ঢাকা ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য হতে চায় ফিলিস্তিন; ফিলিস্তিন প্রতিনিধি দলের প্রধান রিয়াদ মনসুর সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভারতের শিলচরের সাহিত্য-সংস্কৃতি কর্মীদের সিলেটে সৌজন্য সাক্ষাৎ ছড়াকার সুফিয়ান আহমদ চৌধুরী ছড়াশিল্পের অনন্য এক দিকপাল: প্রফেসর হারুনুর রশীদ ডাক্তারের পরামর্শে চার মাস কারও সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন না বিএনপি নেতা খন্দকার মোশাররফ বিবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সাইদুর রহমান রেনুর পিতার নামাজে জানাজা আজ দরগা মাসজিদে সিলেটে ডিবি’র জুয়া বিরোধী বিশেষ অভিযানে জুয়া খেলার সামগ্রীসহ ৬ জুয়ারি আটক সিলেটে ডিবি পুলিশের পৃথক দুটি অভিযানে জুয়া খেলার সামগ্রীসহ ২২ জন জুয়ারি গ্রেফতার গাজীপুরের কোনাবাড়িতে ঝুট গুদামে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচ ইউনিট গাজীপুরে পারিবারিক বিরোধের জেরে মেয়েকে বাবার হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা

ডলার সংকটে সার আমদানির দায় পরিশোধ করতে পারছে না কৃষি ব্যাংক ও অগ্রণী ব্যাংক

ডেস্ক রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৫:০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৪ ৩৬ বার পড়া হয়েছে

ডলার সংকটে এবার সার আমদানি হুমকিতে থাকায়, আসছে বোরো মৌসুমে ইউরিয়ার যোগন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) ও কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) কাছে বকেয়া সাড়ে ১০ কোটি ডলার পরিশোধের তাগিদ দিয়ে চিঠি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও শিল্প সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরকেও এ বিষয়ে জানানো হয়েছে।

দেশে ব্যবহৃত সারের বেশিরভাগই প্রয়োজন হয় বোরো মৌসুমে। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে কেবল ইউরিয়া সারের প্রয়োজন প্রায় ২৭ লাখ টন। এর সিংহভাগই মেটাতে হয় বাইরের দেশগুলো থেকে আমদানি করে। এছাড়া বিদেশি বিনিয়োগের দেশিয় প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানির কাছ থেকেও কিনতে হয় বিদেশি মুদ্রায়।

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য বিসিআইসির মাধ্যমে সরকারিভাবে ৯ লাখ টন আর কাফকো থেকে সাড়ে ৫ লাখ টন ইউরিয়া আমদানির লক্ষ্য নির্ধারণ করে সরকার। আর কাফকোর কাছ থেকে ৫ লাখ টনের মধ্যে ৩ লাখ টনের জন্য এলসি খোলা হয় কৃষি ব্যাংক ও অগ্রণী ব্যাংকে। এসব এলসির বিপরীতে কাফকোর পাওনা সাড়ে ১০ কোটি ডলার। যার বেশিরভাগই কৃষি ব্যাংকের কাছে। এই অর্থ সময় মতো দিতে না পারলে সমস্যা হতে পারে বাকি আড়াই লাখ টনের আমদানি প্রক্রিয়ায়। যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হতে পারে বড় ধরণের হুমকি।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. নাসিরুজ্জামান বলেন, সারের চাহিদা কতটুকু আমরা জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসেই বুঝতে পারবো। আমরা এখন পর্যন্ত কোথাও দেখছি না যে কোনো এলাকায় সারের সংকট তৈরি হয়েছে।

এরই মধ্যে এই বকেয়া পরিশোধের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে অর্থ মন্ত্রণালয় ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ বেশ কয়েকটি দপ্তরে চিঠি দিয়েছে বিসিআইসি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ডলার সংকটে সার আমদানির দায় পরিশোধ করতে পারছে না কৃষি ব্যাংক ও অগ্রণী ব্যাংক

আপডেট সময় : ০৫:০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৪

ডলার সংকটে এবার সার আমদানি হুমকিতে থাকায়, আসছে বোরো মৌসুমে ইউরিয়ার যোগন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) ও কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (কাফকো) কাছে বকেয়া সাড়ে ১০ কোটি ডলার পরিশোধের তাগিদ দিয়ে চিঠি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও শিল্প সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরকেও এ বিষয়ে জানানো হয়েছে।

দেশে ব্যবহৃত সারের বেশিরভাগই প্রয়োজন হয় বোরো মৌসুমে। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে কেবল ইউরিয়া সারের প্রয়োজন প্রায় ২৭ লাখ টন। এর সিংহভাগই মেটাতে হয় বাইরের দেশগুলো থেকে আমদানি করে। এছাড়া বিদেশি বিনিয়োগের দেশিয় প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানির কাছ থেকেও কিনতে হয় বিদেশি মুদ্রায়।

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য বিসিআইসির মাধ্যমে সরকারিভাবে ৯ লাখ টন আর কাফকো থেকে সাড়ে ৫ লাখ টন ইউরিয়া আমদানির লক্ষ্য নির্ধারণ করে সরকার। আর কাফকোর কাছ থেকে ৫ লাখ টনের মধ্যে ৩ লাখ টনের জন্য এলসি খোলা হয় কৃষি ব্যাংক ও অগ্রণী ব্যাংকে। এসব এলসির বিপরীতে কাফকোর পাওনা সাড়ে ১০ কোটি ডলার। যার বেশিরভাগই কৃষি ব্যাংকের কাছে। এই অর্থ সময় মতো দিতে না পারলে সমস্যা হতে পারে বাকি আড়াই লাখ টনের আমদানি প্রক্রিয়ায়। যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য হতে পারে বড় ধরণের হুমকি।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. নাসিরুজ্জামান বলেন, সারের চাহিদা কতটুকু আমরা জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসেই বুঝতে পারবো। আমরা এখন পর্যন্ত কোথাও দেখছি না যে কোনো এলাকায় সারের সংকট তৈরি হয়েছে।

এরই মধ্যে এই বকেয়া পরিশোধের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে অর্থ মন্ত্রণালয় ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ বেশ কয়েকটি দপ্তরে চিঠি দিয়েছে বিসিআইসি।