ঢাকা ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ত্রাণের অভাব হবে না, সাহস নিয়ে দূর্যোগ মোকাবেলা করুন: দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিবুল ইসলাম সিলেটে মুক্তিপণ না পেয়ে ছাদ থেকে ফেলে এক যুবককে হত্যার অভিযোগ ডাঃ জোবাইদা রহমানের জন্মদিনে সিলেটে বন্যার্তদের মাঝে খাবার বিতরণ সিলেটের বন্যা প্রতিরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে: মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী পাওয়ার নিউজ বিডি’র উপদেষ্টা যুক্তরাজ্য প্রবাসী মো: আব্দুল গনি’র ঈদ শুভেচ্ছা বিএনপিতে রদবদল; সিলেট বিভাগে দায়িত্ব পেলেন জি কে গৌছ ও মিফতাহ্ সিদ্দিকী বাবার বিচার চেয়ে ডরিনের পাশে থাকা সাইদুল করিম মিন্টুই এমপি আনার হত্যায় গ্রেফতার ! সিলেটে আর্মড পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার ‘ছাদ থেকে পড়ে’ ভাইরাল সেই শিশু হজযাত্রীর মৃত্যু ! ১ লাখ ১ টাকা কাবিনে শ্রীলঙ্কান তরুণীকে বিয়ে করলেন দুবাই প্রবাসী ফটিকছড়ির মোরশেদ

সিলেটে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে শিবু হত্যার রহস্য উদঘাটন

তারেক আহমদ খান
  • আপডেট সময় : ১২:২৭:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪ ৫২ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের জনপ্রিয় প্রিন্ট পত্রিকা দৈনিক উত্তর পূর্ব পত্রিকার কম্পিউটার অপারেটর চাঞ্চল্যকর অমিত দাশ শিবু হত্যার রহস্য উদঘাটিত হয়েছে। আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যার সাথে জড়িত থাকার দায় স্বীকার করেছে হত্যা মামলার অন্যতম মূল আসামি গ্রেফতারকৃত তাহমিদ ও তার কথিত প্রেমিকা সুমি।

ঘটনায় প্রকাশ, গত ২৬ এপ্রিল রাত সোয়া ২ টার দিকে স্হানীয় শাহী ঈদগাহস্হ হোসনাবাদ আবাসিক এলাকাস্থ জনৈক সুন্নত চৌধুরীর মালিকানাধীন খালি জায়গায় একজন ৩৫ বছর বয়সী অজ্ঞাতনামা ব্যাক্তির লাশ পড়ে আছে বলে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ সংবাদ পায়। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশের পরিচয় সনাক্ত করার চেষ্টা করে। কিছুক্ষন পরে ভিকটিমের ভাই অনুকুল চন্দ্র দাশ সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে লাশের পরিচয় নিশ্চিত করেন এবং ভিকটিম তার ছোট ভাই বলে জানান। ভিকটিমের ভাই আরো জানান, ভিকটিম এর নাম অমিত দাস শিবু। তিনি দৈনিক উত্তর পূর্ব পত্রিকার কম্পিউটার ইনচার্জ হিসাবে কাজ করতেন। পরে ভিকটিমের ভাই অনুকুল চন্দ্র দাশ বাদী হয়ে এয়ারপোর্ট থানায় অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করলে ঘটনার রহস্য উদঘাটনে মোঃ আজবাহার আলী শেখ, পিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর, অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) দিক-নির্দেশনায়, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ-উত্তর), সহকারী পুলিশ কমিশনার, এয়ারপোর্ট থানা ও অফিসার ইনচার্জ, এয়ারপোর্ট থানা, এর নেতৃত্বে একটি টিম গঠন করা হয়। পরে টিমের পরিকল্পনা অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা মোতাবেক ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করে তদন্তকারী কর্মকর্তা ভিকটিম অমিত হত্যার সাথে জড়িত সন্দেহে ১। মোঃ ফয়সল আহমদ (৩২), পিতা-মৃত আঃ মুকিত, ঠিকানা: স্থায়ী: গ্রাম- শাহী ঈদগাহ (বাসা নং-৪৮, হাজারীবাগ), উপজেলা/থানা- এয়ারপোর্ট, জেলা-সিলেটকে গ্রেফতার করে।

