ঢাকা ১১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গার্ল গাইড্স এসোসিয়েশন সিলেট অঞ্চলের উদ্যোগে বিশ্ব চিন্তা দিবস পালন শুধু রোহিঙ্গা না, পুরো বার্মা একটা জটিল জিনিস ডয়চে ভেলের এক অনুষ্ঠানে ড. ইউনূস ছাতকে সুবিধা বঞ্চিত একজনকে রোটারী ক্লাব অব সিলেট মিডটাউনের ঘর হস্থান্তর মুরারিচাঁদ কলেজের ইতিহাস ও ঐতিহ্য অনুষঙ্গ এবং প্রাসঙ্গিক ভাবনা শীর্ষক মুক্ত আলোচনা জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য হতে চায় ফিলিস্তিন; ফিলিস্তিন প্রতিনিধি দলের প্রধান রিয়াদ মনসুর সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভারতের শিলচরের সাহিত্য-সংস্কৃতি কর্মীদের সিলেটে সৌজন্য সাক্ষাৎ ছড়াকার সুফিয়ান আহমদ চৌধুরী ছড়াশিল্পের অনন্য এক দিকপাল: প্রফেসর হারুনুর রশীদ ডাক্তারের পরামর্শে চার মাস কারও সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন না বিএনপি নেতা খন্দকার মোশাররফ বিবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সাইদুর রহমান রেনুর পিতার নামাজে জানাজা আজ দরগা মাসজিদে

ভারতীয় সেনা সরিয়ে নিতে সময় বেঁধে দিলো মালদ্বীপ

মোঃ শাহজাহান আহমদ
  • আপডেট সময় : ০১:৩৯:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪ ১৮৩ বার পড়া হয়েছে

চীন সফরের পরেই ভারতের বিরুদ্ধে সুর চড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহম্মদ মুইজ্জু। শনিবার (১৩ জানুয়ারি) কোনো দেশের নাম না করেই হুঁশিয়ারির সুরে জানিয়েছিলেন, কাউকে ধমকানোর ছাড়পত্র দেয়নি তার সরকার। তার পরের দিনই ভারতীয় সেনাকে দ্রুত মালদ্বীপ ছাড়তে বলার নির্দেশ দিলেন তিনি।

তবে এবার শুধু কূটনৈতিক স্তরে অনুরোধ জানানোই নয়, রীতিমতো দু’মাসের সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে মালদ্বীপ সরকার। আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে ভারতীয় সেনাকে মালদ্বীপ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে কূটনৈতিক স্তরে সেনা সরিয়ে দেওয়ার জন্য ভারতকে অনুরোধ জানিয়েছিল ভারত। এবার সরাসরি ‘নির্দেশ’ দেওয়া হলো। মুইজ্জুর সচিবালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তা আবদুল্লাহ নাজিম ইব্রাহিম সে দেশের একটি সংবাদপত্রকে বলেছেন, ভারতীয় সেনারা মালদ্বীপে থাকতে পারবেন না। কারণ এটাই প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু এবং তার সরকারের সিদ্ধান্ত।

মুইজ্জুর সেনা সরানো সংক্রান্ত নির্দেশের নেপথ্যে চীনের হাত দেখছেন কেউ কেউ। কারণ ভারত-মালদ্বীপ চলতি বিতর্কের শুরুতে খানিক সুর নরমের ইঙ্গিত দিয়েছিল মালদ্বীপ সরকার। ভারত ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে সাসপেন্ড করা হয়েছিল মালদ্বীপের তিন মন্ত্রীকে।

তারপরেও অবশ্য দুই দেশের সম্পর্ক খুব একটা সহজ হয়নি। ভারতীয় নাগরিকদের ‘বয়কট মালদ্বীপ’-এর ঠেলা সামলাতে হিমশিম খেতে হয় দক্ষিণ-পশ্চিম ভারত মহাসাগরের এই দ্বীপরাষ্ট্রকে। আগে থেকে মালদ্বীপে ঘুরতে যাওয়ার বিমান-হোটেলে টিকিট বুক করে রাখার পরেও তা বাতিল করেন একের পর এক ভারতীয়। এই প্রবণতা এখনো বন্ধ হয়নি।

