ঢাকা ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

একাধিক হত্যা মামলার আসামী নিজ বন্ধুদের ছুরিকাঘাতে নিহত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১২:০১:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪ ৬৪ বার পড়া হয়েছে
Spread the love

বগুড়ার সদর উপজেলায় হত্যা মামলার আসামি আলী হাসানকে (২৮) ছু‌রিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ মে) দুপুরে বগুড়া সদরের ফাঁপোড় ইউনিয়নের শহরদিঘি গ্রামে তাকে হত্যা করা হয়। 

নিহত আলী হাসান বগুড়া শহরের মালগ্রাম উত্তরপাড়ার জিন্না মিয়ার ছেলে। তিনি ফাঁপোড় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মমিনুল হক রকি হত্যাসহ একাধিক হত্যা মামলার আসামি ছিলেন। 

নিহতের চাচা আপেল মিয়া জানান, ৮-৯ মাস আগে হত্যা মামলা থেকে জামিনে কারাগার থেকে মুক্ত হয় আলী হাসান। এরপর থেকে আলী হাসান হকার্স মার্কেটে কাপড়ের দোকান করতেন। বেলা ১২টার দিকে তার বন্ধু সবুজ সওদাগর শহরদীঘি গ্রামে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। ওই বাড়িতেই আলী হাসানকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে তারাই হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং মারা গেলে লাশ রেখে পালিয়ে যায়।

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান বলেন, দুপুর ২টার দিকে ২-৩ জন যুবক আলী হাসানকে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে আসে। এ সময় আলী হাসান পুলিশকে জানায় বাড়িতে বটিতে পড়ে গিয়ে বুকের নিচে জখমপ্রাপ্ত হয়েছে। অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার পর ওই যুবক মারা যায়। এ সময় তার সঙ্গে আসা ২-৩ জন যুবক লাশ রেখে পালিয়ে গেলে পুলিশের সন্দেহ হয়। এরপর পর পুলিশ অনুসন্ধনে নেমে জানতে পারে, শহরতলীর শহরদীঘি গ্রামে এক বাড়িতে আলী হাসানকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।

বগুড়া সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) স্বপন মিয়া বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন  করে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মাদক সেবন নিয়ে বিরোধের জের ধরে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা পলাতক রয়েছে। বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।
 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

একাধিক হত্যা মামলার আসামী নিজ বন্ধুদের ছুরিকাঘাতে নিহত

আপডেট সময় : ১২:০১:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪
Spread the love

বগুড়ার সদর উপজেলায় হত্যা মামলার আসামি আলী হাসানকে (২৮) ছু‌রিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ মে) দুপুরে বগুড়া সদরের ফাঁপোড় ইউনিয়নের শহরদিঘি গ্রামে তাকে হত্যা করা হয়। 

নিহত আলী হাসান বগুড়া শহরের মালগ্রাম উত্তরপাড়ার জিন্না মিয়ার ছেলে। তিনি ফাঁপোড় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মমিনুল হক রকি হত্যাসহ একাধিক হত্যা মামলার আসামি ছিলেন। 

নিহতের চাচা আপেল মিয়া জানান, ৮-৯ মাস আগে হত্যা মামলা থেকে জামিনে কারাগার থেকে মুক্ত হয় আলী হাসান। এরপর থেকে আলী হাসান হকার্স মার্কেটে কাপড়ের দোকান করতেন। বেলা ১২টার দিকে তার বন্ধু সবুজ সওদাগর শহরদীঘি গ্রামে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। ওই বাড়িতেই আলী হাসানকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে তারাই হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং মারা গেলে লাশ রেখে পালিয়ে যায়।

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান বলেন, দুপুর ২টার দিকে ২-৩ জন যুবক আলী হাসানকে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে আসে। এ সময় আলী হাসান পুলিশকে জানায় বাড়িতে বটিতে পড়ে গিয়ে বুকের নিচে জখমপ্রাপ্ত হয়েছে। অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার পর ওই যুবক মারা যায়। এ সময় তার সঙ্গে আসা ২-৩ জন যুবক লাশ রেখে পালিয়ে গেলে পুলিশের সন্দেহ হয়। এরপর পর পুলিশ অনুসন্ধনে নেমে জানতে পারে, শহরতলীর শহরদীঘি গ্রামে এক বাড়িতে আলী হাসানকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।

বগুড়া সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) স্বপন মিয়া বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন  করে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, মাদক সেবন নিয়ে বিরোধের জের ধরে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা পলাতক রয়েছে। বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।