সূত্র আরও জানায়, ধৃত আসামী ফয়সল এর দেয়া তথ্য মতে এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অমিত দাস শিবু হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত অন্য আসামী তাহমিদ আহমদ (২৬), পিতা-আব্দুস সালাম, ঠিকানা: স্থায়ী: গ্রাম- সাগরদিঘীরপাড় (বাসা নং-৬৫), উপজেলা/থানা- সিলেট সদর (কোতয়ালী), জেলা-সিলেট, বাংলাদেশ: বর্তমান: গ্রাম- আরামবাগ আ/এ, উপজেলা/থানা- শাহপরান (রঃ), জেলা- সিলেট এবং সুমাইয়া আক্তার সুমি (২০), পিতা-মৃত জামাল ভূইয়া, ঠিকানা: স্থায়ী: গ্রাম- কালিকচ্ছ (কালিকাস্থ, বস্তি), থানা- সরাইল, জেলা -ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বাংলাদেশ: বর্তমান: গ্রাম- আরামবাগ আ/এ, দ্বয়কে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) দেবাংশু কুমার দে, এসআই (নিঃ)/পলাশ চন্দ্র দাস, এসআই (নিঃ)/গৌতম দাশ, এএসআই (নিঃ)/এখলাছুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স সহ ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করে গত ২২ মে কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করেন।

এসএমপি মিডিয়া সেলের তথ্যমতে, গতকাল ২৩ মে তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হলে আসামীদ্বয় ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে এবং জড়িত অন্যান্য আসামীদের নাম ঠিকানা প্রকাশ করে। পরে বিজ্ঞ আদালত আসামীদ্বয়কে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভিকটিম অমিতের সাথে সুমাইয়ার ফোনে যোগাযোগ হয় এবং তারা হোয়াটসঅ্যাপে কয়েকবার কথা বলেছে। কথা বলার এক পর্যায়ে তারা একে অপরের সাথে দেখা করতে চায়। এদিকে সুমাইয়া অমিতের উপর বিরক্ত ছিল, অমিত তাকে বারবার ফোন করে ডিস্টার্ব করার কারণে সুমাইয়া তার মহল্লার বড়ভাই ফয়সালকে বিষয়টা জানায়। ফয়সাল তখন সুমাইয়াকে বলে অমিতকে ফোন করে শাহী ঈদগাহের হাজারীবাগ এলাকায় নিয়ে আসতে। পরিকল্পনা অনুযায়ী রাত ৮:৩০ (সাড়ে আটটার) দিকে ভিকটিম অমিতকে শাহী ঈদগাহ এলাকায় ডেকে আনলে অমিত শাহী ঈদগাহ এলাকাস্থ মিনারগেটের নিচে সুমাইয়ার সাথে দেখা করে। দেখা করার পর সুমাইয়া, অমিতের মোটরসাইকেলের পিছনে চড়ে হাজারীবাগ এলাকায় যায়। উক্ত স্থানে যাওয়ার পরপরই ফয়সাল ও তার সাথে থাকা আরো ৪/৫ জন আসামীর সাথে অমিতের কথা কাটাকাটি হয় এবং এক পর্যায়ে তারা হাতাহাতি করে। হাতাহাতির একপর্যায়ে ফয়সলসহ অন্যান্য আসামীরা অমিতের মোটরসাইকেলের হেলমেট দিয়ে তাকে আঘাত করে এবং এলোপাথারিভাবে কিল ঘুষি মারতে থাকে। তখন সুমাইয়া তার কথিত বয়ফ্রেন্ড তাহমিদকে ফোন দেয়। কিছুক্ষন পরে তাহমিদ ঘটনাস্থলে আসে এবং এসে মারামারিতে অংশগ্রহণ করে। পরে আসামীদের এলোপাতারি মারপিটে ভিকটিম অমিত ঘটনাস্থলেই মারা গেলে তার লাশ হোসনাবাদ এলাকায় ফেলে চলে যায়। পরে পুলিশ সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজে লাশ প্রেরণ করে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ভিকটিম এর মোটরসাইকেল, হেলমেট, মানিব্যাগসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ করে।