মালদ্বীপের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এমনিতেই ‘চীনপন্থি’ বলে পরিচিত মুইজ্জু। গত সপ্তাহেই তিন পাঁচ দিনের জন্য চীন সফরে যান। সফরের তৃতীয় দিনে গত বুধবার জিনপিংয়ের সঙ্গে রাজধানী বেইজিংয়ে বৈঠক করেন মুইজ্জু। সেখানেই ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের আবহে মালদ্বীপের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন চীনা প্রেসিডেন্ট তথা কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষনেতা। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ওই বৈঠকেই বেইজিংকে তাদের ‘পুরনো বন্ধু ও ঘনিষ্ঠতম সহযোগী’ বলেন মুইজ্জু। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক আর্থিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সংক্রান্ত কয়েকটি চুক্তি সই হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভারতীয় সেনা সরিয়ে নিতে সময় বেঁধে দিলো মালদ্বীপ

আপডেট সময় : ০১:৩৯:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪

চীন সফরের পরেই ভারতের বিরুদ্ধে সুর চড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহম্মদ মুইজ্জু। শনিবার (১৩ জানুয়ারি) কোনো দেশের নাম না করেই হুঁশিয়ারির সুরে জানিয়েছিলেন, কাউকে ধমকানোর ছাড়পত্র দেয়নি তার সরকার। তার পরের দিনই ভারতীয় সেনাকে দ্রুত মালদ্বীপ ছাড়তে বলার নির্দেশ দিলেন তিনি।

তবে এবার শুধু কূটনৈতিক স্তরে অনুরোধ জানানোই নয়, রীতিমতো দু’মাসের সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে মালদ্বীপ সরকার। আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে ভারতীয় সেনাকে মালদ্বীপ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে কূটনৈতিক স্তরে সেনা সরিয়ে দেওয়ার জন্য ভারতকে অনুরোধ জানিয়েছিল ভারত। এবার সরাসরি ‘নির্দেশ’ দেওয়া হলো। মুইজ্জুর সচিবালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তা আবদুল্লাহ নাজিম ইব্রাহিম সে দেশের একটি সংবাদপত্রকে বলেছেন, ভারতীয় সেনারা মালদ্বীপে থাকতে পারবেন না। কারণ এটাই প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু এবং তার সরকারের সিদ্ধান্ত।

মুইজ্জুর সেনা সরানো সংক্রান্ত নির্দেশের নেপথ্যে চীনের হাত দেখছেন কেউ কেউ। কারণ ভারত-মালদ্বীপ চলতি বিতর্কের শুরুতে খানিক সুর নরমের ইঙ্গিত দিয়েছিল মালদ্বীপ সরকার। ভারত ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে সাসপেন্ড করা হয়েছিল মালদ্বীপের তিন মন্ত্রীকে।

তারপরেও অবশ্য দুই দেশের সম্পর্ক খুব একটা সহজ হয়নি। ভারতীয় নাগরিকদের ‘বয়কট মালদ্বীপ’-এর ঠেলা সামলাতে হিমশিম খেতে হয় দক্ষিণ-পশ্চিম ভারত মহাসাগরের এই দ্বীপরাষ্ট্রকে। আগে থেকে মালদ্বীপে ঘুরতে যাওয়ার বিমান-হোটেলে টিকিট বুক করে রাখার পরেও তা বাতিল করেন একের পর এক ভারতীয়। এই প্রবণতা এখনো বন্ধ হয়নি।

মালদ্বীপের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এমনিতেই ‘চীনপন্থি’ বলে পরিচিত মুইজ্জু। গত সপ্তাহেই তিন পাঁচ দিনের জন্য চীন সফরে যান। সফরের তৃতীয় দিনে গত বুধবার জিনপিংয়ের সঙ্গে রাজধানী বেইজিংয়ে বৈঠক করেন মুইজ্জু। সেখানেই ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের আবহে মালদ্বীপের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন চীনা প্রেসিডেন্ট তথা কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষনেতা। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ওই বৈঠকেই বেইজিংকে তাদের ‘পুরনো বন্ধু ও ঘনিষ্ঠতম সহযোগী’ বলেন মুইজ্জু। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক আর্থিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সংক্রান্ত কয়েকটি চুক্তি সই হয়।