ঢাকা ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সিলেট বিভাগীয় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সিলেট রক্তের অনুসন্ধানে আমরা সংগঠনের উদ্যোগে বিনামূল্যে ব্লাড ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত সিলেটে সমাজসেবা অধিদপ্তরের আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা উদ্বোধন বাস–পিকআপ সংঘর্ষ ও মোটরসাইকেল ধাক্কায় ঝরলো চার প্রাণ আকরাম হেইচসি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ “সাংবাদিক পরিচয়েই মরতে চাই” — তথ্য মন্ত্রণালয় নিয়ে বিস্ফোরক মত মতিউর রহমান চৌধুরীর প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূসের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ বরিশালে গ্রেপ্তারের আগে দুই সন্দেহভাজন আওয়ামী লীগ কর্মীকে মারধর সিলেট মহানগর বিএনপির শোক ও কর্মসূচী সাংবাদিক আনিস রহমানের মাতৃবিয়োগে সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের শোক

ভারতের চেন্নাইয়ে স্বামীকে ফাঁসাতে গিয়ে স্ত্রীর ৫ বছরের কারাদণ্ড !

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০০:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২৪২ বার পড়া হয়েছে

ভারতের চেন্নাইয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে তাদের নিজেদের মেয়েকে ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ করেছিলেন এক নারী। ছয় বছর ধরে শুনানি চলার পর আদালতে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় ওই নারীকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে ছয় হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।  

ওই নারী অভিযোগ করেছিলেন বাবার নিরন্তর নিগ্রহের কারণেই গর্ভবতী হয়ে পড়েছে নাবালিকা। অভিযোগের প্রমাণ হিসাবে মেয়ের প্রস্রাব পরীক্ষার রিপোর্ট এবং আরও বেশ কয়েকটি পরীক্ষার রিপোর্ট আদালতে জমা দিয়েছিলেন তিনি। 

আদালতে শুনানিতে দেখা যায় যে গবেষণাগার থেকে পরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট জমা দিয়েছিলেন তিনি, এক সময় তিনি নিজেই সেখানে ল্যাবরেটরি অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসাবে কাজ করতেন। তারই সুযোগ নিয়ে জাল রিপোর্ট তৈরি করেন । এমনকি, চিকিৎসকদের মিথ্যা বয়ান দিতেও বাধ্য করেন।

এরপর তার মেয়ের বয়ান রেকর্ড করে আদালত। তাতেই প্রমাণ হয়, ওই নারীর আনা সমস্ত অভিযোগই মিথ্যা। আরও জানা যায়, সেই সময় পারিবারিক আদালতে স্বামীর সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চলছিল। স্বামীকে ফাঁসাতেই তিনি এমন কাজ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভারতের চেন্নাইয়ে স্বামীকে ফাঁসাতে গিয়ে স্ত্রীর ৫ বছরের কারাদণ্ড !

আপডেট সময় : ০৫:০০:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ভারতের চেন্নাইয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে তাদের নিজেদের মেয়েকে ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ করেছিলেন এক নারী। ছয় বছর ধরে শুনানি চলার পর আদালতে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় ওই নারীকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে ছয় হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।  

ওই নারী অভিযোগ করেছিলেন বাবার নিরন্তর নিগ্রহের কারণেই গর্ভবতী হয়ে পড়েছে নাবালিকা। অভিযোগের প্রমাণ হিসাবে মেয়ের প্রস্রাব পরীক্ষার রিপোর্ট এবং আরও বেশ কয়েকটি পরীক্ষার রিপোর্ট আদালতে জমা দিয়েছিলেন তিনি। 

আদালতে শুনানিতে দেখা যায় যে গবেষণাগার থেকে পরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট জমা দিয়েছিলেন তিনি, এক সময় তিনি নিজেই সেখানে ল্যাবরেটরি অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসাবে কাজ করতেন। তারই সুযোগ নিয়ে জাল রিপোর্ট তৈরি করেন । এমনকি, চিকিৎসকদের মিথ্যা বয়ান দিতেও বাধ্য করেন।

এরপর তার মেয়ের বয়ান রেকর্ড করে আদালত। তাতেই প্রমাণ হয়, ওই নারীর আনা সমস্ত অভিযোগই মিথ্যা। আরও জানা যায়, সেই সময় পারিবারিক আদালতে স্বামীর সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চলছিল। স্বামীকে ফাঁসাতেই তিনি এমন কাজ করেন।