ঢাকা ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আদর্শের ‘গায়েবি’ প্রত্যাবর্তন: ভোলবদলের নতুন বয়ানে সরগরম রাজনীতি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি: স্বাগত জানালো বাংলাদেশ সিলেটে শনিবার শুরু হচ্ছে আঞ্চলিক এসএমই পণ্য মেলা ও কৃষক বাজার “কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ!”—দিনাজপুরে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগ, গ্রেফতার ভাইরাল ভিডিও থেকে নতুন জীবনের আলো—শিশু ফাইজা পেল পুনর্বাসনের হাতছানি ! ইমদাদ চৌধুরীর ক্ষোভ—প্রস্তুতি সভায় নিজের আসন সংরক্ষিত না থাকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ! যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সাথে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংস্কারে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর ‘নবীন ফ্যাশন’ বন্ধে ওসিকে তলব, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোকান খুলতে নির্দেশ রাব্বানী–সাদিকের পুরনো টেক্সট ভাইরাল, সামাজিক মাধ্যমে তুমুল আলোচনা

বিপিএল এর কনসার্ট বয়কট করলেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কয়েস লোদী

ডেস্ক রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৭:৫০:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ ২০৪ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসরকে নামনে রেখে সিলেটে জেলা স্টেডিয়ামে বিপিএল মিউজিক ফেস্ট। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কনসার্টে বিগত ১৬ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে এবং জুলাই বিপ্লবের ১০০ জন আহত যুদ্ধাদের অনুষ্ঠানে সম্মাজনক ভাবে দাওয়াত দিয়ে আনার সিদ্ধান্ত হলেও শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন হয়নি। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়েছেন জুলাই বিপ্লবের আহত যুদ্ধারা সহ খোদ মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি।

এই ক্ষোভ থেকে অনুষ্ঠানটি বর্জন করেছেন সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আব্দুল আহাদ খান জামাল, জুলাই বিপ্লবে পুলিশের গুলিতে চোখ হারানো নেতা আব্দুস সালাম টিপু। বিষয়টি নিয়ে সিলেটজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হেয়ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিগত দিনের আন্দোলন ও সংগ্রামে শহীদ পরিবার এবং আহতদেরকে যথাযত মূল্যায়ন না করায় কনসার্ট বয়কট করেছেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। কনসার্ট আয়োজনে অব্যবস্থাপনা, জুলাই বিপ্লবে শহীদ পরিবার এবং আন্দোলনে অঙ্গ হারানো ও আহত নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করার কারনেই তিনি অনুষ্ঠানটি বর্জন করেছেন বলে জানিয়েছে তার ঘনিষ্ট সূত্র।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী আজকের সিলেটকে বলেন, বিগত দিনে আন্দোলন ও সংগ্রামে নিহত শহীদ পরিবার, আহত, অঙ্গ হারানো এবং নির্যাতিত নেতাকর্মীরা আমার কাছে কনসার্টের টিকেটের জন্য আমাকে বার বার আসছেন, আমি তাদেরকে পাস দিতে পারি নাই। তাই আমার কাছে মনে হয়েছে, যারা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে আজকের এই পরিবেশ তৈরি করল, তাদেরকে উপেক্ষিত রেখে আমার পক্ষে এই কনসার্টে যাওয়া শোভনীয় নয়। ভবিষ্যতে এই ধরনের আয়োজনে নির্যাতিত এবং নীপিড়িত নেতাকর্মীদের যেন অগ্রাধীকার দেয়ার জন্য যথাযত কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিপিএল এর কনসার্ট বয়কট করলেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কয়েস লোদী

আপডেট সময় : ০৭:৫০:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসরকে নামনে রেখে সিলেটে জেলা স্টেডিয়ামে বিপিএল মিউজিক ফেস্ট। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কনসার্টে বিগত ১৬ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে এবং জুলাই বিপ্লবের ১০০ জন আহত যুদ্ধাদের অনুষ্ঠানে সম্মাজনক ভাবে দাওয়াত দিয়ে আনার সিদ্ধান্ত হলেও শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন হয়নি। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়েছেন জুলাই বিপ্লবের আহত যুদ্ধারা সহ খোদ মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি।

এই ক্ষোভ থেকে অনুষ্ঠানটি বর্জন করেছেন সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আব্দুল আহাদ খান জামাল, জুলাই বিপ্লবে পুলিশের গুলিতে চোখ হারানো নেতা আব্দুস সালাম টিপু। বিষয়টি নিয়ে সিলেটজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হেয়ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিগত দিনের আন্দোলন ও সংগ্রামে শহীদ পরিবার এবং আহতদেরকে যথাযত মূল্যায়ন না করায় কনসার্ট বয়কট করেছেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। কনসার্ট আয়োজনে অব্যবস্থাপনা, জুলাই বিপ্লবে শহীদ পরিবার এবং আন্দোলনে অঙ্গ হারানো ও আহত নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করার কারনেই তিনি অনুষ্ঠানটি বর্জন করেছেন বলে জানিয়েছে তার ঘনিষ্ট সূত্র।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী আজকের সিলেটকে বলেন, বিগত দিনে আন্দোলন ও সংগ্রামে নিহত শহীদ পরিবার, আহত, অঙ্গ হারানো এবং নির্যাতিত নেতাকর্মীরা আমার কাছে কনসার্টের টিকেটের জন্য আমাকে বার বার আসছেন, আমি তাদেরকে পাস দিতে পারি নাই। তাই আমার কাছে মনে হয়েছে, যারা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে আজকের এই পরিবেশ তৈরি করল, তাদেরকে উপেক্ষিত রেখে আমার পক্ষে এই কনসার্টে যাওয়া শোভনীয় নয়। ভবিষ্যতে এই ধরনের আয়োজনে নির্যাতিত এবং নীপিড়িত নেতাকর্মীদের যেন অগ্রাধীকার দেয়ার জন্য যথাযত কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।