ঢাকা ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সিলেট-১ থেকে মন্ত্রিসভায় যাচ্ছেন মুক্তাদির; জোর আলোচনা ! ঐক্যের সিলেট গড়ার প্রত্যয়: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে জাতীয়তাবাদী উন্মুক্ত মঞ্চের মতবিনিময় গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান : প্রধান তথ্য অফিসার সিলেটে অপপ্রচার, ভোট কেনা ও কেন্দ্র দখলের প্রস্তুতির অভিযোগ বিএনপির বিগত ১৭ বছরে জৈন্তাপুরে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি: আরিফুল হক চৌধুরী ইমাম-মুয়াজ্জিনদের হাদিয়া বৃদ্ধি ও মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে: খন্দকার মুক্তাদির সিলেট প্রেসক্লাবে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের সঙ্গে মতবিনিময়, গণতন্ত্র ও নির্বাচন নিয়ে আলোচনা রাজনীতির আড়ালে কোটি টাকার খেলা; নাহিদ ইসলামকে ঘিরে সুরভীর চাঞ্চল্যকর অভিযোগ ! সিলেটে আক্রমণাত্মক অবস্থানে বিএনপি–জামায়াত: ১, ২, ৩, ৪ ও ৬ আসনে বিএনপি শক্ত অবস্থানে সিলেটের তেমুখিতে তিন গ্রামের সংঘর্ষ, আহত ১৫ জন

সখীপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধরের ঘটনায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা না নেয়ার অভিযোগ

টাঙাইল প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১২:১১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মার্চ ২০২৪ ২৯৯ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিদ্যালয়ে মেয়েকে গালিগালাজের বিচার চাইতে আসা প্রতিবেশী এক নারীকে মারধর করেছেন বহুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তা। চেয়ারম্যানের মারধরের ওই ভিডিও এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। আজ তিনদিন পেরিয়ে গেলেও তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্হা না নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

গত শনিবার বিকেলে সখীপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে তোলপাড় ও নিন্দার ঝড় বইছে।

এ ঘটনায় মারধরের শিকার জেসমিন আক্তার (৩৫) ইউপি চেয়ারম্যান নূরে আলম মুক্তা ও অপর প্রতিবেশী রুবেলের বিরুদ্ধে সখীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

এদিকে রোববার বিকেলে উপজেলার কালিদাস বাজারে চেয়ারম্যানের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছে এলাকাবাসী।

লিখিত অভিযোগ ও জেসমিনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জেসমিন আক্তার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন। একই এলাকায় বসবাস করেন উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তা। দুজনের মেয়েই স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। সম্প্রতি চেয়ারম্যানের মেয়ে ও জেসমিনের মেয়ের মধ্যে তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যানের স্ত্রী বিদ্যালয়ে গিয়ে জেসমিনের মেয়েকে গালিগালাজ করেন।

জেসমিন আক্তার বলেন, ‘আমার মেয়েকে হুমকি-ধামকি ও গালিগালাজের বিচার দিতে গেলে চেয়ারম্যান ও তার আরেক প্রতিবেশী রুবেল আমাকে বেধড়ক মারপিট করেছে। তারা এলোপাতারি কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে আমার শরীরে জখম করেছে।’

ইউপি চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তা বলেন, ওই মহিলা পরিকল্পিতভাবে আরেক মহিলাকে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিল। সে বাচ্চাদের স্কুলের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে আমার বাসার গেটে লাথি মেরে নোংরা ভাষায় গালিগালাজ করেছে। পরে এক প্রতিবেশী প্রতিবাদ করলে ওই মহিলা প্রথমে প্রতিবেশীর গায়ে হাত তুলেছে। আমাকে ফাঁসাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি কেটে আংশিক প্রকাশ করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বললেও কখন ব্যবস্হা নেয়া হবে এ ব্যাপারে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সখীপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধরের ঘটনায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা না নেয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:১১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মার্চ ২০২৪

টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিদ্যালয়ে মেয়েকে গালিগালাজের বিচার চাইতে আসা প্রতিবেশী এক নারীকে মারধর করেছেন বহুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তা। চেয়ারম্যানের মারধরের ওই ভিডিও এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। আজ তিনদিন পেরিয়ে গেলেও তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্হা না নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

গত শনিবার বিকেলে সখীপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে তোলপাড় ও নিন্দার ঝড় বইছে।

এ ঘটনায় মারধরের শিকার জেসমিন আক্তার (৩৫) ইউপি চেয়ারম্যান নূরে আলম মুক্তা ও অপর প্রতিবেশী রুবেলের বিরুদ্ধে সখীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

এদিকে রোববার বিকেলে উপজেলার কালিদাস বাজারে চেয়ারম্যানের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছে এলাকাবাসী।

লিখিত অভিযোগ ও জেসমিনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জেসমিন আক্তার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন। একই এলাকায় বসবাস করেন উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তা। দুজনের মেয়েই স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। সম্প্রতি চেয়ারম্যানের মেয়ে ও জেসমিনের মেয়ের মধ্যে তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যানের স্ত্রী বিদ্যালয়ে গিয়ে জেসমিনের মেয়েকে গালিগালাজ করেন।

জেসমিন আক্তার বলেন, ‘আমার মেয়েকে হুমকি-ধামকি ও গালিগালাজের বিচার দিতে গেলে চেয়ারম্যান ও তার আরেক প্রতিবেশী রুবেল আমাকে বেধড়ক মারপিট করেছে। তারা এলোপাতারি কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে আমার শরীরে জখম করেছে।’

ইউপি চেয়ারম্যান সরকার নূরে আলম মুক্তা বলেন, ওই মহিলা পরিকল্পিতভাবে আরেক মহিলাকে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিল। সে বাচ্চাদের স্কুলের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে আমার বাসার গেটে লাথি মেরে নোংরা ভাষায় গালিগালাজ করেছে। পরে এক প্রতিবেশী প্রতিবাদ করলে ওই মহিলা প্রথমে প্রতিবেশীর গায়ে হাত তুলেছে। আমাকে ফাঁসাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি কেটে আংশিক প্রকাশ করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বললেও কখন ব্যবস্হা নেয়া হবে এ ব্যাপারে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।