ঢাকা ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সিলেটে বর্তমান ও সাবেক দুই মেয়রের সহ সমসাময়িক বিষয় নিয়ে একান্ত বৈঠক

আহমদ নাহিদ
  • আপডেট সময় : ০৮:০৮:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪ ১৭ বার পড়া হয়েছে
Spread the love

সিলেটে নতুন হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়ে যখন বর্তমান মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ও সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সমর্থকরা মুখোমুখি, তখনই দুই মেয়রের বৈঠক নানান আলোচনার জন্ম দিচ্ছে। সাবেক মেয়রকে নতুন হোল্ডিং ট্যাক্সের জন্য বর্তমান মেয়রের অনুসারীরা দায়ী করছেন। এই আলোচনা সমালোচনার মাঝেই সিলেটের বর্তমান ও সাবেক নগর পিতা এই ইস্যুতে একান্ত বৈঠক নতুন করে আলোচনার জন্ম দিলেন।

শুক্রবার (১০ মে) বিকেলে সিলেট নগরীর স্থানীয় একটি দৈনিকের অফিসে তারা একান্ত আলোচনায় বসলেও তা প্রকাশ পায় গতকাল শনিবার।

পাঞ্চবার্ষিক কর পুনর্মূল্যায়নের পর গত ৩০ এপ্রিল থেকে সিটি করপোরেশন নতুন নির্ধারিত হোল্ডিং ট্যাক্স অনুযায়ী ভবন মালিকদের তা পরিশোধের নোটিশ দেয়। নোটিশ পেয়ে ভবন মালিকদের চক্ষু চড়কগাছ। অভিযোগ ওঠেছে পৌনে এক লাখ ভবন মালিকের ৫ থেকে ৫০০ গুণ পর্যন্ত হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়ানো। এ নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বাড়তে থাকে। প্রতিদিনই নগরীতে বিভিন্ন সংগঠন অতিরিক্ত হোল্ডিং ট্যাক্স বাতিলের দাবিতে আন্দোলন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন শুরু করে। এরই মাঝে সাবেক ও বর্তমান মেয়রের বৈঠক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এদিকে একান্ত বৈঠকের ব্যাপারে বর্তমান মেয়র ও সাবেক মেয়র উভয়েই বৈঠকটিকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলে মন্তব্য করেছেন।

তারা জানান, এটা কোনো গোপন বৈঠক ছিল না। তবে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি নতুন হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আমার আমলে স্থগিত হওয়া হোল্ডিং ট্যাক্স বাস্তবায়িত হওয়ার পর নতুন করে নাগরিকদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। এ অবস্থায় বর্তমান মেয়রকে পরামর্শ দিয়েছি, নতুন হোল্ডিং ট্যাক্স স্থগিত করে নাগরিকদের সঙ্গে আলাপ করে যৌক্তিকভাবে নির্ধারণ করার।

এর আগে সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বৃহস্পতিবার নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন বলেন, তার পরিষদ পুনর্মূল্যায়ন করেছিল ঠিকই, তবে নগরবাসীর আপত্তির কারণে নতুন হোল্ডিং ট্যাক্স স্থগিত করেছিল।

সিসিক মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, সৌজন্য সাক্ষাতে সাবেক মেয়র কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। নাগরিকদের বিরুদ্ধে যাবে, এমন কোনো সিদ্ধান্ত অবশ্যই নেব না। সবার সঙ্গে আলোচনা করেই হোল্ডিং ট্যাক্স অবশ্যই সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সিলেটে বর্তমান ও সাবেক দুই মেয়রের সহ সমসাময়িক বিষয় নিয়ে একান্ত বৈঠক

আপডেট সময় : ০৮:০৮:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪
Spread the love

সিলেটে নতুন হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়ে যখন বর্তমান মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ও সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সমর্থকরা মুখোমুখি, তখনই দুই মেয়রের বৈঠক নানান আলোচনার জন্ম দিচ্ছে। সাবেক মেয়রকে নতুন হোল্ডিং ট্যাক্সের জন্য বর্তমান মেয়রের অনুসারীরা দায়ী করছেন। এই আলোচনা সমালোচনার মাঝেই সিলেটের বর্তমান ও সাবেক নগর পিতা এই ইস্যুতে একান্ত বৈঠক নতুন করে আলোচনার জন্ম দিলেন।

শুক্রবার (১০ মে) বিকেলে সিলেট নগরীর স্থানীয় একটি দৈনিকের অফিসে তারা একান্ত আলোচনায় বসলেও তা প্রকাশ পায় গতকাল শনিবার।

পাঞ্চবার্ষিক কর পুনর্মূল্যায়নের পর গত ৩০ এপ্রিল থেকে সিটি করপোরেশন নতুন নির্ধারিত হোল্ডিং ট্যাক্স অনুযায়ী ভবন মালিকদের তা পরিশোধের নোটিশ দেয়। নোটিশ পেয়ে ভবন মালিকদের চক্ষু চড়কগাছ। অভিযোগ ওঠেছে পৌনে এক লাখ ভবন মালিকের ৫ থেকে ৫০০ গুণ পর্যন্ত হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়ানো। এ নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বাড়তে থাকে। প্রতিদিনই নগরীতে বিভিন্ন সংগঠন অতিরিক্ত হোল্ডিং ট্যাক্স বাতিলের দাবিতে আন্দোলন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন শুরু করে। এরই মাঝে সাবেক ও বর্তমান মেয়রের বৈঠক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এদিকে একান্ত বৈঠকের ব্যাপারে বর্তমান মেয়র ও সাবেক মেয়র উভয়েই বৈঠকটিকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলে মন্তব্য করেছেন।

তারা জানান, এটা কোনো গোপন বৈঠক ছিল না। তবে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি নতুন হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আমার আমলে স্থগিত হওয়া হোল্ডিং ট্যাক্স বাস্তবায়িত হওয়ার পর নতুন করে নাগরিকদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। এ অবস্থায় বর্তমান মেয়রকে পরামর্শ দিয়েছি, নতুন হোল্ডিং ট্যাক্স স্থগিত করে নাগরিকদের সঙ্গে আলাপ করে যৌক্তিকভাবে নির্ধারণ করার।

এর আগে সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বৃহস্পতিবার নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন বলেন, তার পরিষদ পুনর্মূল্যায়ন করেছিল ঠিকই, তবে নগরবাসীর আপত্তির কারণে নতুন হোল্ডিং ট্যাক্স স্থগিত করেছিল।

সিসিক মেয়র মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, সৌজন্য সাক্ষাতে সাবেক মেয়র কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। নাগরিকদের বিরুদ্ধে যাবে, এমন কোনো সিদ্ধান্ত অবশ্যই নেব না। সবার সঙ্গে আলোচনা করেই হোল্ডিং ট্যাক্স অবশ্যই সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা হবে।