যান্স) এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও কলা বিভাগে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

রাজনীতিতে মুক্তাদির দীর্ঘ অভিজ্ঞতার অধিকারী। ২০১৬ সাল থেকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২০২৬ সালের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এই আসনের নির্বাচিত সদস্য হিসেবে বিজয়ী হন।

মুক্তাদির ব্যবসা ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পোশাক ও উৎপাদন শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশ টেরি টাওয়েল অ্যান্ড লিনেন ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক এবং তুরস্ক-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক।

সিলেটের মানুষের সাথে নিবিড় সম্পর্ক, জাতীয় পর্যায়ে নীতি-নির্ধারণে দক্ষতা এবং বেসরকারি খাতের উন্নয়নে অবদানের কারণে খন্দকার মুক্তাদিরকে ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতিশীল নেতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

আপডেট সময় : ১২:৩৪:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র মনোনয়িত সংসদ সদস্য খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আজ সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনের নির্বাচিত সদস্য হিসেবে জাতীয় সংসদে শপথ গ্রহণ করেছেন।

খন্দকার মুক্তাদির একজন সফল ব্যবসায়ী নেতা ও রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত, যিনি রাজনীতি ও অর্থনীতির মেলবন্ধন দিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার আহমদপুর গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর পিতা, প্রয়াত খন্দকার আব্দুল মালিক, ছিলেন বিএনপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং সিলেটের চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রতিষ্ঠাতা।

শিক্ষাজীবনে সিলেট ক্যাডেট কলেজ থেকে শিক্ষা লাভের পর, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসন (ফিন্যান্স) এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও কলা বিভাগে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

রাজনীতিতে মুক্তাদির দীর্ঘ অভিজ্ঞতার অধিকারী। ২০১৬ সাল থেকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২০২৬ সালের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এই আসনের নির্বাচিত সদস্য হিসেবে বিজয়ী হন।

মুক্তাদির ব্যবসা ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পোশাক ও উৎপাদন শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশ টেরি টাওয়েল অ্যান্ড লিনেন ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি, ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক এবং তুরস্ক-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক।

সিলেটের মানুষের সাথে নিবিড় সম্পর্ক, জাতীয় পর্যায়ে নীতি-নির্ধারণে দক্ষতা এবং বেসরকারি খাতের উন্নয়নে অবদানের কারণে খন্দকার মুক্তাদিরকে ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতিশীল নেতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।