ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কোম্পানীগঞ্জে শাহীন হত্যার মুল আসামীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে- সংবাদ সম্মেলনে নিহতের ভাই

তারেক আহমদ খান
  • আপডেট সময় : ০৬:১২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ মে ২০২৪ ২০২ বার পড়া হয়েছে
Spread the love

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ব্যবসায়ী শাহীন আহমদকে হত্যার পরও মুল আসামীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেছেন নিহতের ভাই শামীম আহমদ।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, হত্যাকারীরা বর্তমানে আমাকেও হত্যার হুমকি দিচ্ছে। এদের হাত অনেক লম্বা। আমরা গোটা পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছি। এসময় নিহত শাহীন আহমদের বোন কান্নাজড়িত কন্ঠে ভাই হত্যার বিচার চান।

মঙ্গল বার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইছাকলস নিজগাও গ্রামের ব্যবসায়ী শাহীন আহমদ হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতারের দাবীতে পরিবারের পক্ষ থেকে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিহত শাহীন আহমদের ভাই ও মামলার বাদী শামীম আহমদ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন নিহতের বোন শামীমা আক্তার, নিহতের চাচা আমির আলী ও মামাতো ভাই রিপন আহমদ।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত ১১ এপ্রিল ঈদের দিনে সন্ত্রাসীরা ঘোষণা দিয়ে শাহীনকে নির্মমভাবে হত্যা করে। হত্যাকান্ডের ২০ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও রহস্যজনক কারণে মামলার মূল আসামীদের গ্রেফতারে অসহযোগিতা ও গড়িমসি করছে স্হানীয় পুলিশ প্রশাসন। তাই নিরুপায় হয়ে খুনীদের গ্রেফতরের জন্য সংবাদ সম্মেলন করতে হচ্ছে।

লিখিত বক্তব্যে শামীম আহমদ বলেন, গত ১১ এপ্রিল বৃহস্পতিবার, পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিবাগত রাত পৌণে আটটায় সংঘবদ্ধ একটি সন্ত্রাসীচক্র কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইছাকলস নিজগাও গ্রামের পাকা সড়কের উপরে প্রকাশ্যে আমার ছোট ভাই রাজধানী ঢাকার ইলেকট্রিক ব্যবসায়ী শাহীন আহমদকে নির্মমভাবে হত্যা করে। হত্যাকান্ডের মাসখানেক আগে থেকে সন্ত্রাসীরা আমাকে ও আমার ভাইকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিলো।

তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসী চক্রের ক্রমাগত হুমকিধামকি এবং এর প্রেক্ষিতে ঢাকায় ও সিলেটে একাধিক থানায় জিডি করার পরেও আইনের তোয়াক্কা না করে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে আমার ভাইকে প্রাণে মেরে ফেলে। ঘটনার ১৯ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর পুলিশ এক আসামীকে গ্রেফতার করে এবং র‌্যাব কর্তৃক এক আসামী গ্রেফতার হয়। কিন্তু মামলার মুল আসামীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে।

লিখিত বক্তব্যে শামীম আহমদ আরো বলেন, ১৫ এপ্রিল কোম্পানীগঞ্জ থানায় আমি বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করি। পুলিশ মূল আসামী আনোয়ার ও শাহেদকে গ্রেফতার করতে গড়িমসি করছে। এই আসামীদের সঠিক অবস্থান পুলিশকে জানানোর পরও রহস্যজনক কারণে তাদেরকে গ্রেফতার করতে পুলিশ কোনো তৎপরতা চালাচ্ছে না।

সংবাদ সম্মেলনে তারা ভাড়াটে সন্ত্রাসী মরম আলী সহ হত্যার সাথে জড়িত সকল আসামীকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কোম্পানীগঞ্জে শাহীন হত্যার মুল আসামীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে- সংবাদ সম্মেলনে নিহতের ভাই

আপডেট সময় : ০৬:১২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ মে ২০২৪
Spread the love

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ব্যবসায়ী শাহীন আহমদকে হত্যার পরও মুল আসামীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেছেন নিহতের ভাই শামীম আহমদ।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, হত্যাকারীরা বর্তমানে আমাকেও হত্যার হুমকি দিচ্ছে। এদের হাত অনেক লম্বা। আমরা গোটা পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছি। এসময় নিহত শাহীন আহমদের বোন কান্নাজড়িত কন্ঠে ভাই হত্যার বিচার চান।

মঙ্গল বার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইছাকলস নিজগাও গ্রামের ব্যবসায়ী শাহীন আহমদ হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতারের দাবীতে পরিবারের পক্ষ থেকে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিহত শাহীন আহমদের ভাই ও মামলার বাদী শামীম আহমদ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন নিহতের বোন শামীমা আক্তার, নিহতের চাচা আমির আলী ও মামাতো ভাই রিপন আহমদ।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত ১১ এপ্রিল ঈদের দিনে সন্ত্রাসীরা ঘোষণা দিয়ে শাহীনকে নির্মমভাবে হত্যা করে। হত্যাকান্ডের ২০ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও রহস্যজনক কারণে মামলার মূল আসামীদের গ্রেফতারে অসহযোগিতা ও গড়িমসি করছে স্হানীয় পুলিশ প্রশাসন। তাই নিরুপায় হয়ে খুনীদের গ্রেফতরের জন্য সংবাদ সম্মেলন করতে হচ্ছে।

লিখিত বক্তব্যে শামীম আহমদ বলেন, গত ১১ এপ্রিল বৃহস্পতিবার, পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিবাগত রাত পৌণে আটটায় সংঘবদ্ধ একটি সন্ত্রাসীচক্র কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইছাকলস নিজগাও গ্রামের পাকা সড়কের উপরে প্রকাশ্যে আমার ছোট ভাই রাজধানী ঢাকার ইলেকট্রিক ব্যবসায়ী শাহীন আহমদকে নির্মমভাবে হত্যা করে। হত্যাকান্ডের মাসখানেক আগে থেকে সন্ত্রাসীরা আমাকে ও আমার ভাইকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিলো।

তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসী চক্রের ক্রমাগত হুমকিধামকি এবং এর প্রেক্ষিতে ঢাকায় ও সিলেটে একাধিক থানায় জিডি করার পরেও আইনের তোয়াক্কা না করে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে আমার ভাইকে প্রাণে মেরে ফেলে। ঘটনার ১৯ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর পুলিশ এক আসামীকে গ্রেফতার করে এবং র‌্যাব কর্তৃক এক আসামী গ্রেফতার হয়। কিন্তু মামলার মুল আসামীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে।

লিখিত বক্তব্যে শামীম আহমদ আরো বলেন, ১৫ এপ্রিল কোম্পানীগঞ্জ থানায় আমি বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করি। পুলিশ মূল আসামী আনোয়ার ও শাহেদকে গ্রেফতার করতে গড়িমসি করছে। এই আসামীদের সঠিক অবস্থান পুলিশকে জানানোর পরও রহস্যজনক কারণে তাদেরকে গ্রেফতার করতে পুলিশ কোনো তৎপরতা চালাচ্ছে না।

সংবাদ সম্মেলনে তারা ভাড়াটে সন্ত্রাসী মরম আলী সহ হত্যার সাথে জড়িত সকল আসামীকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান।