ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জমকালো আয়োজনে শ্রীমঙ্গলে অনুষ্ঠিত হলো এসবিএ’র ব্যান্ড ফেস্টিভ্যাল-১০  আগামীকাল ২৫ এপ্রিল বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সিলেট জেলা শাখার অভিষেক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীর সাথে ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ দূতাবাসের পদক্ষেপে মিয়ানমারের কারাগার থেকে ফিরছেন ১৭৩ বাংলাদেশি সুনামগঞ্জে ৭ এপিবিএন এর অভিযানে ১টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ একজন আটক সদর উপজেলা নির্বাচনে অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিকের নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন মেলান্দহে ট্রাক ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে সাত বৎসরের এক শিশু নিহত সিলেটে ডিবি পুলিশের অভিযানে জুয়া খেলার সামগ্রীসহ ১০ জন জুয়ারী গ্রেফতার সিলেটে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ১ জন আটক লালাবাজার বিদ্যালয় ও কলেজের ‘রূপকল্প ২০৩০’ প্রণয়নে সুধীজনের মতবিনিময়

ময়মনসিংহে সৎ ছেলের কোমরের বেল্টের আঘাতে বাবার মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪ ৯৮ বার পড়া হয়েছে
Spread the love

ময়মনসিংহে সৎ ছেলের কোমরের বেল্টের আঘাতে জুলকাস উদ্দিন (৫২) নামে ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে ছেলে ফয়সাল আহমেদ (২৫) পলাতক রয়েছে।

শনিবার (৩০ মার্চ) সকাল ১০ টার দিকে নগরীর ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কালিবাড়ি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত জুলকাস নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া নেয়ামত মন্ডলের বাড়ির ফয়জুদ্দিনের ছেলে। জুলকাস দ্বিতীয় বিয়ে করার পর থেকে কালিবাড়িতে বসবাস করতেন।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন জানান, নিহত জুলকাস দুই বিয়ে করেছেন। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর সে দুই ছেলেসহ (সৎ) ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের খোরশেদা বেগমকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে সে খোরশেদা খাতুনের বাড়িতে বসবাস করতেন। খোরশেদা খাতুনের ঘরে জুলকাসের ঔরসজাত কোনো সন্তান ছিল না। প্রথম স্ত্রীর ঘরে ৪ মেয়ে আছে। তারা ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া নেয়ামত মন্ডলের বাড়িতে বসবাস করেন। নিহত জুলকাস ওয়েল্ডিং’র দোকানে মিস্ত্রী হিসাবে কাজ করতেন। সেখান থেকে জুলকাস ৭০ হাজার টাকা পান।

ঘটনার দিন সকালে খোরশেদা বেগমের ছোট ছেলে মায়ের কাছে ওই ৭০ হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে মারধর করার হুমকি দেয়। তখন জুলকাস ঘর থেকে বের হয়ে বলে তোর মাকে না মেরে পারলে আমাকে মার। তখন ফয়সাল কোমরের বেল্ট দিয়ে মাথায় আঘাত করে। আঘাত কানের উপরে লাগে। এরপর জুলকাস হেঁটে কয়েকগজ যেতেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ফয়সাল পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

কোতোয়ালী মডেল উপ-পরিদর্শক ওয়াসিম কুমার বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বাবা ছেলে দু’জনই মাদকাসক্ত ছিল। ছেলে ফয়সালের নামে আগের আরও দুটি মামলা রয়েছে।

এদিকে ওসি মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন বলেন, ঘটনার পর থেকে ছেলে ফয়সাল পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ময়মনসিংহে সৎ ছেলের কোমরের বেল্টের আঘাতে বাবার মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৯:৪৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪
Spread the love

ময়মনসিংহে সৎ ছেলের কোমরের বেল্টের আঘাতে জুলকাস উদ্দিন (৫২) নামে ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে ছেলে ফয়সাল আহমেদ (২৫) পলাতক রয়েছে।

শনিবার (৩০ মার্চ) সকাল ১০ টার দিকে নগরীর ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কালিবাড়ি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত জুলকাস নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া নেয়ামত মন্ডলের বাড়ির ফয়জুদ্দিনের ছেলে। জুলকাস দ্বিতীয় বিয়ে করার পর থেকে কালিবাড়িতে বসবাস করতেন।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন জানান, নিহত জুলকাস দুই বিয়ে করেছেন। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর সে দুই ছেলেসহ (সৎ) ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের খোরশেদা বেগমকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে সে খোরশেদা খাতুনের বাড়িতে বসবাস করতেন। খোরশেদা খাতুনের ঘরে জুলকাসের ঔরসজাত কোনো সন্তান ছিল না। প্রথম স্ত্রীর ঘরে ৪ মেয়ে আছে। তারা ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া নেয়ামত মন্ডলের বাড়িতে বসবাস করেন। নিহত জুলকাস ওয়েল্ডিং’র দোকানে মিস্ত্রী হিসাবে কাজ করতেন। সেখান থেকে জুলকাস ৭০ হাজার টাকা পান।

ঘটনার দিন সকালে খোরশেদা বেগমের ছোট ছেলে মায়ের কাছে ওই ৭০ হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে মারধর করার হুমকি দেয়। তখন জুলকাস ঘর থেকে বের হয়ে বলে তোর মাকে না মেরে পারলে আমাকে মার। তখন ফয়সাল কোমরের বেল্ট দিয়ে মাথায় আঘাত করে। আঘাত কানের উপরে লাগে। এরপর জুলকাস হেঁটে কয়েকগজ যেতেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ফয়সাল পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

কোতোয়ালী মডেল উপ-পরিদর্শক ওয়াসিম কুমার বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বাবা ছেলে দু’জনই মাদকাসক্ত ছিল। ছেলে ফয়সালের নামে আগের আরও দুটি মামলা রয়েছে।

এদিকে ওসি মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন বলেন, ঘটনার পর থেকে ছেলে ফয়সাল পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।