ঢাকা ০৮:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সিলেট-১ থেকে মন্ত্রিসভায় যাচ্ছেন মুক্তাদির; জোর আলোচনা ! ঐক্যের সিলেট গড়ার প্রত্যয়: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে জাতীয়তাবাদী উন্মুক্ত মঞ্চের মতবিনিময় গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান : প্রধান তথ্য অফিসার সিলেটে অপপ্রচার, ভোট কেনা ও কেন্দ্র দখলের প্রস্তুতির অভিযোগ বিএনপির বিগত ১৭ বছরে জৈন্তাপুরে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি: আরিফুল হক চৌধুরী ইমাম-মুয়াজ্জিনদের হাদিয়া বৃদ্ধি ও মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে: খন্দকার মুক্তাদির সিলেট প্রেসক্লাবে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের সঙ্গে মতবিনিময়, গণতন্ত্র ও নির্বাচন নিয়ে আলোচনা রাজনীতির আড়ালে কোটি টাকার খেলা; নাহিদ ইসলামকে ঘিরে সুরভীর চাঞ্চল্যকর অভিযোগ ! সিলেটে আক্রমণাত্মক অবস্থানে বিএনপি–জামায়াত: ১, ২, ৩, ৪ ও ৬ আসনে বিএনপি শক্ত অবস্থানে সিলেটের তেমুখিতে তিন গ্রামের সংঘর্ষ, আহত ১৫ জন

আওয়ামীলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে ‘ধর্ষণের অভিযোগ নেই’- মেঘালয় পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৬:২৩:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৪ ২০৭ বার পড়া হয়েছে

ভারতের উত্তরপূর্ব রাজ্য মেঘালয়ের পুলিশ বলছে যে তাদের রাজ্যের একটি ফৌজদারি মামলায় পালিয়ে থাকা চারজন বাংলাদেশিকে কলকাতা থেকে তারা গ্রেফতার করে নিয়ে এসেছে। এরা সবাই বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের রাজনীতির সাথে জড়িত।

তবে এদের বিরুদ্ধে মেঘালয়ে ধর্ষণের অভিযোগ আছে বলে যে খবর রটেছে, তা সঠিক নয় বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন মেঘালয় পুলিশের মহাপরিচালক ইদাশিশা নংরাং।

মেঘালয়ের স্থানীয় সূত্রগুলি জানিয়েছে ডাউকি সীমান্তে ট্রাক চালকদের সঙ্গে অক্টোবর মাসে হাতাহাতির ঘটনায় অভিযুক্ত হন ধৃত চারজন।

তারা হলেন, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন খান, সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান (মুক্তি), সহসভাপতি আবদুল লতিফ (রিপন) ও সদস্য ইলিয়াস হোসেন (জুয়েল)।

কলকাতা লাগোয়া বিধাননগর পুলিশের সহায়তায় মেঘালয় পুলিশ ওই চারজনকে রবিবার গ্রেফতার করে।

বিধাননগর পুলিশের সূত্রগুলি জানিয়েছে, পাঁচ অগাস্টের পর তারা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতের মেঘালয়ে বসবাস করছিলেন বলে মেঘালয় পুলিশের কাছ থেকে তারা জানতে পেরেছে।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ডাউকি থানার একটি মামলায় অভিযুক্ত ওই চারজন কলকাতা লাগোয়া নিউটাউন এলাকার একটি আবাসনে আশ্রয় নিয়েছিলেন। রবিবার সেখান থেকে তাদের গ্রেফতার করে শিলংয়ে আনা হয়েছে বলে মেঘালয় পুলিশ জানিয়েছে।

মেঘালয় পুলিশের মহাপরিচালক মিজ নংরাং বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, ওই চারজনের বিরুদ্ধে ডাউকি থানার একটা মামলা ছিল। কোনও ধর্ষণের অভিযোগ নেই এদের বিরুদ্ধে। ডাউকি থানায় এদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার চারটি ধারা এবং বিদেশি আইনের ১৪ নম্বর ধারায় অভিযোগ ছিল। সেই মামলাতেই কলকাতা থেকে এদের গ্রেফতার করে আনা হয়েছে।

যেসব ধারায় ধৃত চারজনের বিরুদ্ধে মামলা আছে সেগুলি মূলত অস্ত্র দিয়ে হামলা (আগ্নেয়াস্ত্র নয়), হামলার জন্য জমায়েত হওয়া, এক লক্ষ টাকার কম পরিমাণ আর্থিক ক্ষতিসাধনের মতো অভিযোগ। এছাড়া অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের মামলাও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আওয়ামীলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে ‘ধর্ষণের অভিযোগ নেই’- মেঘালয় পুলিশ

আপডেট সময় : ০৬:২৩:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৪

ভারতের উত্তরপূর্ব রাজ্য মেঘালয়ের পুলিশ বলছে যে তাদের রাজ্যের একটি ফৌজদারি মামলায় পালিয়ে থাকা চারজন বাংলাদেশিকে কলকাতা থেকে তারা গ্রেফতার করে নিয়ে এসেছে। এরা সবাই বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের রাজনীতির সাথে জড়িত।

তবে এদের বিরুদ্ধে মেঘালয়ে ধর্ষণের অভিযোগ আছে বলে যে খবর রটেছে, তা সঠিক নয় বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন মেঘালয় পুলিশের মহাপরিচালক ইদাশিশা নংরাং।

মেঘালয়ের স্থানীয় সূত্রগুলি জানিয়েছে ডাউকি সীমান্তে ট্রাক চালকদের সঙ্গে অক্টোবর মাসে হাতাহাতির ঘটনায় অভিযুক্ত হন ধৃত চারজন।

তারা হলেন, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন খান, সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান (মুক্তি), সহসভাপতি আবদুল লতিফ (রিপন) ও সদস্য ইলিয়াস হোসেন (জুয়েল)।

কলকাতা লাগোয়া বিধাননগর পুলিশের সহায়তায় মেঘালয় পুলিশ ওই চারজনকে রবিবার গ্রেফতার করে।

বিধাননগর পুলিশের সূত্রগুলি জানিয়েছে, পাঁচ অগাস্টের পর তারা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতের মেঘালয়ে বসবাস করছিলেন বলে মেঘালয় পুলিশের কাছ থেকে তারা জানতে পেরেছে।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ডাউকি থানার একটি মামলায় অভিযুক্ত ওই চারজন কলকাতা লাগোয়া নিউটাউন এলাকার একটি আবাসনে আশ্রয় নিয়েছিলেন। রবিবার সেখান থেকে তাদের গ্রেফতার করে শিলংয়ে আনা হয়েছে বলে মেঘালয় পুলিশ জানিয়েছে।

মেঘালয় পুলিশের মহাপরিচালক মিজ নংরাং বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, ওই চারজনের বিরুদ্ধে ডাউকি থানার একটা মামলা ছিল। কোনও ধর্ষণের অভিযোগ নেই এদের বিরুদ্ধে। ডাউকি থানায় এদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার চারটি ধারা এবং বিদেশি আইনের ১৪ নম্বর ধারায় অভিযোগ ছিল। সেই মামলাতেই কলকাতা থেকে এদের গ্রেফতার করে আনা হয়েছে।

যেসব ধারায় ধৃত চারজনের বিরুদ্ধে মামলা আছে সেগুলি মূলত অস্ত্র দিয়ে হামলা (আগ্নেয়াস্ত্র নয়), হামলার জন্য জমায়েত হওয়া, এক লক্ষ টাকার কম পরিমাণ আর্থিক ক্ষতিসাধনের মতো অভিযোগ। এছাড়া অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের মামলাও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা