ঢাকা ১০:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
“সাংবাদিক পরিচয়েই মরতে চাই” — তথ্য মন্ত্রণালয় নিয়ে বিস্ফোরক মত মতিউর রহমান চৌধুরীর প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূসের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ বরিশালে গ্রেপ্তারের আগে দুই সন্দেহভাজন আওয়ামী লীগ কর্মীকে মারধর সিলেট মহানগর বিএনপির শোক ও কর্মসূচী সাংবাদিক আনিস রহমানের মাতৃবিয়োগে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের শোক সিলেট আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদকের পিতার মৃত্যুতে খন্দকার মুক্তাদিরের শোক বিজয় দিবসে শাহী ঈদগাহ যুব ও ক্রীড়া পরিষদের উদ্যোগে উৎসবমুখর ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের অভিযানে ২৭ রাউন্ড কার্তুজসহ ২ জন গ্রেফতার দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় কোতোয়ালী থানার স্বেচ্ছাসেবক দলের মানবিক কার্যক্রম তারেক রহমান দেশে না ফিরলেও নির্বাচন স্থগিত হবে না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিয়ানীবাজার থানার এসআই আসাদুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রবাসীর স্ত্রীর অভিযোগ

মোহ শাহজাহান আহমদ
  • আপডেট সময় : ১০:২৯:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৪ ২৮৫ বার পড়া হয়েছে

বিয়ানীবাজার থানার এসআই আসাদুর রহমানের বিরুদ্ধে নানা হয়রানীর অভিযোগ করে সিলেট পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অভিযোগ দাখিল করেছেন শাহানা আক্তার সুমী (২৯) নামের এক প্রবাসীর স্ত্রী। বিয়ানীবাজার থানাধীন সুপাতলা গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসী বাবুল হোসেনের স্ত্রী তিনি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শাহানা আক্তার সুমীর স্বামী বাবুল হোসেন ও দেবর লালু হোসেন দীর্ঘদিন থেকে প্রবাসে রয়েছেন। সুমী দেবর লালু হোসেনের স্ত্রী মাজেদা খাতুন এবং সন্তানদের নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে একই বাড়িতে বসবাস করে আসছেন। ফলে তার শশুড়ের নামীয় একটি জায়গা নিকতাত্মীয় জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে। সুমী বাড়ির জায়গার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে সেনাবানীর নিকট অভিযোগ করেন। এসময় সেনাবাহিনী উপজেলা এসিল্যান্ডের সাথে যোগাযোগ করার জন্য পরামর্শ দেন। গত ২ সেপ্টেম্বর (সোমবার) উপজেলা এসিল্যান্ড কাগজপত্রের সতত্যা পেয়ে জায়গাটি উদ্ধার করে সুমী ও তার পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দেন। এতে বিয়ানীবাজার থানার এসআই আসাদুর রহমান সুমী ও পরিবারের উপর ক্ষুদ্ধ হয়ে প্রতিবেশী দেলোয়ার হোসেন দিলু ও আব্দুল মালিক মধুকে দিয়ে একটি ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করেন। যার নং- ৫১/২০২৪। মামলাটি বর্তমানে এসআই আসাদুর রহমানের নিকট তদন্তাধীন রয়েছে। মামলার বিষয়ে জানতে গেলে এসআই আসাদুর রহমান সুমীর সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণসহ মামলাটি তাতের বিপক্ষে দেবেন বলে জানান। পরে সুমী বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সেনাবাহিনীর নিকট মৌখিকভাবে জানান। ৫ অক্টোবর (শনিবার) এসআই আসাদুর রহমানের যোগসাজসে দিলোয়ার হোসেন দিলু সহ অজ্ঞাত ৬ জন মিলে সুমী ও তার পরিবারের উপর অতর্কিত হামলা করে। হামলায় দেবরের স্ত্রী মাজেদা খাতুন গুরুতর আহত হলে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এসআই আসাদুর রহমানের যোগসাজসে নির্মাণ করা ঘরটি বেদখলে নেয় দিলোয়ার হোসেন দিলু। বর্তমানে শাহানা ও তার পরিবার এসআই আসাদুর রহমানের এহেন বিমাতাসূলভ আচরণের ফলে নিরাপত্তাহনীয়তায় ভোগছেন। এ ব্যাপারে প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন শাহানা আক্তার সুমী ও তার পরিবার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিয়ানীবাজার থানার এসআই আসাদুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রবাসীর স্ত্রীর অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:২৯:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৪

বিয়ানীবাজার থানার এসআই আসাদুর রহমানের বিরুদ্ধে নানা হয়রানীর অভিযোগ করে সিলেট পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অভিযোগ দাখিল করেছেন শাহানা আক্তার সুমী (২৯) নামের এক প্রবাসীর স্ত্রী। বিয়ানীবাজার থানাধীন সুপাতলা গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসী বাবুল হোসেনের স্ত্রী তিনি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শাহানা আক্তার সুমীর স্বামী বাবুল হোসেন ও দেবর লালু হোসেন দীর্ঘদিন থেকে প্রবাসে রয়েছেন। সুমী দেবর লালু হোসেনের স্ত্রী মাজেদা খাতুন এবং সন্তানদের নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে একই বাড়িতে বসবাস করে আসছেন। ফলে তার শশুড়ের নামীয় একটি জায়গা নিকতাত্মীয় জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে। সুমী বাড়ির জায়গার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে সেনাবানীর নিকট অভিযোগ করেন। এসময় সেনাবাহিনী উপজেলা এসিল্যান্ডের সাথে যোগাযোগ করার জন্য পরামর্শ দেন। গত ২ সেপ্টেম্বর (সোমবার) উপজেলা এসিল্যান্ড কাগজপত্রের সতত্যা পেয়ে জায়গাটি উদ্ধার করে সুমী ও তার পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দেন। এতে বিয়ানীবাজার থানার এসআই আসাদুর রহমান সুমী ও পরিবারের উপর ক্ষুদ্ধ হয়ে প্রতিবেশী দেলোয়ার হোসেন দিলু ও আব্দুল মালিক মধুকে দিয়ে একটি ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করেন। যার নং- ৫১/২০২৪। মামলাটি বর্তমানে এসআই আসাদুর রহমানের নিকট তদন্তাধীন রয়েছে। মামলার বিষয়ে জানতে গেলে এসআই আসাদুর রহমান সুমীর সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণসহ মামলাটি তাতের বিপক্ষে দেবেন বলে জানান। পরে সুমী বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সেনাবাহিনীর নিকট মৌখিকভাবে জানান। ৫ অক্টোবর (শনিবার) এসআই আসাদুর রহমানের যোগসাজসে দিলোয়ার হোসেন দিলু সহ অজ্ঞাত ৬ জন মিলে সুমী ও তার পরিবারের উপর অতর্কিত হামলা করে। হামলায় দেবরের স্ত্রী মাজেদা খাতুন গুরুতর আহত হলে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এসআই আসাদুর রহমানের যোগসাজসে নির্মাণ করা ঘরটি বেদখলে নেয় দিলোয়ার হোসেন দিলু। বর্তমানে শাহানা ও তার পরিবার এসআই আসাদুর রহমানের এহেন বিমাতাসূলভ আচরণের ফলে নিরাপত্তাহনীয়তায় ভোগছেন। এ ব্যাপারে প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন শাহানা আক্তার সুমী ও তার পরিবার।