এসএমপি মিডিয়া সেলের ইনচার্জ এডিসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, উক্ত হত্যা মামলার ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ অব্যাহত আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে শিবু হত্যার রহস্য উদঘাটন

আপডেট সময় : ১২:২৭:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪

সিলেটের জনপ্রিয় প্রিন্ট পত্রিকা দৈনিক উত্তর পূর্ব পত্রিকার কম্পিউটার অপারেটর চাঞ্চল্যকর অমিত দাশ শিবু হত্যার রহস্য উদঘাটিত হয়েছে। আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যার সাথে জড়িত থাকার দায় স্বীকার করেছে হত্যা মামলার অন্যতম মূল আসামি গ্রেফতারকৃত তাহমিদ ও তার কথিত প্রেমিকা সুমি।

ঘটনায় প্রকাশ, গত ২৬ এপ্রিল রাত সোয়া ২ টার দিকে স্হানীয় শাহী ঈদগাহস্হ হোসনাবাদ আবাসিক এলাকাস্থ জনৈক সুন্নত চৌধুরীর মালিকানাধীন খালি জায়গায় একজন ৩৫ বছর বয়সী অজ্ঞাতনামা ব্যাক্তির লাশ পড়ে আছে বলে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ সংবাদ পায়। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশের পরিচয় সনাক্ত করার চেষ্টা করে। কিছুক্ষন পরে ভিকটিমের ভাই অনুকুল চন্দ্র দাশ সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে লাশের পরিচয় নিশ্চিত করেন এবং ভিকটিম তার ছোট ভাই বলে জানান। ভিকটিমের ভাই আরো জানান, ভিকটিম এর নাম অমিত দাস শিবু। তিনি দৈনিক উত্তর পূর্ব পত্রিকার কম্পিউটার ইনচার্জ হিসাবে কাজ করতেন। পরে ভিকটিমের ভাই অনুকুল চন্দ্র দাশ বাদী হয়ে এয়ারপোর্ট থানায় অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করলে ঘটনার রহস্য উদঘাটনে মোঃ আজবাহার আলী শেখ, পিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর, অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) দিক-নির্দেশনায়, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ-উত্তর), সহকারী পুলিশ কমিশনার, এয়ারপোর্ট থানা ও অফিসার ইনচার্জ, এয়ারপোর্ট থানা, এর নেতৃত্বে একটি টিম গঠন করা হয়। পরে টিমের পরিকল্পনা অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা মোতাবেক ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করে তদন্তকারী কর্মকর্তা ভিকটিম অমিত হত্যার সাথে জড়িত সন্দেহে ১। মোঃ ফয়সল আহমদ (৩২), পিতা-মৃত আঃ মুকিত, ঠিকানা: স্থায়ী: গ্রাম- শাহী ঈদগাহ (বাসা নং-৪৮, হাজারীবাগ), উপজেলা/থানা- এয়ারপোর্ট, জেলা-সিলেটকে গ্রেফতার করে।

