ঢাকা ০৬:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সিলেটে চিকিৎসকের কিশোর ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার শতাব্দী রায়ের বাড়িতে বিদ্রোহীদের বৈঠক, পশ্চিমবঙ্গে তৃনমূলে ভাঙনের ইঙ্গিত !  বিএনপি নেতার ওপর হামলার ঘটনায় সিলেট মহানগর বিএনপির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ আবু তালহা চৌধুরী দ্বিতীয় বারের মত টাওয়ার হ‍্যামলেটস কাউন্সিলের কাউন্সিলার নির্বাচিত পাস কার্ড ইস্যুতে অনিয়ম ও গণবিজ্ঞপ্তি নিয়ে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সমালোচনা সিলেটে ব্যাডমিন্টন তারকাদের সংবর্ধনা, সাফল্যের আড়ালে উঠে এলো অবহেলার গল্প ! আদর্শের ‘গায়েবি’ প্রত্যাবর্তন: ভোলবদলের নতুন বয়ানে সরগরম রাজনীতি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি: স্বাগত জানালো বাংলাদেশ সিলেটে শনিবার শুরু হচ্ছে আঞ্চলিক এসএমই পণ্য মেলা ও কৃষক বাজার “কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ!”—দিনাজপুরে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগ, গ্রেফতার

মার্কিন আল ধাফরা বিমানঘাঁটির গোলাবারুদ ডিপোতে হামলার দাবি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০১:০২:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬ ১৪৭ বার পড়া হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল ধাফরা বিমানঘাঁটির একটি প্রধান গোলাবারুদ সংরক্ষণাগারে হামলা চালিয়েছে।

ইরানের আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার প্রতিশোধমূলক ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস-৪’-এর অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে।

আইআরজিসির প্রকাশিত ৪১তম বিবৃতিতে দাবি করা হয়, তাদের নৌবাহিনী একটি “নিখুঁত ও ধ্বংসাত্মক” অভিযান পরিচালনা করে, যা সরাসরি মার্কিন বাহিনীর আল ধাফরা ঘাঁটির কেন্দ্রীয় গোলাবারুদ ডিপোতে আঘাত হানে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হামলার পর ঘাঁটিতে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে এবং পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় সেখানে জরুরি উচ্ছেদের নির্দেশ দেওয়া হয় বলে দাবি করেছে আইআরজিসি। একই সঙ্গে বলা হয়, হামলার পর মার্কিন বাহিনী তাদের যুদ্ধবিমানগুলোকে আল ধাফরা ঘাঁটি থেকে সরিয়ে অন্য নিরাপদ ঘাঁটিতে স্থানান্তর করতে বাধ্য হয়েছে।

তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইরানের দাবি অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনি এবং কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার ও বেসামরিক নাগরিককে হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। এরপর ইরানজুড়ে বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়, যাতে উল্লেখযোগ্য প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তেহরানের অভিযোগ।

এরই প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে ইসরাইলের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে পাল্টা অভিযান চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি।

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের পাল্টাপাল্টি হামলা মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মার্কিন আল ধাফরা বিমানঘাঁটির গোলাবারুদ ডিপোতে হামলার দাবি ইরানের

আপডেট সময় : ০১:০২:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল ধাফরা বিমানঘাঁটির একটি প্রধান গোলাবারুদ সংরক্ষণাগারে হামলা চালিয়েছে।

ইরানের আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার প্রতিশোধমূলক ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস-৪’-এর অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে।

আইআরজিসির প্রকাশিত ৪১তম বিবৃতিতে দাবি করা হয়, তাদের নৌবাহিনী একটি “নিখুঁত ও ধ্বংসাত্মক” অভিযান পরিচালনা করে, যা সরাসরি মার্কিন বাহিনীর আল ধাফরা ঘাঁটির কেন্দ্রীয় গোলাবারুদ ডিপোতে আঘাত হানে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হামলার পর ঘাঁটিতে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে এবং পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় সেখানে জরুরি উচ্ছেদের নির্দেশ দেওয়া হয় বলে দাবি করেছে আইআরজিসি। একই সঙ্গে বলা হয়, হামলার পর মার্কিন বাহিনী তাদের যুদ্ধবিমানগুলোকে আল ধাফরা ঘাঁটি থেকে সরিয়ে অন্য নিরাপদ ঘাঁটিতে স্থানান্তর করতে বাধ্য হয়েছে।

তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইরানের দাবি অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনি এবং কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার ও বেসামরিক নাগরিককে হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। এরপর ইরানজুড়ে বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়, যাতে উল্লেখযোগ্য প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তেহরানের অভিযোগ।

এরই প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে ইসরাইলের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে পাল্টা অভিযান চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি।

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের পাল্টাপাল্টি হামলা মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেতে পারে।