সূত্র আরও জানায়, ধৃত আসামী ফয়সল এর দেয়া তথ্য মতে এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অমিত দাস শিবু হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত অন্য আসামী তাহমিদ আহমদ (২৬), পিতা-আব্দুস সালাম, ঠিকানা: স্থায়ী: গ্রাম- সাগরদিঘীরপাড় (বাসা নং-৬৫), উপজেলা/থানা- সিলেট সদর (কোতয়ালী), জেলা-সিলেট, বাংলাদেশ: বর্তমান: গ্রাম- আরামবাগ আ/এ, উপজেলা/থানা- শাহপরান (রঃ), জেলা- সিলেট এবং সুমাইয়া আক্তার সুমি (২০), পিতা-মৃত জামাল ভূইয়া, ঠিকানা: স্থায়ী: গ্রাম- কালিকচ্ছ (কালিকাস্থ, বস্তি), থানা- সরাইল, জেলা -ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বাংলাদেশ: বর্তমান: গ্রাম- আরামবাগ আ/এ, দ্বয়কে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) দেবাংশু কুমার দে, এসআই (নিঃ)/পলাশ চন্দ্র দাস, এসআই (নিঃ)/গৌতম দাশ, এএসআই (নিঃ)/এখলাছুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স সহ ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করে গত ২২ মে কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করেন।

এসএমপি মিডিয়া সেলের তথ্যমতে, গতকাল ২৩ মে তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হলে আসামীদ্বয় ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে এবং জড়িত অন্যান্য আসামীদের নাম ঠিকানা প্রকাশ করে। পরে বিজ্ঞ আদালত আসামীদ্বয়কে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভিকটিম অমিতের সাথে সুমাইয়ার ফোনে যোগাযোগ হয় এবং তারা হোয়াটসঅ্যাপে কয়েকবার কথা বলেছে। কথা বলার এক পর্যায়ে তারা একে অপরের সাথে দেখা করতে চায়। এদিকে সুমাইয়া অমিতের উপর বিরক্ত ছিল, অমিত তাকে বারবার ফোন করে ডিস্টার্ব করার কারণে সুমাইয়া তার মহল্লার বড়ভাই ফয়সালকে বিষয়টা জানায়। ফয়সাল তখন সুমাইয়াকে বলে অমিতকে ফোন করে শাহী ঈদগাহের হাজারীবাগ এলাকায় নিয়ে আসতে। পরিকল্পনা অনুযায়ী রাত ৮:৩০ (সাড়ে আটটার) দিকে ভিকটিম অমিতকে শাহী ঈদগাহ এলাকায় ডেকে আনলে অমিত শাহী ঈদগাহ এলাকাস্থ মিনারগেটের নিচে সুমাইয়ার সাথে দেখা করে। দেখা করার পর সুমাইয়া, অমিতের মোটরসাইকেলের পিছনে চড়ে হাজারীবাগ এলাকায় যায়। উক্ত স্থানে যাওয়ার পরপরই ফয়সাল ও তার সাথে থাকা আরো ৪/৫ জন আসামীর সাথে অমিতের কথা কাটাকাটি হয় এবং এক পর্যায়ে তারা হাতাহাতি করে। হাতাহাতির একপর্যায়ে ফয়সলসহ অন্যান্য আসামীরা অমিতের মোটরসাইকেলের হেলমেট দিয়ে তাকে আঘাত করে এবং এলোপাথারিভাবে কিল ঘুষি মারতে থাকে। তখন সুমাইয়া তার কথিত বয়ফ্রেন্ড তাহমিদকে ফোন দেয়। কিছুক্ষন পরে তাহমিদ ঘটনাস্থলে আসে এবং এসে মারামারিতে অংশগ্রহণ করে। পরে আসামীদের এলোপাতারি মারপিটে ভিকটিম অমিত ঘটনাস্থলেই মারা গেলে তার লাশ হোসনাবাদ এলাকায় ফেলে চলে যায়। পরে পুলিশ সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজে লাশ প্রেরণ করে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ভিকটিম এর মোটরসাইকেল, হেলমেট, মানিব্যাগসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ করে।

এসএমপি মিডিয়া সেলের ইনচার্জ এডিসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, উক্ত হত্যা মামলার ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ অব্যাহত আছে।